বিদেশ · দেশ

মায়ানমার

১টি দর্শনীয় স্থানের গাইড

Explore

দর্শনীয় স্থানসমূহ

পর্বত, উপত্যকা আর শহর — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।

গোল্ডেন রক

গোল্ডেন রক (Golden Rock) মিয়ানমারের অন্যতম প্রধান তীর্থস্থান এবং পর্যটন আকর্ষণ যা কিয়াইকতিও প্যাগোডা (Kyaiktiyo Pagoda) নামেও পরিচিত।…

Travel notes

যাত্রা ও তথ্য

ভিসা, মৌসুম, যাত্রাপথ আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।

বাংলাদেশের সাথে যে দুটি দেশের সাথে সরাসরি সীমান্ত রয়েছে তাঁর মধ্যে একটি মায়ানমার এবং অন্যটি ভারত। এক সময়ের বার্মা যার বর্তমান অফিশিয়াল নাম “রিপাবলিক অফ দি ইউনিয়ন অফ মিয়ানমার” যাকে সাধারণভাবে সংক্ষেপে মিয়ানমার নামে ডাকা হয়। ১৮৮৫ সাল থেকে ইউনিয়ন অফ বার্মা নামে দেশটি পরিচিত ছিল। ১৯৮৯ সালে তা পরিবর্তন করে ইউনিয়ন অফ মিয়ানমার রাখা হয়। বার্মিজ ভাষায় ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে দেশটি মিয়ানমা (Myanma), আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে ম্রানমা প্রাণ (Mranma Pran) নামে পরিচিত ছিল।

মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখন্ডের পশ্চিম অংশের একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ব উত্তরের দেশ মিয়ানমার। দক্ষিণে মালয় উপদ্বীপ (Malay Peninsula) পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা লেজ বিশিষ্ট একটি ঘুড়ি আকৃতির দেশ এই মিয়ানমার। দেশটির উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব দিকে চীন, পূর্বে লাওস, দক্ষিণ-পূর্বে থাইল্যান্ড, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর, পশিমে বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিমে ভারত।

বৃটিশ শাসন আমল থেকে মিয়ানমারে কোন বিশেষ ধর্ম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পায় না। তবে জনসখ্যার প্রায় তিন-চতুর্থাংশই ত্রিবেদ বৌদ্ধইজমে (Thervada Buddhism) বিশ্বাসী। সংখ্যালঘুদের মধ্যে প্রোটেস্টান খৃস্টানদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। পাহাড়ি এলাকার অনেক স্থানে আদিবাসী সম্প্রদায় এলাকা ভিত্তিক গড়ে ওঠা নিজস্ব ধর্মও পালন করে থাকে। মুসলমান ও হিন্দু ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়।

কৃষি, বনজ এবং মৎস্য মিয়ানমারের বড় অর্থ উপার্জনকারী সম্পদ। কৃষিভূমির প্রায় অর্ধেক অঞ্চল ধান চাষের জন্য ব্যবহার করা হয়। মিয়ানমার খনিজ সম্পদ, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ। প্রাচীন কাল থেকে দেশটির সমুদ্র উপকূল ও নদী উপত্যকা মানুষের বসবাস ও বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ভিসা প্রাপ্তি

খুব সহজেই ঢাকার বারিধারায় অবস্থিত মায়ানমার এম্বাসি থেকে ২/১ দিনের মধ্যে ৪২৫০ টাকা ফি (৫০ ডলার) তে ভিসা মিলবে।

কোথায় ঘুরবেন

মায়ানমারে বেড়ানোর বহু জায়গা রয়েছে। তারমধ্যে বানিজ্যক রাজধানী – ইয়ানগুন, বর্তমান রাজধানী – নে পি ডো, প্রাচীন রাজধানী – বাগান ও মান্দালয় অন্চলের নয়নাভিরাম – পোপা মাউন্টেইন প্রসিদ্ধ।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট গত নভেম্বরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এয়ার ইন্ডয়া বা ইন্ডিগো এয়ার এ কলকাতা ট্রানজিট নিয়ে বা ব্যাংকক এয়ার এ ব্যাংকক ট্রানজিট হয়ে মায়ানমারের ইয়ানগুন (রেংগুন) ভ্রমন তুলনামুলক সহজ। টিকেটের মুল্য আসা-যাওয়া আনুমানিক কলকাতা হয়ে ৩০-৩২ হাজার টাকা বা ব্যাংকক এয়ার এ ৩৬-৩৮ হাজার টাকা।

খরচ

ইয়ানগুন থেকে নে পি ডো শহর ঘুরে বিশ্রাম নিয়ে পোপা মাউন্টেনে রাত্রিযাপন, পরদিন পোপা থেকে বাগান ঘুরে নে পি ডো হয়ে মধ্যরাতে ইয়ানগুন ফেরা —- ২ দিনের ১০ জনের মাইক্রো ভাড়া ৪০০ ডলার।

খাওয়া

মিয়ানমারের মুসলিম হোটেলগুলির খাবার যেন আমাদের দেশের রেস্টুরেন্টের খাবার এর মতো। গরুর গোশত রান্না আমাদের দেশের মতো মশলা দিয়ে রান্না। এই সকল মুসলিম রেস্টুরেন্ট এর মালিকেরা অনেকেই বাংলা বুঝে কারণ তাদের অনেকের পুর্বপুরুষ আমাদের চাটগা অন্চলের।