বাংলাদেশ · গন্তব্য

রাঙ্গামাটি

২৮টি দর্শনীয় স্থানের গাইড

Explore

দর্শনীয় স্থানসমূহ

ছবি, গল্প আর দিকনির্দেশ — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।

ঘাগড়া ঝর্ণা

ঘাগড়া ঝর্ণাটি (Ghagra Waterfall) রাঙ্গামাটির চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এলাকাটি কলাবাগান নামেও পরিচিত। তাই স্থানীয়ভাবে…

গাছকাটা ঝর্ণা

গাছকাটা ঝর্ণা (Gaskata Waterfall), রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার গাছকাটাতে অবস্থিত একটি ঝর্ণা যা ধন্দতাং (Dhondtang Jhorna) ঝর্ণা নামেও পরিচিত।…

২ দিন ২,৮০০ টাকা

রঙরাং

রঙরাং পাহাড়ের চূড়ায় না উঠলে রাঙামাটির সৌন্দর্য অপূর্ণ থেকে যাবে। পাহাড়ের কোলঘেঁষে বয়ে গেছে মোহনীয় কর্ণফুলী। কর্ণফুলীর পাশে…

দুমলং পর্বত

দুমলং (Dumlong) বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত বিলাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি পর্বতশৃঙ্গ। বেসরকারিভাবে এটিকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বলে দাবী করা…

মুপ্পোছড়া ঝর্ণা

ধুপপানি ঝর্ণা রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাঙ্গালকাটা নামক স্থানে অবস্থিত। অনিন্দ্য সুন্দর মুপ্পোছড়া। ঝর্ণার কলতান এবং জলকণা থেকে ধোয়া হয়ে আসা…

ধুপপানি ঝর্ণা

ধুপপানি ঝর্ণা (Dhuppani Waterfall) রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের ওড়াছড়ি নামক স্থানে অবস্থিত। অনেকে এটিকে দুপপানি ঝর্না…

২ দিন ২,৫০০ টাকা

Travel notes

যাত্রা ও তথ্য

সড়ক, নৌপথ, ভাড়া আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।

আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা রাঙ্গামাটি। প্রাচীনকালে এ জেলায় প্রচুর পরিমান কার্পাস তুলা পাওয়া যেতো, যার নামানুসারে কার্পাসমহলই ছিল এ জেলার প্রাচীন নাম। বর্তমানে এখানকার প্রাকৃতিক রূপ-বৈচিত্র্যে খ্যাতি পেয়েছে ‘রূপের রানী’ হিসেবে। পাহাড়, নদী ও লেকবেষ্টিত একটি বৈচিত্রময় জনপদ যেখানে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, চাক্‌, পাংখোয়া, লুসাই,  সুজে সাওতাল , রাখাইন সর্বোপরি বাঙ্গালীসহ ১৪টি জনগোষ্ঠির বসবাস। উল্লেখ্য এখানে কিছু অসমীয়া ও গুর্খা সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে।

রাঙ্গামাটির দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতমঃ কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে, কর্ণফুলী হ্রদ, পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝর্ণা, শুকনাছড়া ঝর্ণা, ধুপপানি ঝর্ণা, মুপ্পোছড়া ঝর্ণা, পেদা টিং টিং, টুকটুক ইকো ভিলেজ, রাইংখ্যং পুকুর, রাজবন বিহার, ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি, কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার, সাজেক ভ্যালী, ন-কাবা ছড়া ঝর্ণা, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র, কাট্টলী বিল, তিনটিলা বনবিহার।

রাঙ্গামাটি যাওয়ার উপায়

ঢাকার ফকিরাপুল মোড় /সায়দাবাদ জনপদের মাথায় রাঙ্গামাটি গামী অসংখ্য বাস কাউন্টারের অবস্থান। সকল বাসই সকাল ৮.০০ হতে ৯.০০ টা এবং রাত ৮.৩০ হতে ১১.০০ এর মধ্যে ঢাকা ছাড়ে। ভাড়াঃ ঢাকা-রাঙ্গামাটিঃ এসি ৯০০ টাকা (শ্যামলী), বিআরটিসি এসি ৭০০ টাকা, নন এসি সকল বাস- ৬২০ টাকা।

চট্টগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটি

চট্রগ্রামের অক্সিজেন এলাকার রাঙামাটির বাস টার্মিনাল যেতে হবে। এখান থেকে আধ ঘন্টার ব্যবধানে আপনি পাবেন পাহাড়ীকা ও লোকাল বাস সার্ভিস। পাহাড়ীকা বাসের ভাড়া ১১০ টাকা এবং লোকাল বাসের ভাড়া ৮৫টাকা। পাহাড়ীকা বাসে সময় লাগে আড়াই ঘন্টা এবং লোকাল বাসে ৩-সাড়ে ৩ ঘন্টা। সকাল ৭টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত পাওয়া যায় বাস।

এছাড়া যারা আরামদায়ক ভ্রমন করতে চান, তাদের জন্য আছে বিলাস বহুল সার্ভিস এস. আলম, ইউনিক, হানিফ ও বিআরটিসি। এসব বাস সার্ভিসের ভাড়া ১০০-১২০টাকা। সময় লাগবে ২.৩০-৩ ঘন্টা।

এছাড়া নিজস্ব গাড়ী অথবা ভাড়া করা মাইক্রো, কার, ক্যাব নিয়েও আপনি যেতে পারবেন রাঙামাটি।

রাঙ্গামাটির কোথায় থাকবেন

রাঙামাটিতে পর্যটকদের থাকার জন্য বেশ কিছু ভালমানের হোটেল আছে যেমন, তেমনি আছে মাঝারি মানের হোটেলও।

ভালোমানের হোটেলের মধ্যে হোটেল সুফিয়া, নীডস হিল ভিউ, মোটেল জর্জ, হোটেল গ্রীন ক্যাসেল, শাইনিং হিল গেষ্ট হাউজ, টুকটুক ইকো ভিলেজ, হোটেল আনিকা অন্যতম। ভাড়া ৫০০টাকা হতে ২০০০টাকা পর্যন্ত।

কমদামী হোটেলগুলোর মধ্যে আছে মধুমিতা, সৈকত, শাপলা, ডিগনিটি, সমতা, উল্লেখযোগ্য। এগুলো ভাড়া সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

এছাড়া পর্যটনের রয়েছে নিজস্ব মোটেল। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। রয়েছে ছোট ছোট কটেজ। কটেজগুলোর প্রতি রাতের ভাড়া ৩০০০-৫০০০ টাকা। সরকারি বিভিন্ন দফতরের রেষ্ট হাউস, গেষ্ট হাউস এবং বাংলোগুলো নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ এবং অনুমতি সাপেক্ষে ভাড়া দেওয়া হয়।