সাজেক ভ্যালি

ভালো লেগেছে
67
ট্রিপ
২ দিন
খরচ
৩৫০০ টাকা

সাজেক ভ্যালি (Saejk Valley) রাঙ্গামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেক হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন, যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল। সাজেক এর উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিনে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা। সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও এর যাতায়াত সুবিধা খাগড়াছড়ি এর দীঘিনালা থেকে। রাঙামাটি থেকে নৌপথে কাপ্তাই হয়ে এসে অনেক পথ হেঁটে সাজেক আসা যায়। খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। আর দীঘিনালা থেকে ৪৯ কিলোমিটার। বাঘাইহাট থেকে ৩৪ কিলোমিটার।

খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা আর্মি ক্যাম্প হয়ে সাজেক যেতে হয়। পরে পরবে ১০ নং বাঘাইহাট পুলিশ ও আর্মি ক্যাম্প। যেখান থেকে আপনাকে সাজেক যাবার মূল অনুমতি নিতে হবে। তারপর কাসালং ব্রিজ, ২টি নদী মিলে কাসালং নদী হয়েছে। পরে টাইগার টিলা আর্মি পোস্ট ও মাসালং বাজার। বাজার পার হলে পরবে সাজেকের প্রথম গ্রাম রুইলুই পাড়া যার উচ্চতা ১৮০০ ফুট। এর প্রবীণ জনগোষ্ঠী লুসাই। এছাড়া পাংকুয়া ও ত্রিপুরারাও বাস করে। ১৮৮৫ সালে এই পাড়া প্রতিষ্ঠিত হয়। এর হেড ম্যান লাল থাংগা লুসাই। রুইলুই পাড়া থেকে অল্প সময়ে পৌঁছে যাবেন সাজেক। সাজেক এর বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিজিবি ক্যাম্প। এখানে হেলিপ্যাড আছে।

সাজেক এর রুইলুই পাড়া থেকে দুই থেকে আড়াই ঘন্টার ট্রেকিং করে দেখে আসতে পারেন সুন্দর কমলক ঝর্ণাটি। কমলক ঝর্ণাটি অনেকের কাছে পিদাম তৈসা ঝর্ণা অথবা সিকাম তৈসা ঝর্ণা নামে পরিচিত।

সাজেক এর শেষ গ্রাম কংলক পাড়া। এটিও লুসাই জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত পাড়া। এর হেড ম্যান চৌমিংথাই লুসাই। কংলাক পাড়া থেকে ভারতের লুসাই পাহাড় দেখা যায়। যেখান থেকে কর্ণফুলী নদী উৎপন্ন হয়েছে। সাজেক বিজিবি ক্যাম্প এর পর আর কোন ক্যাম্প না থাকায় নিরাপত্তা জনিত কারণে কংলক পাড়ায় মাঝে মাঝে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। ফেরার সময় হাজাছড়া ঝর্ণা, দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রিজ ও দীঘিনালা বনবিহার দেখে আসতে পারেন।

সাজেক ভ্রমণের সেরা সময় কখন?

সারা বছরই সাজেক ভ্রমণ করা যায় শুধু মাত্র ভরা বর্ষায় পাহাড়ি রাস্তায় ভ্রমণ না করাই উত্তম। রাস্তায় ধ্বস থানমে পারে, পাহাড়ি ধ্বস হতে পারে। তাই বর্ষার পরে শীতের শুরুর দিক পর্যন্ত সাজেক ভ্রমণের আদর্শ সময়। এই সময় মেঘও পাওয়া যায় প্রচুর। গরমটা এড়িয়ে প্ল্যান করাটাই উত্তম।

দীঘিনালা থেকে সাজেক যাওয়ার সেনাবাহিনীর এসকর্ট শুরু হয় কখন?

দীঘিনালা থেকে সেনাবাহিনীর এসকোর্ট শুরু হয় সকাল ১০টায় এবং আরেকটি শুরু হয় ৩টায়। একইভাবে সাজেক থেকে সকাল ১০টায় এবং বিকেল ৩টায় আর্মির এসকর্ট শুরু হবে। আপনাকে এই এসকর্ট এর সাথে যেতে আসতে হবে। সকালের এসকোর্ট ধরতে না পারলেও বিকেলের এসকর্টে যেতে পারবেন কিন্তু বিকেলের এসকর্ট মিস করলে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

নিজস্ব গাড়ি নিয়ে সাজেক যেতে চাইলে সম্ভব? সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোন ফরমালিটিস আছে কি?

না, আপনি চাইলে আপনার নিজস্ব গাড়ি নিয়ে সাজেক যেতে পারবেন। অতিরিক্ত কোন কিছু করতে হবে না এক্ষেত্রে। তবে মনে রাখবেন খাগড়াছড়ির পরে আর কোন ফিলিং স্টেশন পাবেন না।

Sajek Valley Travel Tshirt

Sajek Valley

Price: 500 BDT
Size: M, L, XL, XXL, 3XL
Baby Size: 3-5Y
Fabrics: Jersey

সাজেক যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে শ্যামলী, হানিফ ও অন্যান্য পরিবহনের বাসে খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন। ভাড়া পড়বে ৫২০ টাকা। এ ছাড়া সরাসরি দীঘিনালা যেতে চাইলে শান্তি পরিবহনের বাস যায়। ভাড়া ৫৮০ টাকা। এছাড়াও বিআরটিসি ও সেন্টমার্টিন পরিবহনের এসি বাস খাগড়াছড়ি যায়।

  • সেন্টমার্টিন পরিবহন, আরামবাগঃ ০১৭৬২৬৯১৩৪১, ০১৭৬২৬৯১৩৪০ খাগড়াছড়িঃ ০১৭৬২৬৯১৩৫৮
  • শ্যামলী পরিবহন – আরামবাগঃ ০২-৭১৯৪২৯১ কল্যাণপুরঃ ৯০০৩৩৩১ , ৮০৩৪২৭৫ আসাদগেটঃ ৮১২৪৮৮১ , ৯১২৪৫৪ দামপাড়া (চট্টগ্রাম) ০১৭১১৩৭১৪০৫, ০১৭১১৩৭৭২৪৯
  • শান্তি পরিবহন – আরামবাগ ( ঢাকা ) – ০১১৯০৯৯৪০০৭ অক্সিজেন(চট্টগ্রাম) ০১৮১৭৭১৫৫৫২

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক যেতে চান্দের গাড়ি এবং মাহিন্দ্রা গাড়ির ভাড়ার তালিকা

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এক গাড়িতে করে ১২-১৪ জন করে খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর থেকে মাহিন্দ্রা বা চান্দের গাড়ি রিজার্ভ নিয়ে সাজেক ভ্যালি ঘুরে আসতে পারবেন। ভাড়ার তালিকা নিচে দেয়া হয়েছে।

যাত্রাপথপ্রকৃত ভাড়াস্থান সমূহ
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকচান্দের গাড়ির ভাড়ার ৫১০০ টাকা, মাহিন্দ্রা গাড়ির ভাড়া ৫৪০০ টাকাযাওয়া-আসা দিনে দিনে
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকচান্দের গাড়ির ভাড়া ৬৬০০ টাকা, মাহিন্দ্রা গাড়ির ভাড়া ৭৭০০ টাকাএক রাত্রী যাপন
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকচান্দের গাড়ির ভাড়া ৮১০০ টাকা, মাহিন্দা গাড়ির ভাড়া ৯৭০০ টাকাএক রাত্রী যাপন (আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা
ঝুলন্ত ব্রীজ ফুল প্যাকেজ)
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকচান্দের গাড়ির ভাড়া ৮৬০০ টাকা, মাহিন্দ্রা গাড়ির ভাড়া ১০৫০০ টাকাদুই রাত্রী যাপন
খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকচান্দের গাড়ির ভাড়া ১০৫০০, মাহিন্দ্রা গাড়ির ভাড়া ১২৫০০ টাকাদুই রাত্রী যাপন (আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা
ঝুলন্ত ব্রীজ ফুল প্যাকেজ

খাগড়াছড়ি জীপ মালিক সমিতি, যোগাযোগ- ০১৬৪১৬৪৪২৪৪, ০৩৭১-৬১২৮৩

সাজেক যেতে সিএনজি ভাড়ার তালিকা

লোক কম হলে শহর থেকে সিএনজি নিয়েও যেতে পারবেন। যদিও সিএনজি নিয়ে যাওয়াটা খুব ঝুকিপূর্ণ। অভিজ্ঞ না হলে উল্টে যাবার সম্ভাবনা থাকে। অথবা খাগড়াছড়ি শহর থেকে দীঘিনালা গিয়ে সাজেক যেতে পারবেন। বাসে দীঘিনালা জন প্রতি ৪৫ টাকা এবং মোটর সাইকেলে জন প্রতি ভাড়া ১০০ টাকা। দীঘিনালা থেকে ১০০০-১২০০ টাকায় মোটর সাইকেল রিজার্ভ নিয়েও সাজেক ঘুরে আসতে পারবেন। ফেরার সময় অবশ্যই সন্ধ্যার আগে আপনাকে বাঘাইহাট আর্মি ক্যাম্প পার হতে হবে। তা না হলে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। ক্যাম্পের ছবি তোলা নিষেধ এই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখবেন।

যাত্রাপথপ্রকৃত ভাড়াস্থান সমূহ
খাগড়াছড়ি টু সাজেক২,১০০/-শুধু যাওয়া
খাগড়াছড়ি টু সাজেক৩,০০০/-যাওয়া-আসা দিনে দিনে
খাগড়াছড়ি টু সাজেক৩,৯০০/-এক রাত্রী যাপন
খাগড়াছড়ি টু সাজেক৪,৯০০/-দুই রাত্রী যাপন
খাগড়াছড়ি টু সাজেক৪,৯০০/-এক রাত্রী যাপন (আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা
ঝুলন্ত ব্রীজ ফুল প্যাকেজ)
খাগড়াছড়ি টু সাজেক৫,৯০০/-দুই রাত্রী যাপন (আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা
ঝুলন্ত ব্রীজ ফুল প্যাকেজ)

খাগড়াছড়ি সিএনজি সমিতি, মােবাইলঃ ০১৮৪১০৪৮২০০, ০১৮৪১০৪৮২১১

রাঙ্গামাটি থেকে সাজেক যাওয়ার উপায়

রাঙামাটি থেকে সাজেক ভ্রমণ করার জন্য সড়ক ও নৌপথে আলাদা রুট আছে। রিজার্ভ বাজার লঞ্চঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ১০টার মধ্যে বাঘাইছড়ির লঞ্চ ছাড়ে। যেতে ৫/৬ ঘন্টা সময় লাগে। ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা। এছাড়া রাঙামাটি বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৭ঃ৩০ মিনিটে বাস ছাড়ে। ২শ টাকা ভাড়া ও ৫/৬ ঘন্টা সময় লাগে। বাঘাইছড়ি থেকে মোটর সাইকেলে সাজেক যাওয়া যায়। আসা যাওয়া জনপ্রতি ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা।

চট্টগ্রাম থেকেও খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন। BRTC এসি বাস (চট্টগ্রাম) কদমতলীঃ ০১৬৮২৩৮৫১২৫ খাগড়াছড়িঃ ০১৫৫৭৪০২৫০৭

কোথায় খাবেন

সাজেকে খাওয়ার রেস্টুরেন্ট এর এখন অভাব নেই। ভালো মানের রেস্টুরেন্টের মধ্যে আছে – ফুডানকি রেস্টুরেন্ট, চিম্বাল রেস্টুরেন্ট, মারুতি দিদির রেস্টুরেন্ট, কাশবন রেস্টুরেন্ট, মনটানার রেস্টুরেন্ট। এদের খাবার ভাল, প্রতিবেলা ২০০ টাকায় ডাল, ভাত, সবজি দেশী মুরগী প্যাকেজ খাবার পাওয়া যায়। বারবিকিউ করতে চাইলে ২২০/২৫০ টাকা।

খাগড়াছড়ি শহরের কাছেই পানখাই পাড়ায় ঐতিহ্যবাহী সিস্টেম রেস্তোরার (System Restaurant) অবস্থান। এখানে খাগড়াছড়ির ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে পারবেন। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬৩৪, ০১৫৫৬৭৭৩৪৯৩, ০১৭৩২৯০৬৩২২ খাওয়া দাওয়া শেষে টুপ করে বেরিয়ে আসুন কাছের নিউজিল্যান্ড পাড়া থেকে।

সাজেকে থাকার হোটেল/রিসোর্ট

খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল সহ বিভিন্ন মানের থাকার হোটেল আছে। দীঘিনালায় কয়েকটি হোটেল থাকলেও দীঘিনালা গেস্ট হাউজের মান কিছুটা ভালো।

সাজেকের রিসোর্ট

  • সাজেক রিসোর্ট – এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত রিসোর্ট। যার দ্বিতীয় তলায় চারটি কক্ষ আছে। খাবারের ব্যবস্থা আছে। যোগাযোগঃ ০১৮৫৯০২৫৬৯৪ / ০১৮৪৭০৭০৩৯৫।
  • রুন্ময় রিসোর্ট – এটি সাজেকে অবস্থিত। এর নীচ তলায় তিনটি কক্ষ আছে। প্রতিটি কক্ষে ২ জন থাকতে পারবেন। অতিরিক্ত টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। চারটি তাবু আছে, প্রতি তাবুতে চার জন থাকতে পারবেন। যোগাযোগঃ ০১৮৬২০১১৮৫২।
  • ইমানুয়েল রিসোর্ট – এটিতে ৮ টি রুম আছে। সবগুলো কমনবাথ। যোগাযোগ: ০১৮৬৫৩৪৯১৩০, ০১৮৬৯৪৯০৮৬৮ (মইয়া লুসাই) ( বিকাশ) এই রিসোর্টটা একদম সাধারণ একটা রিসোর্ট, বন্ধু বান্ধব বা যাদের থাকা নিয়ে কোন অভিযোগ নেই তারা এখানে থাকতে পারেন মেয়ে বা পরিবারের জন্য এটা আদর্শ রিসোর্ট নয়।
  • সারা রিসোর্ট – এটি রুইলুই পাড়ায় অবস্থিত। এর মালিক রুইলুই পাড়ার কারবারী মনা দাদা। এখাণে ৪ টি রুম আছে। তিনটি এটাচ বাথ। একটি কমন বাথ। প্রতি রুমে একটি খাট আছে। ২ জন থাকা যাবে। রুম গুলো একটু ছোট। টিনের তৈরী। সোলার আছে। যোগাযোগ: ০১৫৫৪৫৩৪৫০৭।
  • মেঘ মাচাং রিসোর্ট – ভাড়া পড়বে আনুমানিকঃ ২৫০০ – ৩৫০০ টাকার মত। যোগাযোগ – ০১৮২২১৬৮৮৭৭
  • মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট – ফোন নাম্বার ০১৯১১৭২২০০৭ ভাড়া আনুমানিক ২৫০০-৩০০০ টাকা প্রতিরাত।
  • ছায়ানীড় ইকো রিসোর্ট (Chayanir Eco Resort) – +8801881164864
  • জুমঘর এর ফোন নাম্বার – ০১৮৮৪-২০৮০৬০

দীঘিনালা গেস্ট হাউজ

এটি দীঘিনালা শহরের বাস স্ট্যান্ডের উল্টো পাশে অবস্থিত। এটি দীঘিনালার আবাসিক হোটেল গুলোর মধ্যে একটু মানসম্মত। নূর মোহাম্মদ(ম্যানেজার) – ০১৮২৭৪৬৮৩৭৭

খাগড়াছড়ি থাকবার হোটেল/রিসোর্ট

  • পর্যটন মোটেল – এটি শহরে ঢুকতেই চেঙ্গী নদী পার হলেই পরবে। মোটেলের সব কক্ষই ২ বিছানার। মোটেলের অভ্যন্তরে মাটিতে বাংলাদেশের মানচিত্র বানানো আছে। তবে পুরো খাগড়াছড়ি জেলায় বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে ভোল্টেজ ওঠানামা করায় এসি রুমগুলো নন-এসি হিসেবে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫
  • হোটেল ইকো ছড়ি ইন – খাগড়াপুর ক্যান্টর্মেন্ট এর পাশে পাহাড়ী পরিবেশে অবস্থিত। এটি রিসোর্ট টাইপের হোটেল। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬২৫, ৩৭৪৩২২৫
  • হোটেল শৈল সুবর্ন – ০৩৭১-৬১৪৩৬, ০১১৯০৭৭৬৮১২
  • হোটেল জেরিন – ০৩৭১-৬১০৭১
  • হোটেল লবিয়ত – ০৩৭১-৬১২২০, ০১৫৫৬৫৭৫৭৪৬, ০১১৯৯২৪৪৭৩০
  • হোটেল শিল্পী – ০৩৭১-৬১৭৯৫
×

প্রতিটি জায়গা পরিদর্শনের পাশাপাশি সৌন্দর্য রক্ষা করাও প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। এক্ষেত্রে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।

  1. খুব ভালো লাগলো, তবে ফ্যামিলি নিয়ে ২-৩জন খাগড়াছড়ি বা দিঘীনালা হতে সাজেক যাওয়ার ভালো উপায় কোনটা???

    1. CNG নিয়ে যেতে পারেন কিংবা সম্ভব হলে কোন গ্রুপের সাথে মিলে চান্দের গাড়িতে শেয়ারে যেতে পারেন।

  2. Thanks For Tips..

  3. It’s a nice Website about tour n travel info. Continue it and develop more n more info and dynamic info Just like as searching

  4. If possible please add communication by Bus in details route on Dhaka to Sajek valley & Rangamati & return Dhaka

  5. অনেকের ধারনা সাজেকের প্রধান সৌন্দর্য শুধু আসা যাওয়ার রাস্তা এবং এই রাস্তা চান্দের গাড়ির ছাদে উঠে না গেলে সাজেক যাওয়াই বৃথা। নিতান্তই বোগাস কথা। পুরো দৃশ্যই মোটামুটি রিপিটিভ এবং মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই উৎসাহ নেমে যেতে বাধ্য। তার উপর সিজনভেদে তপ্ত সূর্য আর এইখানে সেইখানে আর্মিদের ঝাড়ি আছেই ! একান্তই ছাদে উঠতে চাইলে লাস্ট ৩০-৪৫ মিনিট যেখানে রাস্তা প্রচুর উঁচু-নিচু সেইখানে এডভেঞ্চারের জন্য উঠা যাইতে পারে। তবে যাওয়ার পথে আমাদের ওভারটেক করা একটা গাড়িরে মোড় ঘুইরাই রাস্তার পাশে এক্সিডেন্ট করে পরে থাকতে দেখেছি, তাই সাবধানে আর কি ! আল্লাহর রহমত যে খুব বড় হতাহত দেখি নাই কিন্তু একজনের মাথা দিয়ে রক্ত পড়ছিলো অবশ্য।

    তবে সাজেকে যদি চুড়ান্ত কোন সুন্দরতম কিছু থেকে থাকে সেইটা সুবহে সাদিকের আকাশ।

  6. বর্ষায় সাজেকের রুপ যেনো শতগুনে বেড়ে যায়। পাহাড়ের কোলে মেঘের খেলা চলে রাত ভর। সারাক্ষনই পাহাড় আর মেঘের মিতালি। আর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই, ষোল কলা পূর্ণ। হাজারফুট উচুতে উঠে যখন মেঘের মাঝে হারিয়ে যাবেন মনে হবে অন্য এক পৃথিবী। সাজেকে সূর্য উদয় এবং সূর্যাস্তের কোন তুলনা হয় না। হারিয়ে যাবেন অন্য রকম এক প্রশান্তিতে। আমার মতে সাজেক এর ফুল ভিউ দেখার জন্য রক প্যারাডাইস রিসোর্ট বেস্ট কারণ এখান থেকে আপনি সাজেক এর যেই রূপ দেখতে পারবেন তা অন্য কোথাও থেকে দেখতে পারবেন না।

  7. পাহাড় আর মেঘের রাজ্য সাজেক যাবার উপযুক্ত সময় বর্ষাকাল। যদিও সময়ে উপর নির্ভর করে সাজেকের সৌন্দর্য অর্থাৎ এক এক সময় সাজেকের সৌন্দর্য এক এক রকম তবে আকাশের মেঘ যদি হাত দিয়ে ছুয়ে দেখতে চান তাহলে বর্ষা হল সাজেক যাবার সঠিক সময়।

  8. ছোটো থেকেই স্বপ্ন ছিল মেঘ ছুঁয়ে দেখার। সারাজীবন মাথার উপর ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘেরা যখন আপনার পায়ের নিচে চলে আসবে বা কখনও আপনাকে ভিজিয়ে দিবে আলতো স্পর্শে, তখন এর অনুভুতি ভাষায় প্রকাশ করা বোকামি। সাজেক এর সৌন্দর্য ঋতু অনুযায়ি পরিবর্তনশীল কিন্তু আমার কাছে বর্ষার সাজেক ভয়ংকর সুন্দর।

    সকালে ঘুম থেকে উঠার পর দেখবেন মেঘ আপনার জানালায় উকি দিচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের আলোর সাথে পাল্লা দিয়ে মেঘের দৌড়াদৌড়ি। দুপুরে খোলা আকাশের নিচে অথবা মেঘ আর পাহাড় দেখতে দেখতে বন মোরগের বেম্বো চিকেন, বাঁশ করোলের তরকারি দিয়ে জুম ভাত খাবার মজা অমৃত। বিকালে এক পাশে সূর্যের লাল আভা অন্য পাশে মেঘের হাতছানি। সন্ধ্যায় যখন হাঁটছিলাম, মেঘ এসে ভিজিয়ে দিচ্ছিলো পুরো শরীরকে। রাতে কটেজে বসে বৃষ্টি উপভোগ আর BBQ চিকেন ছিলো লা জবাব।

  9. চাঁন্দের গাড়ি তে খাগড়াছড়ি – সাজেক যাওয়ার ৩ ঘন্টার মুহূর্তটা ছিল অসাধারণ। কখনো খাড়া ঢাল বেয়ে উপরে আবার কখনো একদম নিচে। চার পাশের উঁচু নিচু পাহাড় মনকে প্রশান্তি দিছিলো। পাহাড়িদের অমায়িক ব্যাবহার, সরলতা মুগ্ধ করেছে আমায় ✌️

  10. যেতে চাইলে অবশ্যই শীতকালে যাবেন, তখন রূপ একদম অসাধারণ, এই পোস্টের যে ঘন সাদা মেঘের ছবিটা দেওয়া হয়েছে সেটাও শীতকালেই তোলা, হোটেল ভাড়া অনেক বেড়ে গেছে আর ওখানে রবি এবং টেলিটকের নেটওয়ার্ক রয়েছে, বাকিগুলোর অবস্থা ভালোনা, তাই সাথে একটা রবি সিম রাখলে বেস্ট হবে। সাজেকে বিদ্যুৎ নেই তবে অনেক কটেজেই সোলার রয়েছে, তবে সাথে পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে গেলে নিশ্চিত থাকতে পারবেন।

  11. অন্যান্য যেকোন সময়ের থেকে বর্ষার সাজেক অনেক বেশি সুন্দর। তখন মেঘেদের আনাগোনা বহুগুণে বেড়ে যায়। হাত বাড়ালেই মেঘ ধরা যায়, মেঘের মধ্যে ডুবে থাকা যায়।

  12. যারা লম্বা ট্রেকিং করে কেওক্রাডং চূড়া থেকে মেঘের ভেলা দেখতে পারবেন না তারা খুব সহজেই সাজেকে গিয়ে দেখে আসতে পারেন।

  13. খাগড়াছড়ি হতে সাজেক এই পথটুকুর চান্দের গাড়ির এই রাইডটা যাত্রাপথের প্রধান আকর্ষণ। চান্দের গাড়ির ছাদে চড়ে সাজেক পর্যন্ত যাওয়ার মজাটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভবই না।

  14. খাগড়াছড়ি কিংবা দিঘিনালা থেকে সাজেক যাবার খরচটা বেশ তাই যদি বন্ধুরা মিলে ঘুরতে যান তবে ৮-১০ জনের গ্রুপে যাবেন। খরচ খুব কমে যাবে। এছাড়া ৪-৫ জনের গ্রুপ হলে সাজেকগামী আরেকটা গ্রুপ খুঁজে নিবেন। এরকম অনেকেই করে থাকে। এতে করে যাতায়াত ভাড়াটাসহ অন্যান্য সাধারণ খরচ শেয়ার করতে পারবেন, গড়ে খরচ কমে যাবে।

  15. Valo laglooo

  16. খাগড়াছড়িতে কোনও সিএনজি ফিলিং স্টেশন নেই। আসার পথে ফেনীতেই সর্বশেষ সিএনজি স্টেশন। যারা প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে যাবেন মাথায় রাখবেন। দিঘীনালার পরে সাজেকের দিকে আর পেট্রোলপাম্পও পাবেন না। বাঘাইহাট বাজারে ২/১টা দোকানে পেট্রোল / ডিজেল পাওয়া যায় তবে সেটার নিশ্চয়তা নাই।

  17. If you haven’t given a visit yet, go there in mosoon. you’ll definitely love it.

  18. আমরা মেল-ফেমেল পাঁচজন পাঁচ দিনের টুরে ঢাকা থেকে সাজাক যেতে চাই আনুমানিক খরচ (মোটামুটি )এবং থাকা -খাওয়া- যাওয়া জানালে উপকৃত হব

  19. আমাদের বাংলার দার্জিলিং যেখানে মেঘ পাহাড়ে মাখামাখি।

  20. Too much crowded and present environment is not so clean..

  21. পাহাড়ের কোলে, মেঘের কাছে এবং সবুজের মধ্যে থাকতে চাইলে সাজেক এর বিকল্প কম।

  22. ঘোরার জন্যে সাজেক অসাধারন একটা জায়গা কিন্তু ২-৪ জনের গ্রুপ্রের জন্যে অনেক ব্যয়বহুল হয়ে যায়। বড় গ্রুপ করে গেলে খুব ভালো।

  23. হোটেলের ভাড়া যেটা উল্লেখ করা হয়েছে তার কোন মিল নেই। বর্তমানে সেখানে সকল রিসোর্ট ও কটেজের মালিকরা মিলে ভাড়া ফিক্সড করেছে। যদি কোন কটেজ মালিক কম রাখে আর সমিতির কানে কোন ভাবে যায় তাহলে……
    আমি আজ ২৮/০৯/২০১৭ কল করে এসব জানতে পেরেছি।