ভেলাখুম

ভালো লেগেছে
5

ভেলাখুম (Velakhum) এর জল-পাথরের রাজত্বে ভেলা বাইতে বাইতে অপার্থিব এক অনুভূতির জন্ম হয়! দুই পাশে পাথরের সুউচ্চ দেয়াল আর মাঝখান দিয়ে শান্ত-স্বচ্ছ সবুজ পানির এই লেগুন নেমে এসেছে আমিয়াখুম থেকে। আমিয়াখুমের আপ স্ট্রিমের এই জল-গিরি পথ পাড়ি দেবার সময় বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন যে দু’পাশের আকাশছোঁয়া পাথরের পাহাড় দেবতার মতো গাম্ভীর্য নিয়ে আপনাকে আশীর্বাদ করছে। পৃথিবীর সকল সৌন্দর্য এক করলেও এই জল-পাথরের পাঠশালার কাছে কিছুই মনে হবে না তখন।

দেশের এডভেঞ্চারাস জায়গাগুলোর মধ্যে ট্রেকারদের সবচেয়ে প্রিয় একটি জায়গা। এখানে প্রকৃতি সেজেছে তার আপন রঙে। আমিয়াখুম ট্রেকিং এর অন্যতম আকর্ষন এটি। শুধু ভেলা দিয়েই এই জায়গাটি ঘুরে দেখা সম্ভব। আমিয়াখুম থেকে হেঁটে ৫ মিনিট। এখানে আপনাকে বাঁশের ভেলায় উঠতে হবে। তবে সাতভাইখুম আর ভেলাখুমের পার্থক্য হল ভেলাখুমে ভেলায় কিছুদূর যেয়েই আমাদেরকে নেমে পাথরের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে নতুন আর একটা ঝর্ণায় যেতে হবে যা ন্যাইক্ষারমুখ নামে পরিচিত। 

যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে বাসে করে বান্দরবান গিয়ে লোকাল বাসে ২০০ টাকা ভাড়ায় কিংবা রিজার্ভ জীপ ৫০০০ টাকা ভাড়া দিয়ে থানচি পৌছাতে হবে। থানচি থেকে গাইড নিয়ে ইঞ্জিন চালিত বোটে করে পদ্মমুখ। তারপর ৬-৭ঘণ্টা ট্রেকিং করে থুইসা পাড়া। পরদিন থুইসা পাড়া থেকে ২-৩ ঘন্টায় বিপজ্জনক ট্রেইল ৭০-৮০ ডিগ্রী খাড়া “দেবতার পাহাড়” নেমে এই ভয়ংকর সৌন্দর্যের মুখোমুখি হবেন।

অথবা ঢাকা থেকে বাসে করে বান্দরবন শহর। সেখান থেকে বাস অথবা চাঁদের গাড়ী করে থানচি সেখান থেকে ট্রালারে রেমাক্রি সেখান থেকে হেটে ভেলাখুম যাওয়া যায়।

ভেলাখুম ট্রেইল বান্দরবানের কষ্টকর ও বিপদজনক ট্রেইল গুলোর অন্যতম। এখানে যাওয়ার অনুমতি বিজিবি দেয় না।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।