হাজীগঞ্জ কেল্লা

ভালো লেগেছে
1
ট্রিপ
১ দিন
খরচ
৭০০ টাকা

হাজীগঞ্জ কেল্লা (Hajiganj Fort) এটি একটি ঐতিহাসিক দূর্গ যা নারায়ণগঞ্জ জেলা সদরে হাজীগঞ্জের কিল্লাপুর নামক স্থানে অবস্থিত। হাজীগঞ্জ কেল্লা বাংলার বার ভূইয়াদের অন্যতম ঈশা খাঁ র কেল্লা হিসেবে পরিচিত। হাজীগঞ্জ দুর্গ মুঘল আমলে নির্মিত একটি জল দুর্গ যা শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি খিজিরপুর দুর্গ নামেও পরিচিত। ১৬৫০ সালের দিকে মোঘল আমলে, যখন মীর জুমলা বাংলার সুবাদার ছিলেন তৎকালীন সময়ে সমৃদ্ধ শহর ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকাকে নদী পথে আগত মগ ও পর্তুগিজ শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করতে ও জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে রক্ষ্যা করার জন্য নদীর তীরে ৩টি দূর্গ তৈরি করা হয়। যাদেরকে ত্রিভূজ জল দুর্গ বা ট্রায়াঙ্গল অব ওয়াটার ফোর্ট বলা হতো, তারই একটি হলো এই হাজীগঞ্জ দুর্গ। অন্যটি শীতলক্ষ্যার পূর্ব পাড়ে সোনাকান্দা দূর্গ এবং অন্যটি মুন্সীগঞ্জের ইদ্রাকপুর দূর্গ

দূর্গের চারদিকে বিশাল দেয়ালের বেষ্টনী, প্রবেশ দারে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। একপাশে কালের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ওয়াচ টাওয়ার। বেস্টনীর সাইড দিয়ে ওয়াক ওয়ে, দেয়ালে তিন ছিদ্র বিশিষ্ট অস্ত্র চালানোর গর্ত। কেল্লার ভেতরে এখন পুরোটাই ফাকা শুধু কিছু গাছপালা দাঁড়িয়ে আছে, আর আছে বিশাল সবুজ মাঠ। বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অফিসের পাশেই এর অবস্থান এবং বিপরীত দিকে গুদারাঘাটের অবস্থান। চাইলে ঘাট দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ছাউনী ওয়ালা নৌকা নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন, এছাড়া ওপারে আছে কদম রসূল মাজার

কিভাবে যাবেন

ঢাকা এর গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জগামী উৎসব/বন্ধন/হিমাচল/শীতল বাসে করে সোজা চাষাড়া। ভাড়া ৩৬ টাকা (এসি বাস ভাড়া ৫৫ টাকা)। সেখান থেকে একটু সামনে এসে অটো স্ট্যান্ড থেকে ৫ টাকা দিয়ে নবিগঞ্জ ৫ নং ঘাট/হাজিগঞ্জ কেল্লা।

ট্রেনে যেতে চাইলে কমলাপুর এর নারায়ণগঞ্জ শহরতলী প্লাটফর্ম থেকে ট্রেনে করে চাষাড়া স্টেশন। ভাড়া ১৫ টাকা। চাষাড়া থেকে রিকশা হাজীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন/নবীগঞ্জ ঘাট/কেল্লার কথা বললে নামিয়ে দিবে। হাজিগঞ্জ দূর্গ দেখে ৫ নং খেয়াঘাট পার হয়ে ৫ টাকা জন প্রতি। তারপরে অটোরিক্সা রিজার্ভ নিয়ে চলে জেতে পারেন সোনাকান্দা দুর্গে। অথবা ১০ টাকা জন প্রতি দিয়ে ১ নং খেয়াঘাট, সেখান থেকে জন প্রতি ১০ টাকা দিয়ে অটোরিক্সা নিয়ে সোজা সোনাকান্দা কেল্লা। অটোরিক্সা রিজার্ভ ৪০ টাকা।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।