সিন্দুকছড়ি – মহালছড়ি সড়ক
খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি – সিন্দুকছড়ি (Sindukchhari) – জালিয়াপাড়া সড়ক ভ্রমন পিপাসুদের জন্য একটি নতুন আকর্ষনীয় স্থান। মহালছড়ি (Mohalchari)…
Browse
একই বিষয়ের সব গাইড একসাথে।
খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি – সিন্দুকছড়ি (Sindukchhari) – জালিয়াপাড়া সড়ক ভ্রমন পিপাসুদের জন্য একটি নতুন আকর্ষনীয় স্থান। মহালছড়ি (Mohalchari)…
মায়াবিনী লেক (Mayabini Twisa Lake) টি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ভাইবোনছড়ার কংচাইরি পাড়ায় পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত একটি অপূর্ব সুন্দর…
দেয়ালঘেরা ঠান্ডা ছড়া (Thanda Chora) খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার ধর্মঘর এলাকায় অবস্থিত একটি ঝর্ণা। দুই পাশে কালো পাথরের…
তৈলাফাং ঝর্ণাটি (Toilafang Jhorna) খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলা সীমানার মধ্যবর্তী একটি গ্রামের কাতালমনি পাড়ায় অবস্থিত। ৫০ ফুট উঁচু…
জীবনে অনেক আশা পূর্ণ হয় আবার অনেক আশা অপূর্ণ থেকে যায়। কিছু মানুষের কথা মাঝে মাঝে কিছু সময়ের…
কল্পনা করুন তো, আপনি ১৮০০ ফুট উচু একটা পাহাড়ে দাড়িয়ে আছেন। চারপাশ দিয়ে মেঘ বয়ে চলেছে। মেঘের আড়ালে…
সাজেক ভ্যালিতে (Sajek Valley) পৌছাতে বেশ দেরিই হয়ে গেল। রাত ১২ টায় ঢাকা হতে বের হয়ে পথে জ্যাম…
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড় আর ঝর্ণায় সমৃদ্ধ খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত হর্টিকালচার পার্ক (Horticulture Park) খুব জনপ্রিয় একটি পার্ক। জেলা…
হতংকুচো (Hatangkucho) – মাতাইতুয়ারি (Mataituari) এই দুই জায়গার নাম মুখে মুখে অনেকবার শুনেছি, পরিচিত না হওয়ার কারণে এই…
খাগড়াছড়ি জেলার উপজেলা সদরের পেরাছড়া ইউনিয়নের মায়ুং কপাল / হাতিমুড়া (Hatimura) হচ্ছে একটি পাহাড়ি উঁচু পথ। স্থানীয় অনেকেই…
খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির শান্তিপুর অরণ্য কুটির যা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান। পানছড়ি উপজেলা সদর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে…
খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে ৯ কি.মি., পর্যটন মোটেল থেকে ৭ কি.মি. এবং আলুটিলা থেকে ২ কি.মি. দূরে মাটিরাঙ্গা…
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।