মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি
মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (Murapara Jamidar Palace) নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অতি পরিচিত একটি স্থান। এটি ঢাকা থেকে ২৫…
Explore
ছবি, গল্প আর দিকনির্দেশ — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।
মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (Murapara Jamidar Palace) নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অতি পরিচিত একটি স্থান। এটি ঢাকা থেকে ২৫…
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম অবস্থিত। লোকনাথ ব্রহ্মচারী এটি তৈরী…
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনটি সোনারগাঁও যাদুঘর হিসেবেই পরিচিত। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ২৪ কিলোমিটার দূরে। রুপগঞ্জ ও…
বিশ্বের প্রাচীন সপ্তাশ্চর্য আগ্রার তাজমহলের আদলে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে নির্মিত হয়েছে অনুপমশৈলীর স্থাপত্যে বিশ্বের ২য় বাংলার তাজমহল। বাংলার…
গন্তব্য যদি হয় খানিকটা দূরে, আর হাতে যদি থাকে সারা দিনের সময়, তাহলে ঘুরে আসতে পারেন নারায়ণগঞ্জের জিন্দা…
আড়াইহাজার (Araihazar) বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ঢাকা থেকে মাত্র ১.৩০ -২.০০ ঘণ্টার পথ। যা যা চান…
Travel notes
সড়ক, নৌপথ, ভাড়া আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।
নারায়ণগঞ্জের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ পানাম নগর, আড়াইহাজার, আদমজী জুট মিল, সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সমাধি (১৩৮৯-১৪১১), বাবা সালেহ মসজিদ (১৪৮১), গোয়ালদী মসজিদ (১৫১৯), সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ (১৪৮৪), হাজীগঞ্জের দূর্গ, সোনাকান্দা দুর্গ, কদমরসুল দরগাহ, বন্দর শাহী মসজিদ, লোকশিল্প জাদুঘর, বিবি মরিয়মের সমাধি, লাঙ্গলবন্দ মন্দির (পূন্যস্নানের জন্য হিন্দু ধর্মালম্বীদের র্তীথস্থান), ফতুল্লা জাতীয় ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম ও এডভ্যাঞ্চার ল্যান্ড।
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।