বান্দরবান মানেই সবুজ পাহাড়ের অসীম বিস্তার, মেঘে ঢাকা আঁকাবাঁকা পথ, ঝরনার গর্জন আর সাঙ্গু নদীর শান্ত স্রোত। আর এই বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণীয় ও দুর্গম জনপদ থানচি—যেখানে পৌঁছানোর যাত্রাটিই হয়ে ওঠে ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাহাড়ি পথে বিখ্যাত ‘চান্দের গাড়ি’র রোমাঞ্চ, স্থানীয় মানুষের আন্তরিকতা এবং প্রকৃতির একদম কাছাকাছি থাকার অভিজ্ঞতা থানচিকে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছে বিশেষ করে তুলেছে।
এই নৈসর্গিক থানচিতে পর্যটকদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক আবাসনের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট (Highlanders Park & Resort)। বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ পুলিশ গড়ে তোলা এ রিসোর্টটি শুধু থাকার জায়গা নয়; এটি পাহাড়, নদী, স্থানীয় সংস্কৃতি এবং অ্যাডভেঞ্চারকে একসঙ্গে অনুভব করার একটি পূর্ণাঙ্গ ভ্রমণকেন্দ্র।
২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করা হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট অল্প সময়েই থানচিগামী ভ্রমণকারীদের নজর কেড়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, পাহাড়ি পরিবেশের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনধারা ও সংস্কৃতিকে সম্মান করার ভাবনা এই উদ্যোগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
নোট: ভাড়া, অফার, যাতায়াতের অনুমতি, নৌপথ ও পর্যটন-নিয়ম মৌসুম বা প্রশাসনিক নির্দেশনায় পরিবর্তিত হতে পারে। বুকিংয়ের আগে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করা জরুরি।
পাহাড়ের চূড়ায় অনন্য অবস্থান
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক হাজার ফুট উঁচুতে, থানচি থানা ভবনের পাশেই প্রায় ৫ একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট। পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত হওয়ায় এখান থেকে দূরের সবুজ পাহাড়, উপত্যকা, নদীর গতিপথ এবং পরিবর্তনশীল আকাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
রিসোর্টটির অবস্থান এমন যে, একদিকে এটি প্রকৃতির নির্জন ও নির্মল আবহ দেয়, অন্যদিকে থানচি থানার কাছাকাছি হওয়ায় নিরাপত্তার দিকটিও গুরুত্ব পায়। শহরের কোলাহল, যানজট ও ব্যস্ততা থেকে দূরে এসে ভোরের কুয়াশা, পাখির ডাক, পাহাড়ি বাতাস এবং সন্ধ্যার নীরবতা উপভোগ করতে চাইলে এটি হতে পারে আদর্শ আশ্রয়।
হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট : রুমের ধরন এবং ভাড়া
পরিবার, দম্পতি, ছোট দল কিংবা বন্ধুবান্ধব—সব ধরনের ভ্রমণকারীর কথা ভেবেই রিসোর্টটিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির কটেজ ও ডরমিটরি রাখা হয়েছে। তুলনামূলক ব্যক্তিগত ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতার জন্য রয়েছে ভিআইপি, হানিমুন ও এক্সিকিউটিভ কটেজ। দলগত বা বাজেট ভ্রমণকারীদের জন্য রয়েছে ডরমিটরি সুবিধা।
| আবাসনের ধরন | নিয়মিত ভাড়া (প্রতি রাত) | অফার মূল্য |
|---|---|---|
| ভিআইপি কটেজ | ১২,০০০ টাকা | ৯,০০০ টাকা |
| হানিমুন কটেজ | ৯,০০০ টাকা | ৭,০০০ টাকা |
| এক্সিকিউটিভ কটেজ | ৮,০০০ টাকা | ৬,০০০ টাকা |
| ডরমিটরি | ৩,০০০ টাকা | ৫০০ টাকা |
বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই ছাড় নিয়মিত ভাড়ার ওপর নাকি অফার মূল্যের ওপর প্রযোজ্য, এবং ডরমিটরির মূল্য শয্যাপ্রতি নাকি ইউনিটপ্রতি—এসব বিষয় বুকিংয়ের সময় নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো। অফ-পিক মৌসুমে অতিরিক্ত ছাড়ও থাকতে পারে।
আধুনিক সুবিধায় পাহাড়ি অবকাশ
দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় থেকেও আধুনিক আরাম ও নিরাপত্তার অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করেছে হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট। এখানে অতিথিদের জন্য রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় সুবিধা।
নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ
রিসোর্ট প্রাঙ্গণে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। থানচির মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ভ্রমণের সময় নিরাপত্তা নিয়ে অনেকেরই উদ্বেগ থাকে; সে ক্ষেত্রে রিসোর্টটির অবস্থান ও ব্যবস্থাপনা ভ্রমণকারীদের বাড়তি স্বস্তি দিতে পারে।
হিল টপ সুইমিং পুল ও জ্যাকুজি
রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত সুইমিং পুল ও জ্যাকুজি। পাহাড়ঘেরা পরিবেশে সাঁতার কাটা বা উষ্ণ জ্যাকুজিতে আরাম করার অভিজ্ঞতা সাধারণ কোনো শহুরে রিসোর্টের মতো নয়। এখানে বিশ্রামের সঙ্গে যুক্ত হয় খোলা আকাশ, সবুজ পাহাড় আর দূরের প্রাকৃতিক দৃশ্য।
ক্যাফেটেরিয়া ও পাহাড়ি স্বাদের খাবার
ভ্রমণের আনন্দের বড় অংশই স্থানীয় খাবারের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। রিসোর্টের ক্যাফেটেরিয়ায় দেশীয় ও বিভিন্ন ধরনের খাবারের পাশাপাশি পাহাড়ি স্বাদের কিছু বিশেষ পদ পাওয়া যেতে পারে। বাঁশের কোড়ল দিয়ে রান্না করা মুরগি, স্থানীয় মাছ, পাহাড়ি ফল, তাজা শাকসবজি ও স্থানীয় উপকরণে তৈরি খাবার ভ্রমণকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পারে।
অ্যাম্ফিথিয়েটার ও বিনোদন
বিনোদনের জন্য রয়েছে অ্যাম্ফিথিয়েটার বা ওপেন থিয়েটার। সন্ধ্যার সময় দলগত আড্ডা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ছোট অনুষ্ঠান বা প্রকৃতির মাঝে খোলা আকাশের নিচে সময় কাটানোর জন্য এ স্থানটি বিশেষ উপযোগী হতে পারে।
পাহাড়ি সংস্কৃতির জাদুঘর
রিসোর্টে পাহাড়ি জীবন, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য একটি জাদুঘর তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু পর্যটকদের বিনোদনের সুযোগই নয়, বরং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনধারা, পোশাক, ব্যবহার্য সামগ্রী ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানারও সুযোগ করে দেয়।
থানচি ভ্রমণের প্রবেশদ্বার
হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টকে শুধু আবাসনকেন্দ্র হিসেবে দেখলে এর পূর্ণতা বোঝা যাবে না। থানচি থেকে বান্দরবানের অনেক বিখ্যাত নদীপথ, ঝরনা, পাহাড়ি গ্রাম ও অ্যাডভেঞ্চার রুটে যাত্রা শুরু করা যায়।
সাঙ্গু নদীতে নৌবিহার
থানচি থেকে সাঙ্গু নদীপথে নৌভ্রমণ পাহাড়ি ভ্রমণের অন্যতম রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। নদীর দুই তীরে সবুজ পাহাড়, পাথুরে তীর, ছোট পাহাড়ি বসতি এবং পানির স্রোতের ভিন্ন ভিন্ন রূপ ভ্রমণকারীদের মুগ্ধ করে। রেমাক্রি ও আফিয়ামুখের দিকে নৌযাত্রার সুযোগ থাকতে পারে, তবে নদীর পানি, আবহাওয়া, নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক অনুমতির ওপর এ ধরনের ভ্রমণ নির্ভর করে।
নাফাখুম ও রেমাক্রি
নাফাখুম জলপ্রপাত বান্দরবানের জনপ্রিয় প্রাকৃতিক আকর্ষণগুলোর একটি। রেমাক্রি অঞ্চলের নৌভ্রমণ ও ট্রেকিংয়ের সঙ্গে এটি সাধারণত যুক্ত থাকে। তবে এসব গন্তব্য এক দিনে ঘুরে ফিরে আসা সব সময় বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে। সময়, ট্রেকিং সক্ষমতা, মৌসুম এবং পর্যটন অনুমতির বিষয় বিবেচনা করে অন্তত দুই থেকে তিন দিনের পরিকল্পনা করা ভালো।
নীলগিরি, নীলাচল ও অন্যান্য গন্তব্য
রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের ট্যুর প্যাকেজে নীলগিরি, নীলাচল, মেঘলা ও স্বর্ণমন্দিরের মতো বান্দরবানের পরিচিত দর্শনীয় স্থান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যারা অল্প সময়ে বান্দরবান শহর ও পাহাড়ি সৌন্দর্যের স্বাদ নিতে চান, তাঁদের জন্য এ ধরনের প্যাকেজ কার্যকর হতে পারে ।
হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট কিভাবে পৌঁছাবেন
ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান
ঢাকা থেকে বাসযোগে সরাসরি বান্দরবান যাওয়া যায়। বিকল্পভাবে ট্রেন বা বাসে চট্টগ্রামে এসে সেখান থেকে বাস কিংবা সংরক্ষিত গাড়িতে বান্দরবান সদর পৌঁছানো যায়। ভ্রমণের সময়, আরাম ও বাজেট বিবেচনা করে যানবাহন বেছে নেওয়া ভালো।
বান্দরবান থেকে থানচি
বান্দরবান শহর থেকে থানচির দিকে পাহাড়ি সড়কপথে যেতে হয়। এই পথে পাহাড়ি বাঁক, উঁচু-নিচু রাস্তা এবং মেঘে ঢাকা দৃশ্য যাত্রাকে দারুণ আকর্ষণীয় করে তোলে। আলীকদম–ডিম পাহাড়সংলগ্ন রুটসহ কোন পথটি চালু, নিরাপদ ও অনুমোদিত আছে, তা যাত্রার আগে অবশ্যই যাচাই করতে হবে।
পাহাড়ি পথের জন্য দক্ষ চালক ও উপযুক্ত যানবাহন গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় জিপ, চান্দের গাড়ি বা চার-চাকা-চালিত সক্ষম গাড়ি বেশি উপযোগী হতে পারে। দিনের আলোতে যাত্রা করাই নিরাপদ ও আরামদায়ক।
থানচি থেকে রিসোর্ট
হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট থানচি পুলিশ স্টেশনের খুব কাছেই অবস্থিত। গাড়ি পার্কিংয়ের পর কিছুটা পথ হেঁটে রিসোর্টে পৌঁছাতে হতে পারে।
দুই দিনের ছুটিতে ভ্রমণ পরিকল্পনা
প্রথম দিন: যাত্রা, চেক-ইন ও রিসোর্ট অভিজ্ঞতা
সকালে বান্দরবান শহর থেকে থানচির উদ্দেশে রওনা দিন। পাহাড়ি রাস্তার সৌন্দর্য উপভোগ করতে পথে সময় রাখুন। দুপুর বা বিকেলের দিকে রিসোর্টে পৌঁছে চেক-ইন করুন। কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর রিসোর্ট প্রাঙ্গণ, ক্যাফেটেরিয়া, জাদুঘর ও অ্যাম্ফিথিয়েটার ঘুরে দেখুন। বিকেলে সুইমিং পুল বা জ্যাকুজিতে সময় কাটানো যেতে পারে। সন্ধ্যায় পাহাড়ি নীরবতা, তারাভরা আকাশ ও স্থানীয় খাবারের সঙ্গে দিন শেষ করুন।
দ্বিতীয় দিন: সাঙ্গু নদী ও স্থানীয় অভিজ্ঞতা
ভোরে সূর্যোদয় দেখুন। সকালে সাঙ্গু নদীতে স্বল্প বা পূর্ণাঙ্গ নৌভ্রমণের পরিকল্পনা করা যেতে পারে। সময় ও অনুমতি সাপেক্ষে আশপাশের পাহাড়ি গ্রাম, নদীতীর বা স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়। দুপুরে রিসোর্টে ফিরে খাবার ও বিশ্রামের পর বান্দরবান শহরের দিকে রওনা দিন।
রেমাক্রি, নাফাখুম বা আফিয়ামুখ ঘুরতে চাইলে আলাদা করে বাড়তি সময় রাখুন। এসব গন্তব্যের জন্য অভিজ্ঞ গাইড, নৌকার ব্যবস্থা, প্রশাসনিক নির্দেশনা এবং আবহাওয়ার খবর আগে থেকে নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভ্রমণকারীদের জন্য জরুরি পরামর্শ
- পরিচয়পত্র, পর্যাপ্ত নগদ টাকা, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখুন।
- পাহাড়ি পথে রাতের যাত্রা এড়িয়ে চলুন।
- স্থানীয় প্রশাসন, সেনা ক্যাম্প, পর্যটন পুলিশ বা গাইডের নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করুন।
- বর্ষাকালে নদীপথ, ঝরনা ও পাহাড়ি রাস্তার অবস্থা দ্রুত বদলে যেতে পারে।
- প্লাস্টিক, বোতল বা খাবারের প্যাকেট যেখানে-সেখানে ফেলবেন না।
- স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ব্যক্তিগত পরিসর ও ধর্মীয় স্থানকে সম্মান করুন।
- পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল হতে পারে; বিকল্প যোগাযোগ ও জরুরি পরিকল্পনা রাখুন।
- রেমাক্রি, নাফাখুম বা সীমান্তসংলগ্ন রুটে ভ্রমণের আগে সর্বশেষ অনুমতি ও নিষেধাজ্ঞা জেনে নিন।
- বুকিংয়ের সময় কক্ষের প্রাপ্যতা, খাবার অন্তর্ভুক্ত কি না, সুইমিং পুল ব্যবহারের নিয়ম, অফার মূল্য, পুলিশ সদস্যদের ডিসকাউন্ট এবং স্থানীয় ট্যুর প্যাকেজের বিস্তারিত নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।
হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট এমন ভ্রমণকারীদের জন্য উপযোগী, যারা বান্দরবানের থানচির প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান, কিন্তু একই সঙ্গে নিরাপদ ও আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থাও প্রত্যাশা করেন। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে আধুনিক কটেজ, হিল টপ সুইমিং পুল, পাহাড়ি খাবার, সাংস্কৃতিক জাদুঘর ও সাঙ্গু নদীপথের অ্যাডভেঞ্চার—সব মিলিয়ে এটি হতে পারে প্রকৃতি ও আরামের এক চমৎকার সমন্বয়।
পরিবারের সঙ্গে নিরিবিলি অবকাশ, বন্ধুদের সঙ্গে রোমাঞ্চকর ট্রিপ কিংবা দম্পতির জন্য পাহাড়ি নির্জনতা—সব ধরনের ভ্রমণেই হাইল্যান্ডার্স পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট হতে পারে স্মরণীয় এক গন্তব্য।