গিলি আইল্যান্ড’স

ভালো লেগেছে
2

বালি দ্বীপপুঞ্জের পূর্বদিকে রয়েছে লম্বক দ্বীপপুঞ্জ। লম্বকের সবচেয়ে জনপ্রিয় জায়গা হলো গিলি আইল্যান্ড। সাসাক ভাষায় গিলি মানে ছোট। গিলি আইল্যান্ড’স ইন্দোনেশিয়ার তিনটি ছোট ছোট সুন্দর দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত –  গিলি ত্রাওয়ানগান, গিলি মেনো এবং গিলি এয়ার।  বালিতে বেড়াতে গেলে অনেকেই এই জায়গার নাম শুনে থাকবেন যার সুন্দরের বর্ণনা আসলে কিছু ছবি দিয়ে বোঝানো সম্ভব না। পানির অদ্ভুত সুন্দর নীল রঙ যা কিনা দিনের একেক সময় একেক বর্ন ধারন করে, ঘোড়ার গাড়ির টক টক শব্দ, ভ্রমণকারীদের সাইকেল চালানোর ধুম, সামুদ্রিক মাছের খাবারের মন মাতানো সুগন্ধ, চমৎকার পরিবেশে রাতভর গানের সাথে বিচে খাবারের রেস্টুরেন্ট, সব মিলেয়ে সারা জীবন মনে রাখার মত কিছু অভিজ্ঞতা হবে। পাশাপাশি কিছু রোমাঞ্ছকর একটিভিটি যেমন স্কুভা ডাইভিং, স্নরকেলিং, আন্ডার ওয়াটার ওয়াকিং, গ্লাস বোটে ভ্রমন করতে পারলে খুবই ভালো লাগবে। খরচ প্রতিটা $২০-৫০ এর মত। দরদাম করে নিবেন।

গিলি ত্রাওয়াংগান (Gili Trawangan) এ এক রাত থাকতে পারেন সুন্দর কোনো রিসোর্টে। Perfect destination for honeymoon. ভাড়া পড়বে বাংলাদেশী টাকায় ২০০০-৬০০০ টাকার মধ্যে। ছবির মতো সুন্দর গিলিতে কোনো গাড়ি বা যানবাহন নেই। ঘোড়ার গাড়ি আর সাইকেল হচ্ছে বাহন। ঘন্টা হিসেবে সাইকেল ভাড়া করে ঘুরতে পারবেন এই দ্বীপটাতে। এখানে আপনি স্নোরকেলিং করতে পারবেন জনপ্রতি দেড় লাখ রুপিয়াতে। ৪ ঘন্টার এই ট্যুরে আপনাকে গিলি মেনো (Gili Meno) আর গিলি এয়ার (Gili Air) ঘুরে টার্টেল রিফ, ফিশ রিফ আর কোরাল আইল্যান্ড ঘুরে দেখাবে স্পিড বোটে আর সমুদ্রের নিচে সাঁতার কেটে আসবেন লাইফ জ্যাকেট, মাস্ক পরে। অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে। রাতে বিচ পার্টিতে ডিজে’র তালে তালে সময়টা উপভোগ করতে পারেন।

কিভাবে যাবেন

বালিতে যেখানে থাকবেন, স্পেশালি কুটাতে আশে পাশেই অনেক ইনফরমেশন বুথ পাবেন যেখান থেকে নিজের ইচ্ছেমত প্যাকেজ নিতে পারবেন। বালি থেকে গিলি যেতে আপনাকে ফাস্ট বোট এর টিকেট করতে হবে। জনপ্রতি ৫ লক্ষ রুপিয়া বা বাংলাদেশী ৩০০০ টাকার মতো খরচ পরবে রিটার্ন টিকেট সহ। অনলাইনে বা ট্যুর গাইড থেকেও টিকেট কিনতে পারেন তবে দাম নিয়ে একটু দামাদামি করে কমাতে পারবেন। ওরাই আপনাকে হোটেল থেকে পিক করে ওদের গাড়িতেই পাদাম হারবারে পৌঁছে দিবে। গাড়িতে ১.৩০ ঘন্টা লাগে জেটিতে যেতে। ওখান থেকে গিলি পৌঁছাতে বোটে লাগবে ২ থেকে ২.৩০ ঘন্টা।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।

  1. আমার কাছে মনে হয় সমুদ্রটা দেখা উচিত যেখানে লোকজনের চাপ নাই, চারপাশ নিরিবিলি, আকাশের চাঁদ তাঁরা সব দৃশ্যমান আর এর জন্য গিলির চেয়ে ভালো জায়গা পাওয়া প্রায় অসম্ভব।