বর্ষায় পাহাড়ী স্বর্গ- বগালেক হয়ে কেওক্রাডং
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশংকার পর থেকে সবাই এক প্রকার ঘরবন্দী। অবশেষে গত ২৩ তারিখ থেকে বান্দরবান প্রশাসন স্যাস্থবিধি…
Browse
একই বিষয়ের সব গাইড একসাথে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের আশংকার পর থেকে সবাই এক প্রকার ঘরবন্দী। অবশেষে গত ২৩ তারিখ থেকে বান্দরবান প্রশাসন স্যাস্থবিধি…
তুইনুম ঝর্ণাটির (Tuinum Jhorna) অবস্থান বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৪ নং কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত তুইনুম ঝিরিতে।…
জিংসিয়াম সাইতার (Zingsiam Saitar) ঝর্ণাটি বান্দরবানের রুমা থানার রুমানা পাড়ার পাশে অবস্থিত। এই নামটার সঙ্গে একটা করুণ কাহিনী…
ওয়াং-পা ঝর্ণা (Wang Pa Waterfall) বান্দরবানের গহীনে অবস্থিত একটি পাগল করা ঝর্ণা যা এখনও লোক চক্ষুর আঁড়ালেই রয়ে…
তিনমুখ পিলার (Tinmukh Pillar) হলো একটি সীমানা খুঁটি, যার গায়ে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার লেখা। তিনমুখ পিলারটি মূলত…
লাংলোক ঝর্ণা (Langlok Jhorna) বান্দরবানের গহীনে অবস্থিত একটি ঝর্ণা যা কিছুদিন আগে লোকচক্ষুর সামনে এসেছে। লাংলোক এর উচ্চতা ৩৮৮.৯…
শীলবান্ধা ঝর্ণা (Shilabandha Jhorna), বান্দরবান এর রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলী ইউনিয়নে অবস্থিত। নাফাখুম ও রেমাক্রীর চেয়ে দূরত্বও কম। অল্প…
বান্দরবানের সবচেয়ে অপরিচিত ট্রেইল এবং অদেখা সৌন্দর্য্যে মধ্যে লিখ্যিয়াং ঝর্ণা (Likkhyang Waterfall) অন্যতম। রেমাক্রির নিকটবর্তী হওয়ার পরও তুলনামূলক…
অনেকদিন থেকে প্লান করছিলাম কোথাও ঘুরতে যাব।দূরে কোথাও। কিন্তু কাউকে সে ভাবে পাচ্ছিলাম না যাওয়ার মত। তখনই আচমকা…
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়াগুলোর মধ্যে সিপ্পি আরসুয়াং (Sippi Arsuang) অন্যতম, যার উচ্চতা আনুমানিক ৩০৩৪ ফুট যা বাংলাদেশের ১০ম সর্বোচ্চ…
বান্দরবান শহর থেকে মাত্র দুই-আড়াই ঘণ্টার যাত্রায় চলে যাওয়া যায় ৫৪ বম পরিবারের প্রশান্তময় পাহাড়ি গ্রাম মুনলাই (Munlai…
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।