গোয়া এর সকল সমুদ্র সৈকত এর খোঁজ

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0

গোয়া মানেই সমুদ্র সৈকত। উল্টোভাবে বললে – সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত গোয়া। এখানকার সমুদ্র সৈকতের টানে প্রতি বছর বহু দেশি-বিদেশি পর্যটক ছুটে আসেন। প্রচুর সৈকত রয়েছে এখানে। রূপ-লাবণ্যের মেলবন্ধনে অপরুপ গোয়ার সৌন্দর্য যেকোনো বয়সী মানুষকে সবসময় আকর্ষণ করে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

গোয়ার চারদিকে ৯টি সমুদ্র সৈকত থাকলেও ছোট ছোট সৈকত রয়েছে কমপক্ষে আরও ১০/১২টি। সবকটি সৈকতই আরব সাগর আর মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের দুটি নদীর কোলে পাহাড়-পর্বতের ধারে অবস্থিত। যার মধ্যে কয়েকটি বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এমন কয়েকটি সৈকত রয়েছে যা ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও খুব একটা পরিচিত নয়।

শীতের সময়টা পর্যটকের ভিড় থাকে সব চেয়ে বেশি এই সমুদ্র রাজ্যে। কিন্তু যে কোন সিজনেই গোয়া ঘুরে আসতে পারেন। তবে গরম এর সময়টা এড়িয়ে যেতে পারলে সব থেকে ভালো হয়।

নর্থ গোয়াতে ভাগাতোর বিচ, অঞ্জুনা, বাগা ও কালাঙ্গুটে বিচ বেশ জনপ্রিয়। তবে সুযোগ সুবিধা সোন্দর্য এগুলা বিচারে কালিঙ্গুট আর বাগা বিচই এখানকার প্রধান বিচ কারন বেশিরভাগ লোকজন এই দুইটাতেই যায়।

গোয়া এর সকল সমুদ্র সৈকতগুলো

অঞ্জুনা বিচ

অঞ্জুনা বিচ, গোয়া

পানাজি থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে অঞ্জুনা বিচ এর অবস্থান। বিদেশী পর্যটকদের খুবই পছন্দ এই সৈকতটি।

বাগা বিচ

বাগা বিচ, গোয়া

পানাজি থেকে বাগা বিচের দূরত্ব ১৯ কিলোমিটার। নানা ধরনের মজাদার খাবারের জন্য এই সৈকতটি জনপ্রিয়। ফলে সকল ধরনের পর্যটকরা ভিড় জমান এই বিচে।

বেতুল বিচ

গোয়ার কিছু ঐতিহাসিক স্থাপত্য রয়েছে বেতুল বিচে। ফলে সমুদ্রের পাশে ইতিহাসের ছোঁয়াও পাওয়া যায় এখানে।

কালাঙ্গুটে বিচ

কালাঙ্গুটে বীচ, পানাজি, গোয়া

পানাজি থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কালাঙ্গুটে বিচ। পর্যটকরা সব থেকে বেশি ভিড় করেন এই বিচেই।

কোলবা বিচ

মারগাঁও থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও এখানে রয়েছে ‘আওয়ার লেডি অফ মার্সি চার্চ’।

ডোনা পওলা বিচ

পানাজি থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরত্বের এই বিচের খ্যাতি এখানকার ওয়াটার স্পোর্টসের জন্য।

মোবর বিচ

গোয়ার মারগাঁও থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরত্বে। যারা কেনাকাটি করতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই বিচে রয়েছে প্রচুর দোকান।

পালোলেম বিচ

দক্ষিণ গোয়ার এই বিচের খ্যাতি তার সাদা রঙের বালির জন্য।

ভাগাতোর বিচ

ভাগাতোর বিচ, গোয়া

পাহাড়ি টিলায় ঘেরা এই বিচ, পানাজি থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরত্বে।

আগোন্ডা বিচ

আগোন্ডা বিচ, গোয়া

গোয়ার ‍শীতলতম স্থান আগোন্ডা বিচ। ক্লান্তি দূর করে আরামের জন্য বেছে নেওয়া যেতে পারে অত্যাশ্চর্য এই বিচ।

বাটারফ্লাই বিচ

বাটারফ্লাই বিচটি রয়েছে গোয়ার দক্ষিণে। পালোলেম এবং অ্যাগোন্ডা বিচের খুব কাছেই। অর্ধগোলাকৃতির এই সৈকতকে দূর থেকে দেখলে কোনও দ্বীপ বলে মনে হবে। এই বিচের মূল আকর্ষণ প্রজাপতি। হাজার হাজার প্রজাপতি যেন পর্যটকদের অভ্যর্থনা জানাতে যেন অপেক্ষা করে। শুধু প্রজাপতিই নয়, এখানে এলে ডলফিনও দেখতে পাওয়া যাবে। ডলফিন ছাড়াও এই বিচে দেখা মিলবে কাঁকড়া, গোল্ডফিশ, সি আর্চিন, সি কিউকাম্বারের মতো সামুদ্রিক জীবের। তবে এদের দেখা পেতে হলে ভোরেই যেতে হবে বিচে।

বাটারফ্লাই বিচ, গোয়া

সড়কপথে বাটারফ্লাই বিচে যাওয়া সম্ভব নয়। যেতে হলে নৌকা ভাড়া করে যেতে হবে। আর যদি অ্যাডভেঞ্চারের মজা নিতে হয় তা হলে পালোলেম বিচ থেকে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ২ ঘণ্টা হেঁটে যেতে হবে। বাটারফ্লাই বিচের আশপাশে কোনও দোকান নেই। তাই বেশি সময়ের জন্য গেলে প্রয়োজনীয় খাবার এবং অবশ্যই খাবার পানি নিয়ে যাওয়া ভাল।

ঘুরতে যেয়ে পদচিহ্ন ছাড়া কিছু ফেলে আসবো না,
ছবি আর স্মৃতি ছাড়া কিছু নিয়ে আসবো না।।