ইন্দোনেশিয়ার বালির সী বীচ নিয়ে রিভিউ

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0

আমি চেষ্টা করবো ইন্দোনেশিয়ার বালি এর সী বীচ মোটামুটি ডিটেইল একটা আইডিয়া দিতে।

Beaches of Bali ♥

Kuta Beach

বালির বীচ গুলো সুন্দর। তবে সব বীচই যে সুন্দর হবে তেমনটা না! বালি নিয়ে বেশ কিছু পোস্টে এই কুটা বীচে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে!!!! ( :/ ) বেসিক্যালি ওখানে গিয়ে অনেকটাই হতাশ ছিলাম আমি। পানি অতটা পরিষ্কার না, বীচের এনভায়রনমেন্টও আহামরি কিছু না। In my opinion, it’s not worth it…(Distance 10 minutes from the airport) অবশ্য এয়ারপোর্ট থেকে কাছে হয়ায় অনেকে প্রথম দিন কুটা বীচে যাওয়ার কথা বলেছেন।

Legian Beach

Kuta এরিয়া থেকে ৫ মিনিটের দূরত্ব। খারাপ না, ভালও না! তবে হোটেল এরিয়া থেকে কাছে হয়ায় মানুষজন বেশি যায় ওখানে।

Seminyak Beach

Kuta এরিয়া থেকে ১০ মিনিটের দূরত্ব। বেসিক্যালি এটা পার্টি বিচ। রাতের দিকে বীচ পার্টি হয়। ইউরোপিয়ান থাকবে অনেক। হাতে বিয়ার গ্লাস নিয়ে উচ্চস্বরে গান বাজনা শোনা আর সাগরের হাওয়া বাতাস খাওয়া, এই হচ্ছে এই বীচের মূলমন্ত্র! বালির নাইট লাইফ দেখার জন্যে এই বীচ পারফেক্ট চয়েস।

Padang Padang Beach 😍

এক কথায় অসাধারণ! পানি আকাশের মত নীল। বীচটা অনেক ছোট। কিন্তু অনেক গোঁছানো! বালিতে গেলে এই বীচে যাওয়া উচিত আর অবশ্যই পানিতে নামা উচিত! সাগর অনেক বেশি শান্ত! পারফেক্ট ফর স্যুইমিং!

পাদাং পাদাং সী বীচ বালি

Dreamland Beach ♥

এটাও অনেক বেশি সুন্দর! সাগরে ঢেউ আছে ভালই! বড় বড় ঢেউয়ের মাঝে সার্ফিংও করা যাবে। সার্ফারদের কাছে এই বীচ ভালই পরিচিত। আশেপাশে সার্ফিং স্কুলও আছে! চাইলে শিখেও নিতে পারেন।

ড্রীমল্যান্ড সী বীচ বালি

আমার মতে বালিতে ঘুরতে গেলে অবশ্যই লাস্টের দুইটা বীচে যাওয়া উচিত। দূরত্ব একটু বেশি। তবে Uluwatu Temple এবং Tanah Lot এর ঠিক মাঝামাঝি হওয়ায় যাওয়ার পথে ঢু মেরে যেতে সমস্যা কি?

Trust me…you won’t regret! 😊

আর বিদেশে আমরা সবাই যাই অনেক কম সময় নিয়ে। ওখানে গিয়ে এত কিছু জেনে নেওয়ারও সময় থাকে না। আর ইউটিউবে সবকিছুকেই ওয়েস্টার্ণ কালচারে দেখা হয়। শুনতে অবাক লাগলেও রেটিংয়ে বালির অন্যতম দর্শনীয় স্থান Paddy Field…মানে একটা সাজানো গোছানো ধানক্ষেত!! ইউরোপিয়ানদের কাছে এটার মত আরো অনেক কিছুই আগ্রহের। ইউটিউব দেখে তাই পুরো আইডিয়াটা পাওয়া যায় না।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.