গেজিং

ভালো লেগেছে
0

৫৬০০ ফুট উচ্চতায় পশ্চিম সিকিম (Sikkim) এর ছোট্ট জেলা শহর গেজিং (Geyzing / Gyalshing)। যদি মেঘের উপত্যকা চোখের সামনে দেখতে দেখতে দুটো দিন পাহাড়ি নিস্তব্ধতায় কাটাতে মন চায় তাহলে যে কোন প্রকৃতিপ্রেমীর মন জয় করবে এই পাহাড়ি জনপদ। তিন কিলোমিটার উপরে পেলিং এর জনপ্রিয়তার পাশে গেজিং এখনও নিতান্তই অনাঘ্রাত। তবে প্রথমেই বলে রাখা প্রয়োজন যারা শুধু সিকিমে আসা মানেই ঘরে বসে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে চান, তাদের জন্য এই স্থান নয়। বরং যারা মেঘের মিহি পর্দার নীচে শিশিরে সিক্ত হতে চান বা লনে বসে চা খেতে খেতে সূর্যাস্তের লাল আভা চোখে মেখে সন্ধ্যেবেলা সামনের পাহাড়কে আলোর তারকাশোভিত রূপে প্রস্ফুটিত হতে দেখতে পছন্দ করবেন, তাদের এই জনপদ স্বাগত জানায়।

কিভাবে যাবেন

দার্জিলিং মেল, কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস বা যেকোনো উত্তরবঙ্গের ট্রেনে চেপে আসুন নিউ জলপাইগুড়ি। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গেজিং-এর শেয়ার জীপ ছাড়ে। গাড়ি ভাড়া করে সরাসরি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গেজিং যাওয়া যায়। ভাড়া পড়বে ৩৫০০-৪০০০ টাকা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার পথ।

তোপদীন শেরপা: 9733027376 ড্রাইভার।

কোথায় থাকবেন

পেলিং হেলিপ্যাড-এ প্রচুর হোটেল আছে। ইন্টারনেটে বুকিং হয়। সেখান থেকে পরিষ্কার কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। কিন্তু যারা কোলাহল-মুক্ত প্রকৃতি ভালবাসেন তারা অবশ্যই থাকবেন গেজিং-এ সানি গুরুঙ্গের “ Oak Valley Retreat Village Homestay” –তে (যোগাযোগের নম্বরঃ 9775470255)। এখানে দ্বিশয্যা ঘর ২২০০ টাকা দিনপ্রতি (প্রাতঃরাস সহ), ত্রিশয্যা ঘর ২৮০০ টাকা দিনপ্রতি(প্রাতঃরাস সহ)। নয়জনের বেশী দল হলে ৯০০ টাকা/দিন মাথাপিছু (সকাল ও রাতের খাবার সহ)। গেজিং এ অন্য থাকার জায়গা থাকলেও Tripadvisor এর দৌলতে “ওক ভ্যালি রিট্রিট” বেশ জনপ্রিয়।

গুরুঙজী খুব যত্ন করে বনফায়ার এর ব্যবস্থা করে দেন। ওয়াইফাই আছে কিন্তু এখান থেকে কাঞ্চনজংঘা দৃশ্যমান নয়।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।