পালং খিয়াং ঝর্ণা

ভালো লেগেছে
5

পালং খিয়াং (Palong Khiyang) ঝর্ণাটি বান্দরবন জেলার আলীকদম উপজেলায় অবস্থিত। তবে দুর্গমতার কারণে খুব বেশী পর্যটক সেখানে পৌঁছাতে পারে নি। তৈনখালের পাথুরে রাস্তা দিয়ে, কখনো-বা উঁচু পাহাড় ডিঙ্গিয়ে পালং খিয়াং ঝর্ণায় যেতে হয়। তবে ঝর্ণায় যাওয়ার পথে টোয়াইন খালের যে নৈসর্গিক রূপ তাও পর্যটকগণের নিকট আকষর্ণের কেন্দ্রবিন্দু।

তৈনখালের বাঁকে বাঁকে নাতিদীর্ঘ পাহাড় চূঁড়ায় মুরুং, ত্রিপুরা, মার্মাদের খড়েছাওয়া ঘর, ছয়াভরা শান্ত গ্রাম্য পথ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঝিরি-ঝর্ণা, পরিচিত পাখির কাকলী- এসব যেন মর্তের পৃথিবীতে এক স্বপ্নরাজ্য! শহুরে রঙিন জনপদ এর চেয়ে কোন অংশে মূল্যবান নয়। পালং খিয়াং এর রূপ দেখতে যাওয়ার আগে পাড়ি দিতে হয় তৈনখালের পাথুরে দীর্ঘপথ। বড় চমৎকার এ পথ, যেন পরীর রাজ্য। তৈনখাল খরস্রোতা মাতামুহুরীর একটি উপনদী।

এ খালের দু’পাশজুড়ে ঘন অরণ্যের লতাবিতানে সারা বছরজুড়েই থাকে বন্যপুষ্পের মেলা। খালের দুইপাশেই কিছুদুর পরপর ছোটখাট ঝর্ণাধারা বয়ে চলেছে। শোনা যায় গাছের ডালে ডালে নানা রঙের পাখির কিচির মিছির শব্দ। কিন্তু সব শব্দকে ছাড়িয়ে নিজের অস্তিত্বকে তিনটি পানি স্রোতের কুলুকুল ধ্বনীতে জানান দিচ্ছে পালং খিয়াং ঝর্ণা। এ বুনো ঝর্ণার প্রকৃতিক রূপে যেকোন পর্যটক মুগ্ধ হন।

যাওয়ার উপায়

রুট-১ঃ আলীকদম>পানবাজার>আমতলী নদী ঘাট। নৌকাযোগে তৈনখাল দিয়ে দোছরি বাজার। এরপর তৈনখাল দিয়ে হেঁটে থাঙ্কুয়াইন ঝর্ণা>হাজরাম পাড়া>পালংখিয়াং ঝর্ণা।

রুট- ২ঃ এরপর আলীকদম-থানচি সড়কের ১৩ কিঃ মিঃ। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে দোছরি বাজার>থাঙ্কুয়াইন ঝর্ণা>হাজরাম পাড়া>পালংখিয়াং ঝর্ণা। হাজিরাম পাড়া থেকে এ ঝর্ণায় যেতে ৩-৪ ঘন্টা হাঁটতে হয়।

লেখা: মমতাজ উদ্দিন আহমদ।  
×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।