নাপিত্তাছড়া ট্রেইলের কপিকাটাকুম নিয়ে সর্তকতা

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0

আমাদের দেশে যে কয়টা ঝর্ণাতে মানুষ মারা গেছে তার ভিতর নাপিত্তাছড়া এর কপিকাটাকুম অন্যতম। এর অবস্থান নাপিত্তাছড়া ট্রেইলের প্রথম স্টেপের উপরে। এটা দেখতে লম্বাকৃতি চৌবাচ্চার মত। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে – এই ঝর্ণাতে নামার আগে কেন সর্তক হতে হবে?

নাপিত্তাছড়া ট্রেইলের সব পানি এই দিক দিয়ে পরে, তাই অনেক স্পিডের কারণে এই চৌবাচ্চাটি অনেক গভীর, যা আমাদের কল্পনার বাহিরে। অনেকে এটা কম গভীর মনে করে লাফ দিয়ে থাকেন কিন্তু পরে তার পানির নিচ থেকে উঠতে খুব কষ্ট হয়। কারণ অনেক দিন ধরে পানি জমার হওয়ার কারণে পানির নিচে একধরণের ভারী শ্যাওলার স্তূপ পড়ে গেছে। তাই এই স্তূপের ভিতর ডুকে গেলে বের হতে খুব কষ্ট হয়। কারণ ভারী পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে সেখানে সাঁতার কাটতে খুব সমস্যা হয়।

কুপিকাটাকুম, নাপিত্তাছড়া
কুপিকাটাকুম, নাপিত্তাছড়া

তাই কেউ যদি উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে তাহলে সে সহজেই পানির নিচে চলে যায়, অনেক সময় বেশী স্পিড হওয়ার কারণে অনেক গভীরে চলে যায়। তখন সেখান থেকে উঠতে খুব কষ্ট হয়, আর অনেকেই উঠতে পারে না তখন সে মারা যায়। এই খানে যারা মারা গেছে তাদের বেশীরভাগ ই লাফ দেওয়ার পর না উঠতে পারার কারণে মারা গেছে।

আপনারা যারা নাপিত্তাছড়া ট্রেইলে যাবেন, তারা কুপিকাটাকুমে একটু সাবধানে নামবেন এবং তারুণ্যসুলভ আচরণ থেকে মানে লাফ দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আপনার একটু ভুল ও তারুণ্যসুলভ আচরণের জন্য আপনার ভ্রমণটা যেন মৃত্যু কারণ হয়ে যায় তা সবসময় খেয়াল রাখবেন। আর যাত্রাপথে সবসময় সর্তক সাবধানে চলাফেরা করুন, আজানা স্থানে বীরত্ব দেখাতে যেয়ে বিপদ ডেকে আনবেন না।

ঘুরতে যেয়ে পদচিহ্ন ছাড়া কিছু ফেলে আসবো না,
ছবি আর স্মৃতি ছাড়া কিছু নিয়ে আসবো না।।