জেনে নিন ভারতের ট্রেনের টিকেট বুকিং এর পদ্ধতি

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0

ভারতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য খুবই আরামদায়ক এবং নির্ভরযোগ্য বাহন হলো ট্রেন। কোলকাতা থেকে দিল্লী অথবা চেন্নাই কিংবা শিলিগুড়ি, প্রায় সব গন্তব্যেই আপনি ৩-৪ ধরণের ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারেন। আমরা বাংলাদেশীরা সাধারণত কোলকাতা থেকেই বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেনে যাতায়ত করি। কিন্তু ট্রেনের টিকেট কাটা একটা বেশ ঝামেলার কারণ হয়ে দেখা দেয়, কারণ ভারতে ট্রেনে খুব জলদি বুকিং শেষ হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনি দু’টো কাজ করতে পারেন।

ফরেন কোটা

ধরুন আপনি কোলকাতা থেকে দিল্লী যাবেন। রাজধানী এক্সপ্রেসের সাধারণ টিকেট দু’তিন দিন আগে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। কিন্তু দু’দিন আগে ফরেন কোটায় টিকেট পেতে আপনাকে খুব একটা ঝামেলা হবে না। কোলকাতায় যে কোন ট্রাভেল অপারেটরের কাছে টিকেট কাটবার সময় ফরেন কোটার কথা উল্লেখ করুন এবং অবশ্যই সাথে আপনার পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন। ফরেন কোটার টিকেটের দাম সাধারণ টিকেটের সমান।

ততকাল

ততকাল হলো শেষ সময়ের টিকেট। যদি ফরেন কোটাতেও টিকেট না পাওয়া যায় তাহলে একমাত্র ততকালই ভরসা। ততকালের টিকেট ছাড়া হয় ট্রেনের যাত্রা শুরু হবার একদিন আগে। তাই কোলকাতা গিয়েই ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে আগে ভাগে আপনার সকল তথ্য দিয়ে দিন। তাহলে তারা টিকেট ছাড়ার পরপরই আপনার জন্য টিকেট করে রাখবে। তবে এক্ষেত্রে আপনার প্রায় ৩০০-৫০০ রুপি বেশি লাগবে, ট্রাভেল এজেন্সির কমিশন সহ।

যদি আপনি মাসখানেক আগে থেকেই ভারত ভ্রমনের প্ল্যান করে রাখেন, তাহলে আপনি বাংলাদেশে বসেও ইচ্ছে করলে ভারতের ট্রেনের টিকেট কাটতে পারেন। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের অপরদিকে, নিকেতনে ঢোকার মুখে দু’তিনটি ট্রাভেল এজেন্সি এই বুকিংগুলো দিয়ে থাকে। ভারতের আভ্যন্তরীন ট্রেনের সময়সূচি জানার জন্য লগ ইন করতে পারেন এই সাইটটিতে – www.erail.in

আপনার ভ্রমণ হোক সম্পূর্ণ ঝামেলা মুক্ত, সেই কামনায় আদার ব্যাপারী।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares