বাংলাদেশ · গন্তব্য

মাদারীপুর

৫টি দর্শনীয় স্থানের গাইড

Explore

দর্শনীয় স্থানসমূহ

ছবি, গল্প আর দিকনির্দেশ — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।

শকুনি লেক

শকুনি লেক (Shokuni Lake) মাদারীপুর জেলা সদরে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মানবসৃষ্ট দীঘি। তটভূমিসহ শকুনি দীঘির আয়তন ১,০১,১৭২ বর্গমিটার,…

Travel notes

যাত্রা ও তথ্য

সড়ক, নৌপথ, ভাড়া আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে গাবতলি বা কেরানীগঞ্জ (নয়া বাজারের ব্রীজের ওপারে) থেকে মাদারীপুর এর সরাসরি বাস পাওয়া যায়। গাবতলি থেকে বরিশালগামী যে কোন বাসে মস্তফাপুর নেমে বাস বা অটো রিক্সায় করে মাদারীপুর সদরে আসা যায়।

কেরানীগঞ্জ থেকে সার্বিক বাসে মাদারীপুর সদরের ভাড়া ২০০ টাকা জন প্রতি (নরমাল ২/৩ সিটের), ২৫০ টাকা জন প্রতি  (চেয়ার)। সকাল ৫ টা থেকে ৩০ মিনিট পর পর বাস পাওয়া যায়।এছারাও সায়দাবাদ থেকে সোনালি বাস ও কেরানীগঞ্জ থেকে চন্দ্রা বাস ও একি রুটে চলে। ভাড়া সার্বিকের চেয়ে সামান্য কম। এই বাস গুলো মাওয়া ঘাটে নামিয়ে দিবে এবং তাদের খরচে লঞ্চে করে নদী পার করে কাওরাকান্দি এনে আবার তাদেরই আরেকটা বাসে তুলে দিবে। ভাঙ্গা হয়ে এটা মাদারীপুর যাবে। আপনাকে অতিরিক্ত কোন ভাড়া দিতে হবে না। মাদারীপুর যেতে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা সময় লাগে।

গাবতলি থেকে সার্বিক, চন্দ্রা, সুবর্ণ বাস চলে। সার্বিকই ভাল। চেয়ারে ৩০০ টাকা শুনেছি। আমি এই রূট দিয়ে যাইনা, সময় বেশী, ভাড়া বেশী, তবে নদীর পথ অনেক কম। মাত্র ৩০ মিনিট। যারা নদী ভয় পান তারা এদিক দিয়ে যেতে পারেন। এটা গাবতলি থেকে আরিচা গিয়ে নামাবে এবং নদী পার করে দৌলতদিয়া ঘাটে আবার তাদের বাসে তুলে দিবে। এটা ফরিদপুর সদর হয়ে মাদারীপুর যাবে।

আরেকটা উপায়ে যাওয়া যায়, ভেঙ্গে ভেঙ্গে। গুলিস্তান থেকে মাওয়ার বাসে ৭০ টাকা ভাড়া। সী বোটে নদী পার হতে পারেন ২০০ টাকা ভাড়া। ওপার থেকে মাদারিপুরের বাসে যাওয়া যায়। অথবা ভাঙ্গার বাসে ভাঙ্গা এসে সেখান থেকে মাদারীপুর।

থাকার ব্যাবস্থা

মাদারীপুরে থাকার জন্য ভাল মানের হোটেল হচ্ছে হোটেল সার্বিক। মন্ত্রীর বাসার পাশেই এই হোটেলের অবস্থান। হোটেল মাতৃভূমি আছে, যা পুরাতন বাসস্টান্ড এর পাশেই অবস্থিত।সার্বিক হোটেলে সিঙ্গেল থেকে শুরু করে স্যুটও ভাড়া পাওয়া যায়। এছাড়া আরেকটু কমে থাকতে চাইলে হোটেল সুমন, হোটেল সৈকত আছে বাদামতলায়। পুরান বাজারে আরও কিছু হোটেল আছে কমের মধ্যে।