ফকির লালন সাঁইজির মাজার

ভালো লেগেছে
3
Ratings
রেটিংস ( রিভিউ)

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া নামক স্থানে লালনের আখড়ার অবস্থান। বাউল সম্রাট লালনকে সমাহিত করা হয় ছেঁউড়িয়ার মাটিতেই। তার মৃত্যুর পর শিষ্যরা এখানেই গড়ে তোলে মাজার বা স্থানীয়দের ভাষায় লালনের আখড়া। বিশাল গম্বুজে তার সমাধি ঘিরে সারি সারি শিষ্যের কবর রয়েছে। এ মাজারটি (Fakir Lalon Shah’s Mazaar, Kushtia) বাউলদের তীর্থস্থান। মাজার থেকে কিছু দূরে রয়েছে একটি ফটক। এ ফটক দিয়েই মাজারে প্রবেশ করতে হয়। প্রতি বছর তার মৃত্যুবার্ষিকীতে সাধু-ভক্তদের পাশাপাশি বাউল সম্রাটের টানে ছুটে আসে লাখো পর্যটকের দল। মাজারের পাশে রয়েছে লালন মিউজিয়াম। লালনের একটি দরজা, লালনের বসার জলচকি, ভক্তদের ঘটি-বাটি ও বেশকিছু দুর্লভ ছবি মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে। মিউজিয়ামের প্রবেশ মূল্য ২ টাকা। মাজার থেকে বেরিয়ে সামনে এগিয়ে গেলে দেখতে পাবেন লালনের আবক্ষমূর্তি।

লালনের মাজার যাওয়ার উপায়

ঢাকার গাবতলী কিংবা টেকনিক্যাল মোড় থেকে এসবি, শ্যামলী, হানিফ, সোহাগ, খালেক পরিবহনের বাস বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকা-কুষ্টিয়া সরাসরি চলাচল করে। এছাড়াও ঢাকা-কুমারখালী সরাসরি অনেক বাস চলাচল করে।

কুষ্টিয়া শহর থেকে রিকশা অথবা অটোরিকশায় লালন শাহের মাজারে যেতে পারেন।

ঢাকা থেকে ট্রেনে কুষ্টিয়া

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সুন্দরবন ও ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে চিত্রা এক্সপ্রেসে যেতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে কুষ্টিয়ার অদূরে অবস্থিত পোড়াদহ রেল স্টেশনে নেমে বাস কিংবা অটোরিকশায় চড়ে শহরে আসতে হবে। পোড়াদহ রেল স্টেশন থেকে বাসে / সিএনজি তে কুষ্টিয়া মজমপুরগেট, ভাড়া ২০-৪০ টাকা, সময় লাগে আধা ঘণ্টা। এই দুটি ট্রেন কুষ্টিয়া সদরের কোর্ট স্টেশনে থামে না।

ঢাকা থেকে ট্রেনে কুষ্টিয়া

ট্রেনের নামঢাকা ছাড়েপোড়াদহ পৌছায়বন্ধ থাকে
চিত্রা এক্সপ্রেস
সন্ধ্যা ৭ঃ০০ মিনিটেবিকেল ১২ঃ২০ মিনিটসোমবার
সুন্দরবন এক্সপ্রেস
সকাল ৬ঃ২০ মিনিটরাত ১২ঃ৫৭ মিনিটমঙ্গলবার

কুষ্টিয়া থেকে ট্রেনে ঢাকা

ট্রেনের নামপোড়াদহ ছাড়েঢাকা পৌছায়বন্ধ থাকে
চিত্রা এক্সপ্রেস
সকাল ১১ঃ৫৮ মিনিটেবিকেল ৫ঃ৪০ মিনিটসোমবার
সুন্দরবন এক্সপ্রেস
রাত ১১ঃ৪০ মিনিটসকাল ৫ঃ৪০ মিনিটমঙ্গলবার

কোথায় থাকবেন

থাকার জন্য শহরেই মানসম্মত অনেক হোটেল পাবেন। এর মধ্যে পদ্মা, হোটেল রিভার ভিউ, গোল্ড স্টার, সানমুন অন্যতম।

কোথায় খাবেন

খাওয়ার জন্য রয়েছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট। তার মধ্যে জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল, শফি হোটেল, হোটেল খাওয়া-দাওয়া, মৌবন রেস্টুরেন্টসহ ৩টি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট পাবেন।

দিক নির্দেশনা

ঘুরতে যেয়ে পদচিহ্ন ছাড়া কিছু ফেলে আসবো না,
ছবি আর স্মৃতি ছাড়া কিছু নিয়ে আসবো না।।

লিডারবোর্ড এড

দেশের স্থানসমূহঃ

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।

Sending