মৌসুনি আইল্যান্ড

মৌসুনি আইল্যান্ড

মৌসুনি আইল্যান্ড একটি নির্জন নিরিবিলি দ্বীপ যা কলকাতা থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তিনদিকে চেনাই নদী আর একদিকে সাগরের মোহনা। এখানে সমুদ্র কিন্তু শান্ত। জোয়ারের সময় জল আসে এবং ভাঁটায় জল সরে যায় বহু দূরে। মাছ ধরায় প্রধানত প্রধান জীবিকা। যাদের হাতে ছুটি সময় কম, সপ্তাহে একদিন মাত্র … বিস্তারিত

আজমীর শরীফ দরগাহ

আজমীর শরীফ দরগাহ

আজমীর শরীফ দরগাহ (Ajmer Sharif Dargah), হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতি (র:) এর দরগাহ যা খাজা বাবার মাজার নামেও পরিচিত। এটি ভারতের রাজস্থানের আজমীর জেলায় অবস্থিত। ভারতবর্ষের একমাত্র সর্বধর্ম মিলনক্ষেত্র এই আজমীর। হিন্দু, মুসলিমসহ সকল সম্প্রদায়ের কাছে মহান তীর্থস্থান আজমীর। সারা বছরই লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রান মানুষের পদভারে মুখরিত থাকে মাজার … বিস্তারিত

ঘাঘরি ঝর্ণা, নেতারহাট, ঝাড়খন্ড

নেতারহাট

নেতারহাট (Netarhat), শাল, মহুয়া, পলাশে ঘেরা ঝাড়খন্ডের (Jharkhand) একটি পাহাড়ি উপত্যকা যেটি লাতেহার জেলায় অবস্থিত। বর্ষায় এখানকার প্রকৃতি আরো সবুজ ও সতেজ হয়ে ওঠে। নেতারহাটের উচ্চতা ১০৭১ মিটার আর কালিম্পংয়ের ১২৪৭। পাহাড়ের পর পাহাড় পেরিয়ে নেতারহাটে পৌঁছে গেলে আর বোঝা যায় না যে প্রায় কালিম্পংয়ের … বিস্তারিত

নামচি চারধাম

নামচি

নামচি (Namchi) হল দক্ষিণ সিকিমের সদর শহর, ছোট্ট একটি জনপদ যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৪০০ ফুট (১৩১৫ মিটার) উচ্চতায় অবস্থিত। নামচি থেকে যেমন কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়, তেমনই চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ সবুজ উপত্যকার এক সুন্দর দৃশ্য। নামচি ও তার আশপাশের দর্শনীয় স্থানগুলি দেখতে অন্তত একটা গোটা দিন সময় লাগবে। ছোট্ট শহরের বাইরে … বিস্তারিত

টেমি চা বাগান, নামচি

টেমি চা বাগান

টেমি চা বাগান (Temi Tea Garden), ১৯৬২ সালে সিকিম সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চা বাগান যা দক্ষিণ সিকিমের টেমিতে অবস্থিত যা রাবাংলা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি সিকিমের একমাত্র চা বাগান এবং ভারত ও বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ। এখানে শীর্ষ মানের চা উৎপাদিত হয়, যার আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা আছে। বাগানটি পাহাড়ের ঢালের উপর স্থাপিত। … বিস্তারিত

কালাভান্তিন দূর্গ

কালাভান্তিন দূর্গ

কালাভান্তিন দূর্গ (Kalavantin Durg) ভারতের মুম্বাই থেকে ৬০ কিমি দূরে মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার মাথেরান ও পানভেল এর মধ্যস্থলে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর অন্যতম দূর্গম দূর্গ হিসেবেও বেশ পরিচিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭০১ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই দূর্গের সিঁড়ি একে বিশ্বের বিপদজনক গুলোর একটি বানিয়েছে। এর অমসৃণ সিঁড়িগুলো এই পাহাড়ের পাথর কেটে বানানো। এই … বিস্তারিত

রংবুল

রংবুল

রংবুল (Rangbull) গ্রামটি দার্জিলিং এর ঘুম থেকে মাত্র পাঁচ কিমি নিচে, চা বাগানের সবুজ গালিচায় মোড়া এক ছোট্ট গ্রাম। কোন এক শহুরে জীবনে ক্লান্ত মন যখন একটুকরো শান্তি খুঁজে বেড়ায়, নিরিবিলিতে কাটিয়ে দিতে চায় কিছুটা সময় প্রিয়জনের সাথে, সেই মনের নতুন ঠিকানা হতে পারে রংবুল। সাইটসিংয়ের লম্বা লিস্ট, বেড়াতে গিয়ে শপিং এর বাইরে যারা … বিস্তারিত

মান্ডি

মান্ডি

সুকেটি নদী এবং বিয়াস নদীর সঙ্গম স্থলেই হিমাচল প্রদেশের মান্ডি শহর। মান্ডি প্রকৃতপক্ষে মন্দির শহর, তাই হিমাচলের “পাহাড়ের কাশি” নামে পরিচিত। মান্ডি নিজে একটি বিশাল জেলা। চন্ডীগড় থেকে ২০০ কিমি এবং সিমলা থেকে ১৫০ কিমি দূরে মান্ডির অবস্থান। পরাশ্বর লেক মান্ডির অন্যতম উঁচুস্থানে পরাশ্বর লেক। সমুদ্রপৃষ্ঠ … বিস্তারিত

নংরিয়াত – রেইনবো ফলস

নংরিয়াত, মেঘালয়

নংরিয়াত (Nongriat) হচ্ছে পাহাড়ের খাদে এমন একটি গ্রাম যেখানে পায়ে হাটা ছাড়া অন্য কোন ভাবে যাওয়া সম্ভব না। তৃর্না (Tyrna Village) থেকে ৩৭০০+ সিড়ি বেয়ে নেমে (মাঝে মাঝে উঠতেও হয় সিড়ি বেয়ে) যেতে হয় নংরিয়াতে। নংরিয়াত গ্রামে আছে ডাবল ডেকার রুট … বিস্তারিত

রোথাং পাস, মানালী, হিমাচল প্রদেশ

রোথাং পাস

সিমলা থেকে মানালী যাওয়া মানেই রোথাং পাস ট্রিপ যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৫০০ ফুট (৪০০০ মিটার) উপরে অবস্থিত একটি রাস্তা, যেখানে স্বর্গ মনে হবে হাতের মুঠোয়। মানালী থেকে ৫০ কিমি দূরে কেইলং লেহ জাতীয় সড়ক পথে কোথি, গুলাবা ভ্যালি, মারহি হয়ে পৌঁছে যাওয়া যাবে রোথাং পাস। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে রাস্তা খোলে এবং নভেম্বর পর্যন্ত … বিস্তারিত

হর কি দুন

হর কি দুন

ভারতের সবচেয়ে পুরোনো ট্রেকিং গুলির মধ্যে একটি হলো হর কি দুন ভ্যালি ট্রেক যা Valley of Gods নামেও পরিচিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৫৬৬ মিটার (১১৬০০ ফুট) উচ্চতাবিশিষ্ট এই ট্রেককিং রুটটি উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশি রাজ্যের গারোয়াল হিমালয়ের পশ্চিম পারে অবস্থিত। শীত এবং গ্রীষ্ম উভয় সিজনেই যাওয়া যায় এই রুটে। হর … বিস্তারিত

মনোলিথ, নার্টিয়াং, মেঘালয়

মনোলিথ পার্ক

শিলং এর আর এক আশ্চর্য হলো মনোলিথ। যার সাথে জড়িয়ে আছে স্থানীয় মানুষের ধর্মবিশ্বাস। শিলং এর এক বিশেষ উপজাতি তাদের সম্প্রদায়ের মানুষের মৃত্যুর পর সেই ব্যাক্তির উদ্দেশ্য একটি মনোলিথ তৈরি করে, পাথরের উপর পাথর বসিয়ে। এই পাথর ধীরে ধীরে আয়তনে বৃদ্ধি পায়। তাদের বিশ্বাস মনোলিথ বেড়ে যাওয়া মানে মৃত্যুর পরেও সেই … বিস্তারিত