চিন্তাফু টপ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

চিন্তাফু ট্রেক

চিন্তাফু ট্রেক (Chintaphu Trek) ভার্জিন রুট না হলেও খুব কম মানুষই এই পথে পা মিলিয়েছেন। চিন্তাফুর ব্যাপারে তাই খুব মানুষই জানেন। স্থানীয় গাইডরা চিন্তাফুকে সান্দাকফু এর বোন বলে। সান্দাকফুর থেকে চিন্তাফুর উচ্চতা মাত্র ৩৩মিটার কম। চিন্তাফুর উচ্চতা ৩৬৩৩মিটার অর্থাৎ ১১৯২৯ ফিট। চিন্তাফুর বৈশিষ্ট্য হল চিন্তাফু থেকে … বিস্তারিত

পুন হিল ট্রেক

পুন হিল ট্রেক

পুন হিল গোরেপানির কাছেই অবস্থিত একটি পাহারচূড়া, যেটির উচ্চতা ৩২১০ মিটার। নেপালের হিমালয়ের অন্নপূর্ণা রেঞ্জের অসাধারণ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে পুন হিল ট্রেক (Pun Hill Trek) এর জুড়ি নেই। আকাশ পরিস্কার থাকলে পুন হিল থেকে অন্নপূর্ণা এবং ধবলগীরি রেঞ্জের ১২টি চূড়া দেখা … বিস্তারিত

ইলম, নেপাল

ইলম

হিমাল কন্যা নেপাল এর এক বিস্ময়কর চা রাজ্য – ইলম। এখান থেকে ভারতের দার্জিলিং খুব বেশী দূরে নয়। ইলম হলো ভারত-নেপাল বর্ডারের সীমান্ত জেলা। গোটা জেলাটাই যেন জাপানি ফেরস্কো! প্রতিটা বাড়ি সাজানো। একচিলতে বারান্দায় কিছু না হলেও গাদা ফুলের গাছ। তবে টব নয়। প্লাস্টিকের বালতিতে। সহজেই সরানো যায়। শিলিগুড়ি থেকে পূর্ব নেপালে বেড়াতে যাওয়া … বিস্তারিত

লুম্বিনি

লুম্বিনি

লুম্বিনি নেপালের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। তীর্থ যাত্রীদের স্থান হচ্ছে লুম্বিনি (Lumbini), কারণ এটাই সিদ্ধারত গৌতম বা বৌদ্ধের জন্মস্থান। এটি নেপালের দক্ষিন পশিমাঞ্চলের একটি ছোট্ট শহর। প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবে এটি ৫৫০ খ্রিষ্ট পূর্বের নিদর্শন বহন করছে। এই পৌরাণিক স্থানটি জ্ঞানী, বিজ্ঞানী এবং কৌতোহলী দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। বৌদ্ধের মাতা মায়া দেবী বাগানের একটি … বিস্তারিত

জমসম, নেপাল

জমসম

জমসম শহরটি নেপালের মুস্টাং জেলায় অবস্থিত যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৭৬০ মিটার উচ্চতায় এবং কালী গান্ধাকী নদীর তীরে  অবস্থিত। এই শহরটি খুব জনপ্রিয় ট্রেকিং করার জন্যে। কালী গান্ধাকী নদীর তীর ধরে ট্রেক করে মুক্তিনাথ মন্দির পর্যন্ত যা জমসম-মুক্তিনাথ ট্রেক নামে পরিচিত। অন্নপুর্না সার্কিট ট্রেক এর অংশ হিসেবে এই ট্রেক করা যায়। বলা হয় … বিস্তারিত

ধুলিখেল, নেপাল

ধুলিখেল

তিব্বতের পথে প্রায় পনেরশ মিটার উচ্চতার ও পাঁচশ বছরের ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন ধারণ করে থাকা ধুলিখেল নেপালের কালচারাল থিম পার্ক নামেই খ্যাত। শুধু প্রকৃতি আর হিমালয়কে নিয়ে একটা গোটা দিন কাটিয়ে দেওয়ার পক্ষে ধুলিখেল এক দারুণ জায়াগা। কাঠমান্ডু থেকে ধুলিখেলের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার।  ধুলিখেল … বিস্তারিত

Bhaktapur, Nepal (ভক্তপুর, নেপাল)

ভক্তপুর

প্রাচীন রাজাদের আবাসস্থল ছিল ভক্তপুর। ভক্তপুর (Bhaktapur) শহরের অবস্থান কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে। এটি ছিলো প্রাচীন নেপালের রাজধানী। নেপাল এর ঐতিহ্যবাহী ভক্তপুর কে স্থানীয়রা বুদগাঁও নামে চেনে। আর একটা নাম ছিলো এর খৌপা। শহরটি মধ্যযুগীয় শিল্প-সাহিত্য, কাঠের কারুকাজ, ধাতুর তৈরি মূর্তি ও আসবাবপত্রের যাদুঘর বলে পরিচিত। শহরটিতে বৌদ্ধ মন্দির ও হিন্দু মন্দিরের … বিস্তারিত

নাগরকোট, নেপাল

নাগরকোট

কাঠমুন্ডু থেকে ৩২ কি.মি. পূর্বে নাগরকোট (Nagorkot) এর অবস্থান। ভক্তপুরের সবচেয়ে নৈসর্গিক স্থান এটি। যেখান থেকে হিমালয়ের জমকালো সূর্যোদয় দেখা যায়। পর্যটকরা কাঠমুন্ডু থেকে গিয়ে নাগরকোটে রাত্রি যাপন করে সূর্যোদয় দেখার জন্য। বিশেষত বসন্তকালে দর্শনার্থীরা নাগরকোট ভ্রমণে যায়। এ সময় বিভিন্ন রকমের ফুলের … বিস্তারিত

অন্নপূর্ণা, নেপাল

অন্নপূর্ণা

অনেকগুলো পর্বতের সমষ্টি নিয়ে অন্নপূর্ণা পর্বতসারি (Annapurna Range) যা নেপালে অবস্থিত। অন্নপূর্ণা প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকা এবং পেশাদার পর্বতারোহীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্র্যাকিং। হিমালয়ের পশ্চিমাংশের কয়েকটি চূড়ার সারি এখানে অবস্থিত। অন্নপূর্ণার সবচাইতে উঁচু চূড়াটির উচ্চতা ৮০০০ মিটার। এর পাসের চূড়াটির উচ্চতা ৭০০০ মিটার। অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প ট্র্যাক অবশ্যই অন্নপূর্ণা অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় … বিস্তারিত

Phewa Lake, Pokhara, Nepal (পোখরা, নেপাল)

পোখরা

পোখরা নেপালের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ শহর যা নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ২০০ কিমি পশ্চিমে অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পোখরা শহরকে “নেপালের ভূস্বর্গ” ও “নেপাল রানী” বলা হয়। নেপাল পর্যটন বিভাগের একটি শ্লোগান আছে,” তোমার নেপাল দেখা পূর্ণ হবে না, যদি না তুমি পোখরা দেখ।” পোখরা থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম (১৪০কিলোমিটার) সারিবদ্ধ হিমালয় … বিস্তারিত