Destination · Kashmir

কাশ্মীর ভ্রমণ

২৬টি গাইড

Kashmir

কাশ্মীর ভ্রমণ

উপত্যকা, হ্রদ আর পাহাড়ের গাইড।

কাশ্মীর – একটি স্বপ্নপূরণ (সোনমার্গ পর্ব)
ভ্রমণ কাহিনী কাশ্মীর

কাশ্মীর – একটি স্বপ্নপূরণ (সোনমার্গ পর্ব)

পরদিন হল কাশ্মীরের অপূর্ব নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মোড়া এক উপত্যকা আর একটি মিষ্টি ছেলেকে জানার দিন। উপত্যকার নাম সোনমার্গ,…

কাশ্মীর
পেহেলগাম
বিদেশী দর্শনীয় স্থান জম্মু ও কাশ্মীর

পেহেলগাম

কাশ্মীরি ভাষায় নাগ মানে ঝর্ণা এবং অনন্ত মানে অসংখ্য। তাই অনন্তনাগ মানে অসংখ্য ঝর্ণা। কাশ্মীরের পেহেলগাম (Pahalgam) জম্মু…

জম্মু ও কাশ্মীর
গুলমার্গ
বিদেশী দর্শনীয় স্থান জম্মু ও কাশ্মীর

গুলমার্গ

গুলমার্গ (Gulmarg), জম্মু-কাশ্মীর এর বারামুলা জেলার অন্তর্গত যা পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যা TAJ…

জম্মু ও কাশ্মীর
কাশ্মীর ভ্রমণ – আরু ভ্যালিতে ২ দিন
ভ্রমণ কাহিনী কাশ্মীর

কাশ্মীর ভ্রমণ – আরু ভ্যালিতে ২ দিন

ভূস্বর্গ অর্থাৎ কাশ্মীর সত্যি স্বর্গ। কাশ্মীরকে ঈশ্বর তুলি দিয়ে অতি সুন্দর করে এঁকেছেন। আজ থেকে এক্কেবারে এক বছর আগে…

কাশ্মীর
মানালি-লাদাখ-কাশ্মীর-আগ্রা ট্যুরের আদ্যোপান্ত
তথ্যভান্ডার

মানালি-লাদাখ-কাশ্মীর-আগ্রা ট্যুরের আদ্যোপান্ত

আমার লাদাখ-কাশ্মীর ট্যুর এর একটা সংক্ষিপ্ত বর্ননা দিচ্ছি। আমরা গিয়েছিলাম ৪ জন। গত মাসে।১৫ দিন। বাই রোড/ট্রেন। অনেকে…

মাত্র ১৫,০০০/- টাকায় ঘুরে আসলাম ভূস্বর্গ কাশ্মীর!!
ভ্রমণ কাহিনী কাশ্মীর

মাত্র ১৫,০০০/- টাকায় ঘুরে আসলাম ভূস্বর্গ কাশ্মীর!!

আলহামদুলিল্লাহ, সকল জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ৪ মার্চ ২০১৭ দিল্লী থেকে কাশ্মীর এর উদ্দেশ্য রওনা দিয়ে ১৪ মার্চ দিল্লী…

কাশ্মীর

About

পরিচিতি

ভুস্বর্গ কাশ্মীর (Kashmir) মূলত হিমালয়ান পর্বতমালার দুটি রেঞ্জের মধ্যবর্তী একটি উপত্যকা। ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ আর ৩২ কিলোমিটার প্রস্থের এ উপত্যকার একপাশে হিমালয়ের মিডল হিমালয় এবং অন্য পাশে গ্রেটার হিমালয়। মধ্যখান দিয়ে বয়ে গেছে ঝিলাম নদী যা জেহলাম নামেও পরিচিত। এর দক্ষিণে অনন্তনাগ যাকে স্থানীয়ভাবে বলে ইসলামাবাদ, সোপিয়ান, কুলগাম ও পুলওয়ামা। মধ্যখানে বাডগাম ও গ্যান্ডারবাল ও শ্রীনগর এবং উত্তরে বারামুলা, বান্ডিপুরা ও কপুওয়ারা। এই দশটি প্রশাসনিক জেলায় বিভক্ত এ উপত্যকা। ভৌগোলিকভাবে কাশ্মীরকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, সেন্ট্রাল, নর্থ ও সাউথ কাশ্মীর। পুরো জম্মু-কাশ্মীরের মোট জনসংখ্যা এক কোটি ২৫ লাখ। কাশ্মীর উপত্যকার জনসংখ্যা প্রায় ৫৩ লাখ।

কাশ্মীর ভ্রমণের উপযুক্ত সময়

বছরের যে কোন সময় কাশ্মীর ভ্রমণে যাওয়া যায়। আবহাওয়ার দিক থেকে কাশ্মীরের মৌসুম মূলত চারটি। গ্রীষ্মকাল যা সাধারন জুন, জুলাই এবং আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ী হয়, শরৎকাল যা সাধারনত সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হয়, আছে শীতকাল যা ডিসেম্বর, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এবং সবশেষে বসন্তকাল যা মার্চ থেকে শুরু হয়ে মে মাস পর্যন্ত থাকে।

এই চার মৌসুমে কাশ্মীরের চার রূপ। স্নোফল পছন্দ করলে অবশ্যই শীতকাল হবে আপনার ভ্রমণের আদর্শ সময়, তবে শীতে কাশ্মীর ভ্রমণ করতে হলে আপনাকে রাখতে হবে বাড়তি প্রস্তুতি। গরম কাপড়, গ্লাভস, বুট সেখানে আবশ্যক। তবে শীতে আপনি সব জায়গায় যেতে নাও পারেন কারন বরফে অনেক সময় রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টা হলো যারা বরফ পাগল তাদের জন্যে। এসময়টাতে স্নোফলের দেখা মিলবে সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

আর যারা ফুলেল কাশ্মীরকে দেখতে চান, তাদের জন্যে বসন্তকাল হবে ভ্রমণের জন্যে আদর্শ সময়। এসময় টিউলিপ পাবেন, গাছে গাছে ফুল পাবেন এবং বাড়তি হিসেবে বরফ তো পাবেনই কারন এই সিজনের শুরুতে বরফ থাকবে। এসময় সিজন শুরু হওয়ায় সব কিছুর দাম অনেক বেশী থাকে। টিউলিপ এবং বরফ দুটোই একসাথে পেতে চাইলে আপনাকে মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্ল্যান করতে হবে। আর এজন্য প্রস্তুতি শুরু করতে জানুয়ারি থেকেই।

যারা আপেল এর সিজনে যেতে চান তাদের জন্যে শরৎকাল। বর্ষার শেষে সবুজ কাশ্মীরকে উপভোগ করার ফিলটাই অন্যরকম। সাথে বাগান ভরা আপেল, জাফরান, আখরোট প্রভৃতি তো আছেই। সেপ্টেম্বর, অক্টোবরে গাছ ভরা আপেল বাগানের দেখা মিলবে আর নভেম্বরের শেষ থেকে রাস্তার দুই ধারে পার্পল কালারের জাফরানের ফুলের দেখা মিলবে।

এছাড়া বর্ষার যে আলাদা একটা সৌন্দর্য্য আছে সেটা আরও দ্বিগুন হয়ে যায় কাশ্মীরে। তাই এটার সৌন্দর্য্য ভিন্ন। এসময় অফ সিজন হওয়ায় সব কিছুর দাম অনেক কম থাকে।

কাশ্মীর যেতে হলে ভিসায় কোন পোর্ট দিলে সুবিধা?

কাশ্মীর ভ্রমনে আপনার যদি বাজেট সমস্যা না থাকে এবং আরামদায়ক ভ্রমণ চান তাহলে আমি বলবো, আপনি বাই এয়ারে ঢাকা থেকে সরাসরি দিল্লী চলে যান। এক্ষেত্রে আপনার অনেকটা সময় বাঁচবে কিন্তু টাকা সামান্য বেশী পড়বে। বাই এয়ারে এছাড়াও ঢাকা থেকে কলকাতা চলে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে সময় বাঁচবে অনেকটা, টাকা বেশী লাগবে খানিকটা।

আর আপনি যদি বাজেট ট্রাভেলার হন, তাহলে অবশ্যই বাই রোডে কলকাতা যেতে হবে। আর সেক্ষেত্রে আপনার পোর্ট হবে বেনাপোল/হরিদাসপুর।

আবার আপনার কাছে যদি রেল বা ট্রেন জার্নি আরামদায়ক মনে হয় সেক্ষেত্রে দর্শনা/গেদে পোর্ট ব্যবহার করতে পারেন ঢাকা থেকে কলকাতা পর্যন্ত ট্রেনে যাওয়ার জন্যে।