হিমাচল প্রদেশের কৈলাশ ট্রেকিং প্ল্যান

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0

ট্রেক রুটঃ কৈলাশ, কিন্নর, হিমাচল প্রদেশ

মুডঃ ব্যাকপেকিং, ট্রেকিং

ব্যাকপেকিং বাজেটঃ ১০,০০০ টাকা (আনুমানিক)

সময়ঃ ১০-১২ দিন

কিভাবে যাবেনঃ

  • হাওড়া ষ্টেশন থেকে ট্রেনে কালকা / দিল্লী
  • কালকা থেকে টয় ট্রেনে শিমলা / দিল্লী থেকে বাসে শিমলা
  • শিমলা থেকে গভমেন্ট বাসে রামপুর (রাতে রামপুরে থাকতে পারেন)
  • রামপুর থেকে গভমেন্ট বাসে রেকংপিউ (গভমেন্ট বাসের সার্ভিস ভালো)
  • রেকংপিউ থেকে তিন/চারদিনের প্রয়োজনীয় জিনিস, পোর্টার/গাইড লাগলে গাইড/পোর্টার নিয়ে বাসে তাংলিং ঝোলা নামতে হবে
  • সকাল সকাল শুরু করলে তাংলিং ঝোলা পার হয়ে ট্রেক করে প্রথম দিন আশিকি পার্ক পৌছানো সম্ভব অন্যথায় আশিকী পার্কের ৩ ঘন্টার হাঁটা রাস্তা আগে একটি ধাবা আছে সেখানো থাকার ব্যবস্থা আছে। এই ধাবার পর আরে কোন দোকান নেই, খাবারের ব্যবস্থা নেই। পরবর্তী আপনার খাবারের ব্যবস্থা, রান্না আপনাকে / আপনার গাইড পোর্টারকে করতে হবে। সেই প্রস্তুতি রেকংপিউ থেকে করে নিতে হবে। আশিকি পার্কে নিজেদের টেন্টে থাকতে পারবেন, ভাড়ায় টেন্টে থাকা যায় প্রতিদিন ৬০০ রুপি, অথবা আশিকি পার্কে বন বিভাগের কিচেনে থাকা যায় (বিনা খরচে)।
  • আশিকি পার্ক থেকে পরের দিন পাথরের গুহায় থাকতে হবে অথবা ঝর্নার পাশে টেন্ট করে।
  • গুহা থেকে খুব সকালে হাঁটা শুরু করতে হবে। গুহা থেকে ঘন্টা খানিক পর থেকে বোল্ডার শুরু হবে। এই বোল্ডার পেরিয়েই সামনে এগুতে হবে। তিন/চার ঘন্টা পর পার্বতী কুন্ড পাবেন। এখান থেকে পানি খেয়ে পরবর্তী ৫-৬ ঘন্টার জন্য প্রয়োজনীয় পানি নিয়ে ‍নিতে হয়। এরপর আর কোন পানির উৎস নেই।
  • পাবর্তী কুন্ড থেকে প্রায় তিন ঘন্টার বোল্ডারের পথ পেরোনোর পর কৈলাশের উপরে পৌঁছে যাবেন। দুপুর বারোটার পর উপরে উঠা কোনভাবেই ঠিক না। প্রচন্ড ঝড়ো বাতাস শুরু হয়।
  • উপরের উঠার সময় সব এনার্জি শেষ করা যাবে না। ঠিক একই পথে একই দিনে আপনাকে গুহা বা আশিকী পার্কে ফিরে আসতে হবে।
  • গুহা বা আশিকী পার্ক থেকে রেকং পিউ। রেকংপিউ থেকে সন্ধায় সরাসরি শিমলার বাসে শিমলা ফিরে আসতে পারবেন। শিমলা হয়ে কালকা বা দিল্লী হয়ে কলকাতা।
×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.