সিএমসি এর চক্ষু হাসপাতালটি কোথায়? কিভাবে সহজে চক্ষু হাসপাতাল যেতে পারি?
উত্তরঃ সিএমসি এর মেইন গেট থেকে প্রায় ২ কি.মি দূরে সিএমসি চক্ষু হাসপাতাল। ২ নং বাসে করে ১০ টাকা দিয়ে সিএমসি চক্ষু হাসপাতালে (CMC Schell Eye Hospital) যেতে পারেন। আর যদি বাস না পান তাহলে রিজার্ফ অটো নিয়ে যাবেন বলবেন যে সিএমসি চক্ষু হাসপাতাল যাবো (অবশ্যই হিন্দিতে) ৫০ টাকা ভাড়া নিবে। অটো ড্রাইভার ৬০-৭০ টাকা চাবে তবে দরাদরি করলে ৫০ টাকার বেশি লাগবে না। ভাড়া ঠিক করে তারপর উঠবেন।

তৎকাল এপয়েন্টমেন্ট কি?
উত্তরঃ আর্জেন্ট এপয়েন্টমেন্ট নেয়া অর্থাৎ যেদিন এপয়েন্টমেন্ট নিবেন ঐ দিনেই ডাক্তার দেখবে। নিজের মতো করে বললাম, আসলে ব্যাপারটি এমনি।
সিএমসি চক্ষু হাসপাতালে আমার কোন এপয়েনমেন্ট নেয়া নেই। তাহলে আমি কিভাবে ডাক্তার দেখাতে পারবো?
উত্তরঃ তাহলে রাত ৩.৩০ টার দিকে ডাক্তার এর রেফার্ড স্লিপ এবং ক্রিস কার্ডটা নিয়ে সিএমসি চক্ষু হাসপাতালে চলে যান। কী অবাক হলেন যে রাত ৩.৩০ টায় যেতে বললাম কেন? রাত ৩ টা থেকে লাইনে দাড়ায় তৎকাল এপোইন্টমেন্ট নেয়ার জন্য। তৎকাল এপোইন্টমেন্ট প্রতিদিন ৪০টার মতো দেয়া হয়। সকাল ৭ টার দিক কাউন্টার খোলে।আপনি ৬টার দিক গেলেও এপোইন্টমেন্ট পেতে পারেন তবে ডাক্তার দেখাতে অনেক দেরি হবে। তাই আগে যাবেন আগে সিরিয়াল পাবেন সব কিছুর।
আমি আমার বাবাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য রাত ৩.৩৫ এ হাসপাতালে পৌঁছে দেখি আমার সিরিয়াল ৪ নাম্বারে। মানে আমার আগে আরো ৩ জন এসেছে।
প্রাইভেট এপয়েন্টমেন্ট নিতে কি রকম খরচ?
উত্তরঃ প্রাইভেট এপয়েন্টমেন্ট নিতে ৭৫০ রুপি লাগে।
হোটেল থেকে হাসপাতালে যাওয়ার জন্যে এতো রাতে অটো/ট্যাক্সি/সিএনজি পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ হ্যা, পাবেন, কোন সমস্যা হবে না। এখানে বলা চলে দিন রাত সব সমান।
আমি রুগী নিয়ে এসেছি সিএমসি হাসপাতালে কিন্তু আমার কোন আইডি নেই। আমি কি সিএমসি চক্ষু হাসপাতালে আমার চোখ দেখাতে পারবো?
উত্তরঃ না পারবেন না! আপনি যদি সিএমসি তে চোখ দেখাতে চান তাহলে আপনাকে 900B. বিল্ডিং থেকে স্লিপ নিয়ে যেতে হবে। 900B. বিল্ডিংয়ে সকাল ৫ টার দিক যেয়ে লাইন ধরে ভিতর ঢুকে বলতে হবে আমি সিএমসি চক্ষু হাসপাতালে চোখ দেখাতে চাই। তখন তারা আপনাকে একটি স্লিপ দিবে। সেই স্লিপ ওখানে দিলে আপনাকে এপয়েন্টমেন্ট দিবে। এর ব্যাতিত আপনাকে ফেরত দিবে। যেদিন চোখ দেখাবেন তার আগের দিনেই স্লিপ্টা নিয়ে রাখবেন কারন চক্ষু হসপিটালে এপয়েন্টমেন্ট পেতে হলে অনেক সকালে যেতে হবে।
সকলের প্রতি অনুরোধ, এই বর্ষায় এডভেঞ্চার এর নেশায় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকবেন। মনে রাখবেন, জীবন একটাই, আর একটা দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। তাই আমাদের সবার ভ্রমণ নিরাপদ হোক এটাই হোক আমাদের সকলের চাওয়া।