হরিনঘাটা পর্যটন কেন্দ্র

হরিনঘাটা পর্যটন কেন্দ্র

বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণে হরিনঘাটা পর্যটন কেন্দ্র যা সুন্দরবনের অংশ। হরিন, বানর,পাখির,আর সবুজ পাতার সানাইয়ে সারাক্ষণ মুখর থাকে হরিনঘাটা বনাঞ্চল। এ বনে কোন বাঘ নেই। বঙ্গোপসাগরের মোহনায়,পায়রা, বিষখালি, বলেশ্বর – এই তিন নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এই বনাঞ্চল। নতুন ভাবে যোগ … বিস্তারিত

কাইকারটেক হাট

কাইকারটেক হাট

সপ্তাহে প্রতি রবিবার এই হাটটি বসে বিধায় এই হাটকে রবিবারের হাটও বলা হয়ে থাকে। প্রায় ১০০ বছর ধরে নারায়ণগঞ্জের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধারন করে আসছে এই কাইকারটেক হাট। এই হাটের দেখা মিলবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কাইকারটেক এলাকায়। ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেষে মনোরম পরিবেশ আর … বিস্তারিত

পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ

পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মাঝ পদ্মা নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটির নাম পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ। তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ৪ মার্চ ১৯১৫ সালে এটি উদ্বোধন করেন। তার নামনুসারে ব্রিজটির নামকরণ করা হয় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। ব্রিটিশ সরকার ভারত উপমহাদেশের রেল যোগাযোগের ব্যাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১২৬ বছর আগে ১৮৮৯ সালে … বিস্তারিত

পাকশী রিসোর্ট

পাকশী রিসোর্ট

পাকশী রিসোর্ট পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় পদ্মা নদীর পাশে অবস্থিত। ঢাকা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার পথ। যমুনা সেতু থেকে এক ঘণ্টার রাস্তা। এ রিসোর্টে পর্যটকদের জন্য রয়েছে তিনতলা বিশিষ্ট দুটি ভবন। বিদেশি স্থাপত্য কাঠামোয় গড়ে ওঠা এ রিসোর্ট এ গেলে মনে হবে উন্নত বিশ্বের কোনো মনোমুগ্ধকর রিসোর্টে আছেন আপনি। বিশাল … বিস্তারিত

চাটমোহর শাহী মসজিদ

চাটমোহর শাহী মসজিদ

চাটমোহর মসজিদ বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন মসজিদ। পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা হতে এটি প্রায় ২০০ গজ দূরে অবস্থিত। পূর্বে চাটমোহর ছিল পাবনার একটি অন্যতম বাণিজ্যকেন্দ্র। তখনকার সময়ে এখানে মোঘল ও পাঠানদের অবাধ বিচরণ ছিল। ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবরের সেনাপতি মাসুম খাঁ কাবলি এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ … বিস্তারিত

বিউটি বোর্ডিং

বিউটি বোর্ডিং

কবি-সাহিত্যিকদের কাছে পুরনো ঢাকার বিউটি বোর্ডিং এক আড্ডার কেন্দ্রস্থল। বাংলাবাজারে বইয়ের মার্কেট পেরিয়ে শ্রীশচন্দ্র দাস লেনে ঢুকতেই চোখে পড়ে একটি জমিদার বাড়ি। এটির কোল ঘেঁষেই দোতলা একটি বাড়ি। ছোট লোহার গেট পেরোলেই ফুলের বাগান। বাগানের মাঝখানে দুর্বা ঘাসে মোড়ানো ফাঁকা জায়গা – … বিস্তারিত

কার্জন হল

কার্জন হল

কার্জন হল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ভবন, যা পুরাকীর্তি হিসেবে স্বীকৃত। এটি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও জীব বিজ্ঞান অণুষদের কিছু শ্রেনীকক্ষ ও পরীক্ষার হল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৯০৪ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় ও গভর্ণর জেনারেল – … বিস্তারিত

সোনাইছড়ি ট্রেইল

সোনাইছড়ি ট্রেইল

চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই পাহাড় রেঞ্জ এর হাদি ফকিরহাট বাজার এলাকায় অবস্থিত সোনাইছড়ি ট্রেইল। এই ট্রেইল বারৈয়াঢালা অভয়ারণ্যের আওতাভুক্ত। বৈচিত্র্যময় এই ট্রেইল পুরোমাত্রায় বুনো এবং পাথুরে! বর্ষায় এর দূর্গমতা বেড়ে যায় অনেক বেশি। তিন্দুর মত বড় বড় পাথর, বাদুজ্জাকুমের ভয়াবহতা টেনে নিয়ে যায় অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের।বৃষ্টি বা … বিস্তারিত

বাকলাই ঝর্ণা

বাকলাই ঝর্ণা

কেওক্রাডং থেকে তাজিংডং এর পথে সবচেয়ে পরিচিত গ্রাম বাকলাই। বহু বছর ধরে ট্রেকারদের সুপরিচিত আশ্রয়/ক্যাম্পিং এই বাকলাই। এর সবচেয়ে বড় কারণ এখানে আছে আর্মি ক্যাম্প যা অভিযাত্রীদের বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আর বান্দরবন জেলার থানচি উপজেলার নাইটিং মৌজার বাকলাই গ্রামেই নয়নাভিরাম এবং অনিন্দ সুন্দর এই বাকলাই ঝর্ণা অবস্তিত। ধারনা করা হয়ে থাকে … বিস্তারিত

আন্ধারমানিক

আন্ধারমানিক

আন্ধারমানিক শব্দটিই রহস্যময়। এই নৈসর্গিক সৌন্দর্যময় স্থানটি নিজের চোখে দেখলে অনুভব করতে পারবেন এর বিশালতা। এর অবস্থান বান্দরবান জেলার থানছি উপজেলার বড় মদক এর পরে। বড় মদকের পর আর কোনো সেনা বাহিনী বা বিজিবি ক্যাম্প না থাকায় নিরাপত্তার কারণে প্রায়ই এখানে যেতে অনুমতি দেয়া হয় না। আন্ধারমানিকের মূল আকর্ষণ হল নারেসা … বিস্তারিত

বারেক টিলা, সুনামগঞ্জ

বারিক্কা টিলা

বারিক্কা টিলা / বারেক টিলা সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার অন্তর্গত। একপাশে বাংলাদেশের সীমান্ত, ওপাশে ভারতের মেঘালয়, খাসিয়া পাহাড়। বারিক্কা টিলাতে রয়েছে ৪০ টির মত আদিবাসীদের পরিবার। ঘন সবুজে পূর্ণ টিলাটির মাঝখান দিয়ে নির্মিত হয়েছে একটি পাকা রাস্তা যেটি দিয়ে মোটর সাইকেল যোগে যাওয়া যায় টেকেরঘাট। বারিক্কা … বিস্তারিত

নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ি

নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ি

কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে প্রায় দেড় শত বছরের পুরনো নাওডাঙ্গা জমিদারবাড়ির অবস্থান। অবিভক্ত ভারতবর্ষে অনেক আগে নাওডাঙ্গা পরগনার জমিদার বাহাদুর প্রমদারঞ্জন বক্সী এটি নির্মাণ করেন। এটির দেখাশোনাসহ পূর্ণ পরিচালনার ভার ন্যস্ত ছিল শিবপ্রসাদ বক্সীর ওপর। তার ছিল তিন ছেলে। বীরেশ্বর প্রসাদ বক্সী, বিশ্বেশ্বর প্রসাদ বক্সী … বিস্তারিত