চট্টগ্রাম থেকে থাইল্যান্ড ভ্রমণ ও ট্যুরের খরচাপাতি

যুক্ত করা হয়েছে

এত কম খরচে থাইল্যান্ড ঘুরে আসতে পারবো সেটা কখনো ভাবি নি। অবশ্যই খরচ নির্ভর করে প্লেন ফেয়ারের উপর। আমরা চট্টগ্রাম থেকে ব্যাংকক আসা যাওয়া ১৮০০০টাকায় পেয়েছি। যেটা স্বাভাবিক ভাড়ার ছেয়ে অনেক কম। গুছিয়ে লিখার ব্যাপারে আমি এত এক্সপার্ট না। তবে চেষ্ঠা করবো পুরা ট্যুর প্লানটা বিস্তারিত লিখতে। নেট ঘুরে, ব্লগ পড়ে, ট্রাভেলার্স অফ বাংলাদেশ থেকে হেল্প নিয়ে নিজেই একটা প্ল্যান তৈরি করে নিলাম। এদিকে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্লেন ফেয়ার অনেকটা ডিসকাউন্ট পেলাম। যদিওবা অনেক কষ্ট করে বুকিং করতে হয়েছে। ভিসা হাতে পাওয়ার পর থাই ডমেস্টিক ফ্লাইট (ব্যাংকক-ক্রাবি এবং ফুকেট-ব্যাংকক) এর টিকেট কেটে নিলাম। আসা এবং যাওয়া মিলে ৪৭০০টাকা দিতে হল(প্রতিজন)। যাওয়ার সময় থাই লায়ন এয়ার এবং ফেরার সময় এয়ার এশিয়া ফ্লাইট আমরা পেয়েছি। আগে থেকে সব বুকিং দিয়ে রাখলে ভালো। আমরা ফ্লাইট, হোটেল এবং ফেরি বাংলাদেশ থেকে বুকিং দিয়ে রাখছিলাম। হোটেল বুকিং এর জন্য আগোডা ডট কম আমার কাছে অন্যান্য আ্যাপের চেয়ে ভাল লেগেছে। বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় আমাদের খরচ হয়েছিল ২২,৭০০ টাকা (রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ১৮০০০ এবং ডমেস্টিক ৪৭০০)। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন। বাংলাদেশ থেকে যখন ডলার নিবেন সেই সময় কিছু থাই বাথ নিয়ে যাবেন। সিম কিনা, টেক্সি ক্যাব ভাড়া দিতে পারবেন। না নিয়ে গেলে এয়ারপোর্টে ডলার এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন তবে রেট পাবেন কম (১ডলার=৩০বাথ করে দেয় ওরা)। অন্যদিকে আমরা ভাঙিয়েছি সুকুম্ভিট এরিয়াতে ৩২.৬০বাথ করে পেয়েছি।

আমাদের রুট ম্যাপ ছিল চট্টগ্রাম-ব্যাংকক-ক্রাবি-ফি ফি আইল্যান্ড-ফুকেট-ব্যাংকক-চট্টগ্রাম।

থাইল্যান্ড

দিন-১ (১৬ই ডিসেম্বর)

শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে আমরা তিন জনের যাত্রা শুরু সকাল ১০টাই নিয়ে গেল ব্যাংককের সুবর্ণাভূমি এয়ারপোর্ট। দুঘণ্টা ভ্রমণ শেষে দুপুর ১২টাই পৌছাই এই এয়ারপোর্টে। এত বড় বিমানবন্দর এর আগে দেখার সুযোগ হয়নি। যেন মনে হয় পাইকারি বাজার। বিক্রির জন্য প্লেনগুলো সারিবদ্ধভাবে দাড় করে রেখেছে। ইমিগ্রেশন শেষ করে সিম কিনে নিলাম(২০০বাথ নিয়েছিল ৭দিনের জন্য আনলিমিটেড নেট)। টেক্সি ক্যাব নিয়ে চলে গেলাম আমাদের সুকুম্ভিট এলাকায় বুকিং দেওয়া হোটেল দ্যা মিক্স ব্যাংকক। টেক্সি ভাড়া নিয়েছিল ৫২৫বাথ মিটারে আর হোটেল ভাড়া ৫৭০বাথ। স্বাভাবিক ভাবে সবাই এই সুকুম্ভিট এরিয়ায় থাকতে পছন্দ করে। কেননা রেস্টুরেন্ট, শপিং মল স্ট্রেট ফুড, মানি এক্সচেঞ্জ, নাইট মার্কেট সহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা এই এরিয়াতে পাওয়া যাবে। বাইক ভাড়া নিয়ে সুকুম্ভিট এরিয়াটা ঘুরেছিলাম ঘন্টা খানিক দেখলাম রাত জাগা শহর। দিনের ব্যাংকক আর রাতের ব্যাংকক অনেক পার্থক্য। ম্যাকডোনাল্ডে রাতের খাবার শেষ করে হোটেলে ফিরে আসি। খুব ভোরে বের হতে হবে যেতে হবে ডন মিয়াং নামে ডমেস্টিক এয়ারপোর্টে। তাই শুয়ে পড়ি।

প্রথম দিনের খরচ: সিম ৭০+ টেক্সি ১৭৫+বাইক ১৫০+ হোটেল ১৯০ = ৫৮৫ বাথ

থাইল্যান্ড

দিন-২ (১৭ই ডিসেম্বর)

ঘুম থেকে উঠে রওনা দিই এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে। টেক্সি আগের রাতেই কথা বলে কনফার্ম করে রেখেছি। ভাড়া নিয়েছিল ৪০০বাথ। এয়ারপোর্ট পৌছে ফর্মালিটি শেষ করে থাই লায়ন এয়ারে করে ঘন্টা খানিক জার্নি শেষে চলে গেলাম পাহাড়ি দ্বীপের নগরী ক্রাবিতে। ক্রাবি এয়ারপোর্ট থেকে টেক্সি ক্যাবে চলে গেলাম আওনাং বীচের পাশে আমাদের বুকিং দেওয়া প্যারাডাইজ হোটেলে। টেক্সি ক্যাব নিয়েছিল ৫০০বাথ এবং হোটেল নিয়েছিল ৮৫০ বাথ। চেক ইন করে ফ্রেশ হয়ে আওনাং বীচ ধরে হাটলাম অনেক্ষন। চাইলে আপনি মোটরসাইকেল ভাড়া নিতে পারবেন এবং নিজেও ড্রাইভ করতে পারবেন। আমি নিয়েছিলাম ৩০০বাথ নিয়েছিল। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে ঘটিত প্রতিটি দ্বীপের এক একটি রুপ এবং বৈশিষ্ট্য। এইসব দ্বীপে ঘুরতে পারবেন স্পীড বোট কিংবা লংটেইল বোটে। স্পীড বোটে খরচ একটু বেশি। আরেকটি গ্রুপের সাথে এড হয়ে স্লিপিং আইল্যান্ড এবং রেইলি বীচে ঘুরে আসলাম। খরচ পড়েছিল আমাদের জনপ্রতি ৩৫০ বাথের মত। অবশ্যই ফ্রেশ ফ্রুটস, ডাব এবং ফ্রুটস জুস খেতে ভুলবেন না। রাতের আওনাং বীচ অন্যরকম সুন্দর। বীচের পাশে নাইট মার্কেট, বিভিন্ন ধরনের ইভেন্ট চোখে পড়বে যতটুকু চোখ যায়। এভাবেই কেটে যায় ক্রাবির রাত। পরের দিন যেতে হবে ফি ফি আইল্যান্ড তাই ফেরির টিকেট কেটে নিলাম (৩৫০ বাথ নিল জন প্রতি)। হোটেল থেকেই পিক আপ করে নিয়ে যাবে ওরাই।

২য় দিনের খরচ: টেক্সি (ডন মিয়াং যাওয়া) ১৩৫ + টেক্সি (হোটেলে যাওয়া) ১৬৫ + হোটেল ২৮৫ + মোটরসাইকেল ১৫০ + বোট ৩৫০ + ফেরি ৩৫০ = ১৪৩৫ বাথ

থাইল্যান্ড

দিন ৩ (১৮ই ডিসেম্বর)

ঘুম থেকে উঠে রওনা হলাম ফেরির উদ্দেশ্যে। ফেরি পর্যন্ত ওরা ওদের নিজস্ব সার্ভিস দিয়ে পৌঁছে দিবে। সকাল ৯টায় যাত্রা শুরু ফি ফির উদ্দেশ্যে। যাওয়ার পথে অনেক দ্বীপ পড়বে চোখে পড়ার মত। তার মধ্যে একটি চিকেন আইল্যান্ড। ঘন্টা দুয়েক ভাসমান পাহাড় দেখে পৌছালাম আইল্যান্ডে। “পংপাং হাউজ” নামক হোটেলে চেক ইন দিয়ে বের হলাম ঘুরতে। হোটেল ভাড়া নিয়েছিল ৮০০বাথ। স্বচ্ছ নিলাভ পানিতে এইবার কায়াকিং করার পালা। দুটো কায়াকে একটাতে আমি অন্যটাতে আমার দুই সহযোদ্ধা। কায়াক ভাড়া ২০০বাথ নিয়েছিল প্রতিটা। স্বচ্ছ এই নীলাভ শান্ত সাগরটি হঠাৎ অশান্ত হয়ে পড়ল। আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকা অবস্থায় অন্য কায়াক থেকে আমি অনেক দূর। ঝড়ো হাওয়ায় যখন প্রকৃতির কাছে হার মেনে নিয়েছি আর না পেরে কোন এক দ্বীপ ঘেষে অপেক্ষা করতে হয়েছিল আধঘণ্টা ধরে। চ্যালেঞ্জিং এবং রোমাঞ্চকর ছিল তবে ভয় পায়নি। আবহাওয়া প্রতিকূলতাপূর্ণ হলেই ফিরে আসলেই অপেক্ষারত সহযোদ্ধাদের আমাকে কাছে পাওয়ার পর জড়িয়ে ধরে আবেগ আপ্লুত দেখে খুবই অবাক হলাম। আর কিছুক্ষণ পর নাকি উদ্ধারে টিম যেত। এইভাবে দুপুর গড়িয়ে বিকাল আবহাওয়া তখন স্বাভাবিক। এই ফাকে পরের দিনের ফেরির টিকেট কেটে নিলাম (ফি ফি টু ফুকেট)। ভাড়া নিয়েছিল ৩৫০ বাথ। এইবার লং টেইল বোটে রওনা মাংকি বীচ, বেম্বো আইল্যান্ড আরেকটি নাম না জানা দ্বীপে। স্নোর্কেলিং এর ব্যবস্থা করেছিল ওরা। স্বচ্ছ এই নীলাভ পানিতে দাফাদাফি এই যেন ন্যাচারাল এ্যাকুরিয়াম। ভাড়া নিয়েছিল ৪৫০বাথ করে প্রতিজন। “মায়া বে” নামক জায়গায় যেখানে লিওনার্দো দ্যা ক্যাপ্রিও বিখ্যাত “দ্যা বিচ” ফিল্মটি হয়েছিল এই মায়া বেতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল প্রবল কিন্তু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় যাওয়া হল না। তাতে কি প্রতিটা দ্বীপই আমার জন্য নতুন। যা পেয়েছি তাই প্রাপ্তি যা দেখেছি তাই শিখেছি। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত এল। ফি ফি আইল্যান্ড জেগে উঠলো। চাকচিক্যময় আলোর ঝলকানি চারিদিক। বিভিন্ন ধরনের ইভেন্ট নিয়ে পুরা বীচ যেন বিনোদনের আবাসস্থল। লক্ষণীয় এখানে কোন ভেদাভেদ নেই, নেই কোন বাধাবিপত্তি। সবাই যার যার মত উপভোগ করছে। রাতটা শেষ হয় এভাবেই।

৩য় দিনের খরচ: কায়াক ২০০+ বোট ৪৫০+ হোটেল ২৬৫+ ফেরি ৩৫০ =১২৬৫ বাথ

থাইল্যান্ড

দিন ৪ (১৯ই ডিসেম্বর)

রাত জাগলেও খুব ভোরে উঠে যায় সূর্যোদয় দেখব বলে। উদ্দেশ্য এখন ভিউ পয়েন্টে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮০০ফুট উচু এই ভিউ পয়েন্ট যাওয়ার রাস্তাটাই রোমাঞ্চকর ট্রেইল। যত উচু উঠছি ততই দৃশ্যমান চারপাশ। একেবারে উচু যখন উঠলাম তখন বুঝতে পারলাম এই দ্বীপের সৌন্দর্য। ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে চারপাশ দৃশ্যমান দূর থেকে দ্বীপগুলোকে যেন ভাসমান কোন নৌকার মত। এই যেন ফ্লোটিং আইল্যান্ড। ভোরের আলো আসে একটু দেরিতে। মেঘ ছিল সাময়িক আকাশে। তবে কে আটকাই এই আলোর পথচলাকে। সূর্যোদয় উপভোগ করে নিচে নেমে এলাম। দ্বিতীয় মেয়াদে দাফাদাফি শেষে ফেরিতে উঠে পড়লাম। বিদায় ফি ফি। দেখা হবে আবার। যদি থাইল্যান্ড আসা হয় বাকেট লিস্টে তুমিই থাকবে। দুঘণ্টা ভ্রমন শেষ করে চলে এলাম ফুকেটে। ওরাই হোটেলে পৌছার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। জনপ্রতি নিয়েছিল ১৫০বাথ করে। আমাদের হোটেল “দ্যা সিম্পল বুটিক” পাতং বীচের পাশে। সব হোটেল আগে থেকেই বুক করাই ছিল। আগে থেকে হোটেল চেক ইন করেছিল আমাদের অন্য এক সহযোদ্ধা। ভিসা জটিলতার জন্য ক্রাবি, ফি ফি না যেয়ে ফুকেটে চলে গেসিল। হোটেল ভাড়া নিয়েছিল ১২০০বাথ। পাতায়া যাওয়া আমাদের সম্ভব হয়নি তবে পাতং বীচ এবং পাতায়া অনেকটা একই। যে এক্টিভিটিজ গুলো পাতায়া হয় সেগুলো পাতং বীচেও হয়। সন্ধ্যার পর পাতং যেন অন্য এক জগত। যদিওবা এই জগতটা আমাদের পছন্দ ছিল না। তাই ফুকেট টাউনের দিকে চলে যায়। শপিং মল, রেস্টুরেন্ট, স্ট্রেট ফুড এমনকি হকার্সের মত স্টল পাওয়া যায়। হালকা শপিংও করে নিলাম এই ফাকে। একটা সাজেশন ফুকেট গিয়ে পাতং বীচ সংলগ্ন কোন মল থেকে শপিং করবেন না। করলে হয় ব্যাংককে করবেন আর যদি ফুকেট থেকে করেন তাহলে টেক্সি ড্রাইভারকে বলবেন কম দামে শপিং করা যায় এইসব মলের ব্যাপারে। ওরাই নিয়ে যাবে। আমরাই ঠিক একই কাজটি করেছি। টেক্সি নিয়ে চলে গেলাম ফুকেট টাউনের সিলভা মার্কেটে। অনেকটা সস্তা পাতং বীচ এরিয়া থেকে। এখানে স্ট্রেট ফুড থেকে হকার্স এবং মল সব পাবেন। লোকাল থাই ফুড আর কালচারাল অনুষ্ঠান দেখে যার যা কিছু প্রয়োজন সেটা নিয়ে চলে এলাম হোটেলে। পরের দিন খুব ভোরে আমাদের ফ্লাইট (ফুকেট টু ব্যাংকক)। হোটেল রেসিপশেনে বলে রাখলাম টেক্সির ব্যাপারে, এয়ারপোর্ট যাওয়ার ব্যপারে ওরাই ব্যবস্থা করে দিল। জনপ্রতি নিয়েছিল ২৭৫ বাথ করে।

খরচ: টেক্সি(হোটেল যাওয়া) ১৫০+ হোটেল ৩০০+ টেক্সি (ফুকেট টাউন আপ-ডাউন) ২৫০+ টেক্সি (এয়ারপোর্ট পৌছা) ২৭৫ = ৯৭৫ বাথ

থাইল্যান্ড

দিন ৫ (২০শে ডিসেম্বর)

ভোরে ফুকেট এয়ারপোর্ট পৌছে ফর্মালিটি শেষ করে একঘণ্টা জার্নি শেষে চলে এলাম ব্যাংককের ডন মিয়াং এয়ারপোর্ট। শপিং করার তেমন কিছু ছিল না তাই শপিং মল যাওয়া হয়নি তবে যারা শপিং করতে চান ইন্দিরা মার্কেট, নানা মার্কেট যেতে পারেন কম দামে শপিং করতে পারবেন। আমাদের ফ্লাইট দুপুর ২টায়। হালাকা শপিং শেষ করে না ঘুরে চলে গেলাম সুবর্ণাভূমি এয়ারপোর্ট। ডিপার্টার শেষ করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা। উপর আল্লাহতালার রহমতে দুঘণ্টা পর প্রিয় চট্টগ্রামে পৌছায়।

৫ম দিনের খরচ: টেক্সি ১৫০+৫০= ২০০বাথ

লাঞ্চ/ডিনার – ১ম দিন এবং শেষ দিন একবার বাকি দিনে দুবার করে মোট ৮বার। আনুমানিক ২০০বাথ করে প্রতিবার (২০০*৮)= ১৬০০ বাথ
ব্রেকফাস্ট/স্নেক্স বাবধ= দিনে দুবার করে ১০বার (১৫০*১০)= ১৫০০ বাথ

এইসব খরচ নির্ভর করছে আপনার খাবার মেন্যুর উপর। আমরা প্লেন ফেয়ার বাবদ ২২৭০০ টাকা বাদে ২০০ডলার ভাঙাই জনপ্রতি। ৩২.৬০ করে ৬৫০০বাথ করে পাই।

খরচ এর হিসাব

১ম দিন = ৪৩৫
২য় দিন =১৪৩৫
৩য় দিন =১২৬৫
৪র্থ দিন =৯৭৫
৫ম দিন =২০০
লাঞ্চ/ডিনার= ১৬০০
স্নেক্স/ ব্রেকফাস্ট= ১৫০০
মোট খরচ হয়=
৮৮৫+১৪৩৫+১২৬৫+৯৭৫+২০০+১৬০০+১৫০০= ৭১০০ বাথ

উল্লেখ্য খাবারের ব্যাপারটা আমি অনুমান করে লিখেছি তাই বেশি লিখেছি। এর চেয়ে বেশি খাবারে খরচ হবে না। আমাদের প্রতিজন খরচ বলতে ঐ ৬৫০০বাথই। দেশে ফেরার আগে জনপ্রতি আরো ১০০ বাথ ছিল।

থাইল্যান্ড

তাহলে জনপ্রতি খরচ হয়= ২২৭০০+ ১৭১২০(২০০ডলার) = ৩৯৮২০ টাকা।

বিঃদ্রঃ ঘুরতে যেয়ে যতটুকু সম্ভব সময় কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন। বিমান টিকেট চেষ্টা করবেন ১-২ মাস আগে কাটতে। উল্লেখিত টিকিট প্রাইস সবসময় আপডাউন করে। আর পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে সজাগ থাকবেন।

ঘুরতে যেয়ে পদচিহ্ন ছাড়া কিছু ফেলে আসবো না,
ছবি আর স্মৃতি ছাড়া কিছু নিয়ে আসবো না।।