টাংগুয়ার হাওর ভ্রমন – খরচের বিস্তারিত

যুক্ত করা হয়েছে
ভালো লেগেছে
0
ট্রিপ
২ দিন
খরচ
২০০০ টাকা
ট্রেকিং এর কাঠিন্যতা
Array

সময় এখন টাংগুয়ার হাওর (Tanguar Haor) ভ্রমনের। স্পট ও ট্যুর বর্ননায় না গিয়ে সবচেয়ে দরকারী তথ্য (খরচের বিস্তারিত) দেয়ার চেষ্টা করলাম। ভুলত্রুটি মার্জনীয়।

টাংগুয়ার হাওর
টাংগুয়ার হাওর

👉রুট : ঢাকা (সায়েদাবাদ) > সুনামগঞ্জ > তাহিরপুর > সুনামগঞ্জ > ঢাকা (সায়েদাবাদ)

👉ট্যুরমেটঃ ৯ জন।

👉সময়কালঃ ২ রাত ২ দিন।(৫ আগস্ট রাত থেকে ৭ আগস্ট বিকাল)

👉খরচাপাতি

  • ঢাকা (সায়েদাবাদ) থেকে সুনামগঞ্জগামী সেমিলোকাল চেয়ারকোচ = ৩০০ টাকা/হেড
  • সুনামগঞ্জ টু তাহিরপুর রিজার্ভ সিএনজি (সিএনজি প্রতি ৫ জন) = ১০০ টাকা/হেড
  • নৌকা ভাড়া (রিজার্ভ) সকাল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ৩২০০ টাকা = ৩৫০/হেড

এখানে কিছু কথা বলা দরকার, নৌকায় চুক্তি হয়েছিল হাওরে সারাদিন ঘুরে রাতে নৌকায়ই স্টে করবো এবং সকালে ৭ টার মধ্যে আবার তাহিরপুর পৌঁছে দিবে। কারন ১০ টায় সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী গাড়ির টিকেট কাটা ছিল। আমাদের নৌকাটি মোটামুটি মানের ছিল। এই নৌকায় ১৫ জন অনায়াসে থাকা যায়। যদিও আমরা সারারাত নৌকার ছাদেই কাটিয়ে দিয়েছিলাম, চাঁদনি রাত আমাদের জন্য ছিল বাড়তি পাওনা।

খাওয়া-দাওয়া

দুপুর এবং রাতে নৌকায় রান্না হয়েছিল, বাজার আমরাই করে নৌকায় উঠেছিলাম। নৌকার মামারাই রান্না করে দেয়। টোটাল খাবার খরচ ৩২০০ টাকা,(সকাল+দুপুর+রাত+পরদিন সকাল) = ৩৫০/হেড।

বাইক ভাড়া/রিজার্ভ

(নীলাদ্রি লেক + বারিক্কা টিলা + জাদুকাটা নদী + শিমুল বাগান + লাকমাছড়া) ২০০ টাকা/বাইক। এক বাইকে ২ জন করে। তারমানে ১০০ টাকা/হেড।

আনুষঙ্গিক খরচঃ

  • লাইফ জ্যাকেট ৩০ টাকা/হেড।
  • সুনামগঞ্জ টু তাহিরপুর রিজার্ভ সিএনজি (সিএনজি প্রতি ৫ জন) = ১০০ টাকা/হেড
  • হাসনরাজার আস্তানা দর্শনঃ (আসা-যাওয়া + এন্ট্রি ফি)= ৫০ টাকা/হেড
  • সুনামগঞ্জ টু ঢাকাঃ হানিফ পরিবহন = ৫৫০ টাকা/হেড

সর্বমোট খরচ = ২০০০ টাকা/হেড

পাহাড় আর হাওর মিলে এক নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার টাংগুয়ার হাওর। বছরের ৬ মাস এখানে পানিতে ডুবে থাকে বাকি সময় চাষাবাদ হয়। সময় পেলে পরিবারসহ ঘুরে আসুন,দারুন সময় কাটবে আশা করি।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.