মুপ্পোছড়া ঝর্ণা

ভালো লেগেছে
2

ধুপপানি ঝর্ণা রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাঙ্গালকাটা নামক স্থানে অবস্থিত। অনিন্দ্য সুন্দর মুপ্পোছড়া। ঝর্ণার কলতান এবং জলকণা থেকে ধোয়া হয়ে আসা পানি আপনাকে বিমোহিত করবেই। মুপ্পোছড়ার পাশে বেশ উপরে একটা স্টেপ দিয়ে পানি এসে পড়ছে। একটু ঝুকিপূর্ণ কিন্তু ওখানে উঠতে পারলে সৌন্দর্য্য এর সংজ্ঞা আবার নতুন করে লিখতে চাইবেন। অদ্ভুত সুন্দর এই সৌন্দর্য্য।

যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে কাপ্তাই গিয়ে সেখানের লঞ্চঘাট থেকে একটা ট্রলার ভাড়া করে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটে বিলাইছড়ি। কাপ্তাই থেকে বিলাইছড়ি দুইভাবে যাওয়া যায়। – ট্রলার রিজার্ভ করে অথবা লোকাল ট্রলারে করে। যদি ট্রলার রিজার্ভ করতে চান সেইক্ষেত্রে ভাড়া নিবে ১০০০-১৫০০ এর মধ্যে। অবশ্যই দামাদামি করে নিবেন। আর লোকাল ট্রলারে করে গেলে ৫৫ টাকা করে পড়বে প্রত্যেকজনের। আর লোকাল ট্রলার প্রথমটা ছাড়ে কাপ্তাইঘাট থেকে সকাল ৮.৩০ টায়। তারপর ১/১.৩০ পর পর ছেড়ে যায়। খাওয়া দাওয়া যাওয়ার পথে বিলাইছড়ি বাজারে করে নেবেন।

বিলাইছড়ি এর হাসপাতাল ঘাট থেকে আবার ট্রলার রিজার্ভ করতে হবে বাঙ্গালকাটা পর্যন্ত। ভাড়া নিবে ৬০০-৮০০ টাকা। যেতে সময় লাগবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। বাঙ্গালকাটায় নেমে আপনাকে গাইড ঠিক করতে হবে। গাইড ফি ৩০০-৫০০ টাকা।

তারপর প্রায় আড়াই-তিন ঘন্টার ট্রেকিং শেষে মুপ্পোছড়া ঝর্ণা। যাওয়ার আগে কিছু শুকনো খাবার সাথে করে নিয়ে যেতে ভুলবেন না।

ট্রলারের জন্যে যোগাযোগঃ মাঝির নাম সুজন – ০১৮৬১৭৯২৪৫২

বোট ভাড়াঃ ১০০০-১৫০০ নিবে (কাপ্তাই-বিলাইছড়ি) এবং ৬০০-৮০০ টাকা নিবে (বিলাইছড়ি-বাঙ্গালকাটা)

থাকার ব্যবস্থা

বিলাইছড়িতে থাকার ব্যবস্থা আছে। যদি ট্রলার রিজার্ভ করে যান তাহলে ট্রলারওয়ালাকে বলবেন হাসপাতাল ঘাটে ট্রলার থামাতে। ট্রলার থেকে নেমে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ে উঠতে পারেন। ডাবল বেড ৫০০ টাকা, সিঙ্গেল বেড সম্ভবত ৩০০ টাকা। নিরিবিলি বোর্ডিংয়ের প্রোপাইটর হল সঞ্জয় তালুকদার এবং তার নাম্বারঃ ০১৫৫৩-১২৮৬৭৩ / ০১৮২৭-৭২২৯০৫

না থাকার ইচ্ছা থাকলে অবশ্যই কাপ্তাই থেকে সকাল ৬ টায় রওনা দিবেন।

কোথায় খাবেন

বিলাইছড়িতে খেতে চাইলে বকুলের দোকানে খেতে পারেন।

নোটঃ জাতীয় পরিচয়পত্র নিতে হবে। না থাকলে জন্ম নিবন্ধনের সনদ। তাও না থাকলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড, আর চাকুরীজীবী হলে সেই প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড নিতে হবে। সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে পরিচয়পত্র দেখতে চাইবে।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।