খাঞ্জেলী দীঘি
হযরত খান জাহান আলী (রহঃ) মাজারের দক্ষিণ দিকে আয়তনে প্রায় ২০০ বিঘা জমি জুড়ে খাঞ্জেলী দীঘি অবস্থিত। হজরত খান…
Explore
ছবি, গল্প আর দিকনির্দেশ — প্রতিটি স্থানের বিস্তারিত গাইড।
হযরত খান জাহান আলী (রহঃ) মাজারের দক্ষিণ দিকে আয়তনে প্রায় ২০০ বিঘা জমি জুড়ে খাঞ্জেলী দীঘি অবস্থিত। হজরত খান…
ছয় গম্বুজ মসজিদ বা রেজা খোদা মসজিদ বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত খান জাহান আলী (রঃ) এর সমাধির উত্তর পশ্চিমে…
ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে ধান খেতের মধ্যে চুনাখোলা গ্রামে (এককালে প্রচুর চুনাপাথরের নির্যাস…
চন্দ্রমহল নামে একটি ভবনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় রঞ্জিতপুর গ্রামের কাছে একটি পিকনিক স্পট রয়েছে। এটি আসলে একটি…
বিবি বেগনী মসজিদ বাগেরহাট জেলার ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে আনুমানিক ৮০০ মিটার পশ্চিমে ঘোড়াদিঘীর পাড়ে অবস্থিত এক গম্বুজবিশিষ্ট একটি…
খানজাহান-ই রীতির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমারত রণবিজয়পুর মসজিদ। হযরত খানজাহান (রহ:) এর মাজার থেকে উত্তর দিকের রাস্তা বরাবর…
নয় গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত জীন্দাপীর মসজিদের দক্ষিণদিকে এবং ঠাকুরদীঘির পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত। নয় গম্বুজ মসজিদ ১৫ শতাব্দীতে নির্মিত…
বাগেরহাটে অবস্থিত ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রায় তিনশ গজ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সিংগাইর মসজিদ। এই মসজিদের একটিমাত্র গম্বুজ রয়েছে যা…
বাগেরহাটের খান জাহান আলীর মাজার এর মসজিদের পশ্চিম পাশ থেকে ঠাকুর দিঘির পাড় ধরেই কিছুদূর হাটলেই সামনে পাওয়া যাবে…
মংলা পোর্ট বা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। এটি খুলনা শহর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।…
মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে সামান্য দূরে পশুর নদীর তীরে ৩০ হেক্টর জমির ওপর বন বিভাগের আকর্ষণীয় এক পর্যটনস্থল…
Travel notes
সড়ক, নৌপথ, ভাড়া আর স্থানীয় টিপস — এক জায়গায়।
১৯৮৩ সালে বাংলাদেশের একটি শহর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়, ঐ শহরটি হল মসজিদের শহর খ্যাত বাগেরহাট। বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমে অবস্থিত বাগরেহাট জেলার অর্ন্তভুক্ত বাগেরহাট শহরটি খুলনা থেকে ১৫ মাইল দক্ষিন- পূর্ব দিকে এবং ঢাকা থেকে ২০০ মাইল দক্ষিন পশ্চিমে অবস্থিত। এই শহরটির অপর নাম ছিলো খলিফতাবাদ। মুঘল সম্রাট সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের আমলে হযরত খান-ই-জাহান ( রহঃ) এই শহরটি গড়ে তোলেন। এই শহরের মূল সোন্দর্য্য ষাট গম্বুজ মসজিদ। অন্যান্য আরও ঐতিহাসিক বেশ কিছু স্থাপনা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে – খান জাহান আলী মাজার, ষাট গম্বুজ মসজিদ, খাঞ্জেলী দীঘি, চুনাখোলা মসজিদ , রনভিজয়পুর মসজিদ , সি মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, ছয় গম্বুজ মসজিদ, সিংগাইর মসজিদ , বিবি বেগনী মসজিদ, দশ গম্বুজ মসজিদ, রেজাই খান মসজিদ, জিন্দা পীর মাজার ও জাদুঘর, সাবেক ডাঙ্গা পুরাকীর্তি, অযোধ্যা মঠ/কোদলা মঠ, ঢিবি, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শহীদ কৃষক রহিমুল্লাহর বাড়ি, মোরেলের স্মৃতিসৌধ, ১৮৬৩ সালে তৎকালীন এসডিও মংলা পোর্ট, চিলা চার্চ, কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধি, প্রফুল্ল ঘোষের বসতবাড়ি, নীলসরোবর, জমিদার ক্ষিতিষ চন্দ্রের বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, শাহ আউলিয়াবাগ মাজার, হজরত খানজাহান আলীর (রহ.) সহচর পীর শাহ আউলিয়ার মাজার, নাটমন্দির, রামজয় দত্তের কাছারিবাড়ি, ব্রিটিশ সেনাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, কৃষ্ণমূর্তি, গোপাল জিউর মন্দির, লাউপালা, যাত্রাপুর, দুবলার চর, কটকা, কচিখালি, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন, সুন্দরবনের ‘করমজল’ ইকো-ট্যুরিজম ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র, মোংলা বন্দর, চন্দ্রমহল ইকোপার্ক ও মাঝের চর।
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।