ভ্রমণ সম্পর্কিত কিছু টিপস

যুক্ত করা হয়েছে

ভ্রমণ সম্পর্কিত কিছু টিপস

    • ট্যুরে সারাদিন কী করবেন, তা আগেই একটি পরিকল্পনা করুন। এতে সারাদিনে সময় কিছু বাঁচবে, সব রকম পরিস্থিতির জন্যও আপনি মোটামুটি প্রস্তুত থাকবেন।
    • ট্যুরে ঠিক কত টাকা খরচ করবেন, সে ব্যাপারটি আগে থেকেই ঠিক করে নিন। তারপর বাজেট অনুসারে খরচ করুন। মানে রাখবেন, এ ক্ষেত্রে বেহিসাবি হলে আপনার সামনে হাজির হতে পারে নানা ঝুট-ঝামেলা থেকে শুরু করে বড় ধরনের দুর্যোগ!
    • হোটেলে থাকলে হোটেল ভাড়া ও আনুষাঙ্গিক খরচের খোঁজ নিয়ে রাখুন আগে থেকেই। আর ক্যাম্প করলে সেটির উপযোগিতা ও নিরাপত্তার বিষয়টিও নিশ্চিত হয়ে নিন।
    • ট্যুরে সব যে সুষ্ঠ-সুন্দর হবে- এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। না চাইলেও সামনে পড়তে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত নানা ঝামেলা। সেগুলো কীভাবে সামলাবেন, তার প্রাথমিক প্রস্তুতি আগে থেকে নিয়ে রাখাই ভালো।
    • কী কী খাবেন আর কোন সময়টায় ঘুমাবেন- আপাতদৃষ্টিতে এ বিষয়গুলোকে অনেকেই গুরুত্ব না দিলেও, এগুলো কিন্তু জীবনের অপরিহায অংশ। তাই এ-সংক্রান্ত একটি তালিকা আগে থেকেই ঠিক করে নিন।
    • টুরিস্ট রেস্টুরেন্টগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। যেখানে বেড়াতে গিয়েছেন সেখানে আশেপাশে ঘুরে, লোকাল বসবাসকারীরা যেখানে খায় সেখানে খাওয়া-দাওয়া সারবেন। খরচটা কমবে উল্লেখযোগ্যভাবে।
    • একদম ভ্রমণ মৌসুমে বা পূজার সময় না গিয়ে একটু কম টুরিস্টের সমাগম হয় এমন সময়ে ভ্রমণে যান। গ্রীষ্মের ছুটি বা বছর শেষের শীতের বন্ধের সময়টি ভ্রমণের সবথেকে উপযুক্ত মৌসুম বলে বিবেচনা করা হয়। একদম এ সময় না গিয়ে এর কাছাকাছি কোন সময়ে যেতে পারেন। তবে ভ্রমণ স্থানে অফ-সিজনে যাওয়াটা একদমই উচিত নয়।
    • একটা শহরের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের জন্য বাসই সবচেয়ে উত্তম পন্থা। ভ্রমণের স্থান সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকলে ট্যাক্সি বা রেন্ট-এ-কার এ অনেক সময় অনেক অযাচিত অবস্থায় পড়তে হতে পারে।
  • কোথায় গাড়ি পার্ক করছেন এ ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকুন, কেননা চোরেরা টুরিস্টের গাড়ি বুঝতে পারলে চুরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • জলের একটি বোতল সাথে রাখুন। রেস্টুরেন্ট বা হোটেল থেকে এই বোতলে জল রিফিল করে নিন।
  • আপনি যদি গ্রীষ্মে কোথাও ভ্রমন করেন বা উষ্ম আবহাওয়ার কোথাও ঘুরতে যান তাহলে এমন কোনো হোটেলে উঠুন যেখানে গরম-ঠাণ্ডা উভয় জলের ব্যবস্থাই আছে।
  • কোন জায়গা ঘুরতে গেলে কম সময়ে সাশ্রয়ীভাবে তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটা উপায় হল- চেষ্টা করুন ওই জায়গার কোনো উৎসব বা ফেস্টিভাল এ অংশগ্রহণ করতে।
  • যদি আপনি ভ্রমণের খরচটা বাঁচানোর সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে চান তাহলে ভ্রমণকারী গ্রুপে বা বন্ধুরা দলবদ্ধ হয়ে ভ্রমনে যেতে পারেন।
  • অবশ্যই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে ওয়েবসাইটে এবং ট্যুর গাইডবুক থেকে সে স্থান সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন। ট্যুরিজম ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে সেখানের সম্পর্কিত হোটেল বা এয়ারলাইনে কী কী অফার চলছে তা জেনে নিন এবং দাম তুলনা করে নিন।
  • সবশেষে যে বিষয়টি কোনো ভাবেই ভুললে চলবে না, তা হল ফার্স্ট এইড বক্স। জামাকাপড়ের সঙ্গে একটি ছোটো পাউচে জ্বর, পেট খারাপ, অ্যাসিডিটি, বমি, মাথা ধরার ওষুধ নিয়ে নিন। আরো নিন ব্যান্ড এইড, অ্যান্টিসেপটিক, পরিমাণ মতো তুলো ও গজ। এগুলো সঙ্গে থাকলে অনেক বড় বিপদ থেকেও রক্ষা পাওয়া সম্ভব।