ঐতিহাসিক আশুরা মুসলমানদের জন্য ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। খোলাফায়ে রাশেদিনের শান্তিপূর্ণ ইসলামী সমাজকে রাজতন্ত্রের কষাখাতে ক্ষত-বিক্ষত করার শোকাহত দিন ১০ই মহররম-আশুরা। দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশের শিয়া সম্প্রদায় নানা আয়োজনে ইমাম হোসেনকে (রাঃ) স্মরণ করে থাকেন। এই দিনে মহানবী হযরত মহাম্মাদ (সাঃ) প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রাঃ) শহীদ হন। এদিন শোকের দিন মুসলিম উম্মার জন্য।তবে এদিনটি শিয়ারাই আনুষ্ঠানিক পালন করে। ইমাম হোসেনের ভক্তরা বেহুশ হয়ে তাদের শরীরকে রক্তাত্ত করতে থাকে। তখন ভক্তদের স্বাভাবিক জ্ঞান থাকে না। তাদের সাথে বাকিরাও শোক করতে থাকে।
ইসলামে ১০ মহররম বা আশুরার দিনটি বেশ কয়েকটি ঘটনার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিন হজরত মূসা (আঃ) ফেরাউনের কবল থেকে তার অনুসারীদের মুক্ত করেন এবং ফেরাউন ও তার সেনাবাহিনীর সলিল সমাধি ঘটে। কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এদিন মূসা (আঃ) রোজা রেখেছিলেন। একই কারণে ইহুদিরা এ দিনে রোজা রাখেন। সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে এ দিনে রোজা রেখেছেন এবং উম্মতকে এদিনে রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
আশুরার রোজার নিয়ম ও সময়সূচি
- কয়টি রোজা: আশুরা উপলক্ষে ২টি রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং এটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত।
- কখন রাখবেন: সবচেয়ে উত্তম হলো মহররমের ৯ এবং ১০ তারিখে রোজা রাখা। কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে ১০ এবং ১১ তারিখে রাখা যায়।
- সম্ভাব্য দিন: হিসাব অনুযায়ী ২০২৭ সালের ১৪ ও ১৫ জুন (সোমবার ও মঙ্গলবার) অথবা ১৫ ও ১৬ জুন (মঙ্গলবার ও বুধবার) এই রোজাগুলো রাখতে হবে।
সকলের প্রতি অনুরোধ, এই বর্ষায় এডভেঞ্চার এর নেশায় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকবেন। মনে রাখবেন, জীবন একটাই, আর একটা দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। তাই আমাদের সবার ভ্রমণ নিরাপদ হোক এটাই হোক আমাদের সকলের চাওয়া।