ভারতীয় ভিসা ঝামেলা ছাড়াই শিলং ঘুরে আসুন শ্যামলী পরিবহনের সাথে

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0

শ্যামলী ও বিআরটিসি এর যৌথ উদ্যেগে ঢাকা থেকে ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলং পর্যন্ত বাস সার্ভিস রয়েছে। এই সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি ৪৫০০ টাকায় ঢাকা-শিলং-ঢাকা বাসের টিকেট কিনলে সেই সাথে শুধু ভারতীয় ভিসা ফি দিলে ভারতীয় ভিসা করিয়ে দিবে তারাই। ভিসা সেন্টারে আপনাকে যেতে হবে না। পাসপোর্ট, টাকা ও অন্যন্য কাগজপত্র তাদের নিকট জমা দিতে হবে।

laitlum, shillong
আজ তোমার মেঘে মেঘে রঙ। লাইটলুম,শিলং

যাত্রার সময়সূচী ঃ

ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে রওনা দিবে, শিলং থেকে সোমবার ভোরে রওনা দিবে। এই সময়ের মধ্যেই আপনাকে যেতে  আসতে হবে। অসুবিধা বলতে শুধু এই সময় ফ্রেমটাই।

বিঃদ্রঃ শুক্রবার অর্ধেক দিন, শনি ও রবিবার সম্পুর্ণ দিন সময় পাবেন সেখানে।

ভিসা তথ্য

সাধারন ভিসার মতোই ৬ মাসের ভিসা দিবে। এন্ট্রি পোর্ট হবে “ডাইকি” (ভারতের ইমিগ্রেশন ‘ডাউকি’ আমাদের ইমিগ্রেশন ‘তামাবিল’)। আপনি ৬ মাসের মধ্যে যতবার খুশি ততবার যেতে আসতে পারবেন এবং ভারতে বাংলাদেশীদের যেতে বাধা নেই এমন সকল স্থানে যেতে পারবেন।

খরচ

ভিসা, ও বাসের টিকেট বাবদ ৫১০০ টাকা নিবে। (বাসের টিকেট ৪৫০০+ভিসা ৬০০) ট্রাভেল ট্যাক্স বাবদ অতিরিক্ত ৫০০ টাকা লাগবে। (চাইলে ঢাকা থেকেও ট্রাভেল ট্যাক্স পরিশোধ করে যেতে পারে তাহলে সেখানে ঝামেলা কম হয়)

যোগাযোগ

রিয়াজ ভাই – ০১৭৩৩৫২৪৩৮৬ (দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা : ঢাকা-শিলং বাস সার্ভিস) অফিস : ০২ ৯৩৫৩৮৮২ কমলাপুর শ্যামলী-বি.আর.টি.সি. কাউন্টার।

যে যে কাগজপত্র লাগবে

* অরিজিনাল পাসপোর্ট
* আপনার পাসপোর্টের ফটোকপি
* জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি (যদি না থাকে তাহলে জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি এবং চেয়ারম্যান বা কমিশনার কতৃক নাগরিকত্ব সনদ)
* একটি বিদ্যুৎ/পানি/টেলিফোন বিলের ফটোকপি (নিকটস্ত মাসের এবং বিল দেওয়া হয়েছে)
* নূন্যতম ৬ মাসের ব্যাংক ষ্ট্যাটমেন্ট অথবা কোন ব্যাংক কতৃক নুন্যতম ১৫০ ডলার এনড্রোসমেন্ট স্লিপ ও পাসপোর্ট সিল সহ।

এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রের প্রমান স্বরূপ আপনি ঃ
# ছাত্র হলে : ছাত্র পরিচয়পত্রের ফটোকপি
# ব্যাবসাযী হলে : চলতি ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি (অবশ্যই আপনার নামে) ও ভিজিটিং কার্ড
# চাকুরীজীবি হলে : চাকুরির পরিচয়পত্রের ফটোকপি, অফিসিয়াল প্যাডে অফিস কতৃক ছুটির মঞ্জুরীপত্র ও ভিজিটিং কার্ড

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.