লাল শাপলা বিল
নেত্রকোণার লাল শাপলা বিল (Lal Shaplar Bil) বলতে সাধারণত সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের নাড়িয়াপাড়া/নানিয়াপাড়া এলাকার শাপলা বিলকে…
Explore
ছবি, গল্প আর দিকনির্দেশ — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।
নেত্রকোণার লাল শাপলা বিল (Lal Shaplar Bil) বলতে সাধারণত সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের নাড়িয়াপাড়া/নানিয়াপাড়া এলাকার শাপলা বিলকে…
নেত্রকোণার ইতিহাসভিত্তিক ভ্রমণের জন্য রোয়াইলবাড়ি দুর্গ (Rowailbari Fort) বেশ আলাদা একটি গন্তব্য। এটি চকচকে সংস্কার করা রাজপ্রাসাদ নয়,…
নেত্রকোনার সীমান্তঘেঁষা সাত শহীদের মাজার (Sat Shohider Mazar), যা সপ্তশিখা নামেও পরিচিত, শুধু একটি দর্শনীয় স্থান নয়। এটি…
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত চন্দ্রডিঙ্গা (Chandrodinga Pahar) একটি মনোমুগ্ধকর ভ্রমণ গন্তব্য। স্থানীয়দের কাছে সুপরিচিত হলেও, বাইরের…
নেত্রকোনা জেলার সীমান্তবর্তী কলমাকান্দা উপজেলার পাহাড়ি সৌন্দর্যে ঘেরা একটি এলাকা হলো পাঁচগাও (Pachgaon)। কলমাকান্দা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৩টি…
ডিঙ্গাপোতা হাওর (Dingapota Haor) দেশের বড় হাওর গুলোর মধ্যে একটি যা নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত। বর্ষাকালে ডিঙ্গাপোতা হাওরে জলরাশির…
বিরিশিরি (Birishiri) এর মূল আকর্ষণ বিজয়পুর চীনামাটির পাহাড় যার বুক চিরে জেগে উঠেছে নীলচে-সবুজ পানির হ্রদ। সাদা মাটি পানির রঙটাকে…
ঘুরে আসুন পাহাড় নদী গাছ-গাছালিঘেরা আদিবাসী অধ্যুষিত নেত্রকোণার দুর্গাপুর! দুর্গাপুর নেত্রকোণা (Netrokona) জেলার একটি উপজেলা। দূর্গাপুরের আসল সৌন্দর্য স্বচ্ছ…
Travel notes
সড়ক, নৌপথ, ভাড়া আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।
নেত্রকোনাতে দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী – বিরিশিরি, বিজয়পুরের চিনামাটির পাহাড়, কমলা রাণীর দিঘী, কমরেড মণি সিংহ-এর স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি ও স্মৃতিস্তম্ভ, কুমুদীনি স্তম্ভ, সোমেশ্বরী নদী, ডিঙ্গাপোতা হাওর, চরহাইজদা হাওর এবং মগড়া নদী।
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।