মাওফানলুর
মাওফানলুর (Mawphanlur) এমন এক জায়গা, যেখানে “কি কি দেখলাম” – এর চেয়ে “কিভাবে সময় কাটালাম” বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মেঘালয়ের…
Explore
পর্বত, উপত্যকা আর শহর — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।
মেঘালয়ের প্রচলিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোর (যেমন—চেরাপুঞ্জি, ডাউকি বা শিলং শহর) ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে যারা নির্জন, অপরূপ প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে চান,…
মাওরিংখাং ব্যাম্বু ট্রেককে (Mawryngkhang Bamboo Trek) ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ট্রেক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাওরিংখাং ট্রেকটি…
মেঘালয় রাজ্যের শিলং এর স্মিত গ্রামের এর কাছে লাইটলুম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন (Laitlum Grand Canyon) একটি অসাধারন ভিউ পয়েন্ট।…
শিলং এর আর এক আশ্চর্য হলো মনোলিথ। যার সাথে জড়িয়ে আছে স্থানীয় মানুষের ধর্মবিশ্বাস। শিলং এর এক বিশেষ…
কংথং গ্রামটি (Kongthong Village) ভারতের চেরাপুঞ্জি থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরে এবং শিলং থেকে ৫৪ কিমি দূরে অবস্থিত একটি…
চেরাপুঞ্জি (Cherrapunji) পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের স্থান যা তামাবিল থেকে একেবারেই কাছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত। শিলং থেকে ৫৬…
Travel notes
ভিসা, মৌসুম, যাত্রাপথ আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।
ভারতে মেঘালয় (Meghalaya) হচ্ছে মেঘেদের বাড়ি। কবিদের অনুপ্রেরনার ও চিত্রকরদের ক্যানভাস। বেড়ানোর জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় জায়গা। ২১ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে রাজ্য হিসাবে ঘোষনা হয়। মেঘালয় ছবির মত সুন্দর একটি রাজ্য। ক্যালচার ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ, মেঘের সমাবেশ, জীবনের কিছু রঙ্গিন মুহূর্ত কাটানোর জন্য উপযুক্ত জায়গা। মেঘালয় সেভেন সিস্টার খ্যাত উত্তর পূর্ব অঞ্চলে অত্যতম একটি সুন্দর রাজ্য। মেঘালয় পাঁচটি প্রশাসনিক জেলায় ভাগ হয়েছে- জয়িন্তা পাহাড়, পূর্ব এবং পশ্চিম গারো পাহাড়, পূর্ব এবং পশ্চিম খাসি পাহাড় অবস্থিত।
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।