একদিনের চাঁদপুর লঞ্চ ভ্রমণে কিছু দরকারি তথ্য

একদিনের চাঁদপুর লঞ্চ ভ্রমণে কিছু দরকারি তথ্য

ধরন তথ্যভান্ডার
পড়ার সময় ১ মিনিটস

একদিনের ছুটি কাটাতে যে কেউ চলে যেতে পারেন চাঁদপুর, সময় টা ভালো কাটবে। ঢাকা থেকে সকালে সদরঘাট থেকে লঞ্চ উঠে ৩ ঘন্টায় পৌঁছে যাবেন চাঁদপুর লঞ্চঘাটে। চাঁদপুর নেমে বড় স্টেশনে রিকশা অথবা অটোতে করে চলে যেতে পারেন চাঁদপুর পর্যটক স্পটে। ভাড়া পড়বে রিকশায় ৩০-৩৫ টাকা, অটো তে একজনের ১০ টাকা। সেখানে পদ্মা নদীর পাড়ে আড্ডা দেয়া,এবং নদীর মোহনা (পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া) উপভোগ করা যায়। সম্ভব হলে নদীতে ঝাপাঝাপি করেও আসতে পারেন।

প্রত্যকটা নদীর রয়েছে আলাদা আলাদা রূপ এখানে যাওয়া আশায় স্পস্ট বুঝা যাবে। নদীর পাড়ে একটি ছোট পার্ক রয়েছে। পার্কের মধ্যেই “রক্ত ধারা” নামের মনোমুগ্ধকর একটি ভাস্কর্য আছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ভাস্কর্যটি নির্মিত। হাতে সময় সিএনজি অথবা অটোরিক্সায় চড়ে চলে যাবেন বাস কাউন্টারে ভাড়া ১৫ টাকা করে নিবে জনপ্রতি। বাস কাউন্টার থেকে বাসে করে চলে যাবেন চাঁদপুরের সুন্দর থানা হাজীগঞ্জে। হাজীগঞ্জ ভাড়া নিবে বাসে জনপ্রতি ২৫ টাকা করে। হাজীগঞ্জে বড় মসজিদ আছে সেটা দেখার মতো সুন্দর করে বানানো হয়েছে। অনেক সুন্দর কারুকাজ করা মসজিদটি। হাজীগঞ্জ থানা ঘুরে সেখান থেকে ১ টার মধ্যেই আপনি সিএনজি করে চলে আসতে পারেন গাছতলা ব্রীজে, যে ব্রীজ ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত। ভাড়া নিবে জনপ্রতি ৩০ টাকা করে। (হাজীগঞ্জের তথ্যগুলো সংগৃহীত, আমার যাওয়া হয় নি)

পার্ক থেকে ইলিশ চত্বর (হেঁটে ৫ মিনিট) থেকে ইলিশ মাছ কিনে যেকোনো দোকানে ১০০ টায় ভেঝে, আলুর ভর্তা,ডাল দিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে আসা যায়।

ইলিশের দাম সাইজ অনুযায়ী এক এক রকম। চাঁদপুরের ইলিশ ১০০০-১২০০ টাকা।

তারপর লঞ্চে করে আবার সেই চিরচেনা নগরী ঢাকায় ফেরা। চাঁদপুর থেকে শেষ লঞ্চটি ছেড়ে যায় ৫ টায়। এর পর রাতেও ছাড়ে, কিন্তু সেটা সম্ভবত রাত ৯ টার পর। লঞ্চের সময়সূচী এবং সম্ভাব্য ভাড়ার একটা আইডিয়া নিচের লিংক থেকে নিয়ে নিতে পারেন।

ভিডিও – লেখকের নিজের

ADAR BEPARI / TRAVEL WEAR

ভ্রমণের গল্প থাকুক পোশাকেও।

সব টি-শার্ট দেখুন