বাংলাদেশের পর্যটন এলাকা গুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আমরা বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন টুরিস্ট গন্তব্যগুলোতে ভ্রমণের উদ্দেশে আসা যাওয়া করি। আমাদের ভ্রমণের স্মৃতি যাতে সুমধুর হয় সেজন্য সেখানে আরামদায়ক রাত্রিযাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেখানেই ঘুরতে যাই না কেন আমাদের সাথে আমাদের বন্ধু-বান্ধব অথবা পরিবারের সদস্যরা থাকে। তাই রাত্রি যাপনের জন্য আমাদের এমন হোটেলের সন্ধান জানা লাগবে যেখানে থাকলে আমরা পরিবারের পরিজন নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারবো এবং ওখানে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় থাকবে। বিভিন্ন হোটেলের রুম ক্যাটাগরি যেমন বিভিন্ন ধরণের হয় ঠিক তেমনি তাদের সেবা ও বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
এটা নিঃসন্দেহে আমরা সবাই জানি যে সব ধরনের হোটেলে পরিবার পরিজন অথবা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে থাকা যায় না। পর্যটক বান্ধব হোটেল বলতে আমরা সেইসব হোটেলকে বুঝি যেসব হোটেলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সুবিধা আছে, খাবারদাবারের মান ভালো এবং রুমগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। সেই সাথে তাদের ওখানে রিজেনেবল প্রাইস এর মধ্যে রুম ভাড়া পাওয়া যায়। এই ধরনের হোটেল গুলো সচরাচর ভালো সার্ভিস দেয়ার কারণে তাদের রুমগুলোর বছরের সব সময় বুকড অবস্থায় থাকে। তাই এসব হোটেলের রুম ভাড়া নিতে হলে আমাদের অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে আগে থেকে রুম বুক করে রাখতে হয়। এই ধরনের হোটেল গুলোতে সচরাচর বিভিন্ন ক্যাটাগরির রুম থাকে এবং রুমগুলো ডিলাক্স ক্যাটাগরির হয়ে থাকে। বছরের বিভিন্ন সময়ে এই হোটেল গুলো অনেক ডিসকাউন্ট অফার করে থাকে। আবার সরাসরি এসে রুম নিতে চাইলে রুম বুকিং করার সময় আমরা যদি ভালো মতো দরকষাকষি করতে পারি তাহলে অনেক ডিসকাউন্ট পেতে পারি।
চট্টগ্রামের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে অবস্থিত তাই আপনার দরকারি কোন কাজে আপনি যদি চট্টগ্রামে এসে থাকেন তাহলে আপনার প্রয়োজনীয় ঠিকানায় আপনি খুব সহজে এখান থেকে যাতায়াত করতে পারবেন। এখানে এসি নন এসি দুই ধরণের রুম ভাড়া পাওয়া যায়। এই ৩ তারকা হোটেলটি একটি গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি, এটিএম ব্যাগেজ স্টোরেজ, ফ্রি ওয়াই ফাই সুবিধা এবং ফ্রি গাড়ি পার্কিং অফার করে।
একটি চার তারকা মানের হোটেল যেটি একই সাথে বিশ্বমানের সেবা দেয় পাশাপাশি এদের সেবার খরচ অনেক কম। এই হোটেলের রাত্রিযাপনের পর অনেক অতিথি খুব পজিটিভ রিভিউ দিয়েছেন। এই হোটেল অনেক বছর ধরে সুনামের সাথে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । এদের রয়েছে বুফে ব্রেকফাস্ট এবং রেস্টুরেন্ট সুবিধা যেখানে নানা ধরনের খাবার পাওয়া যায়। আপনি এই হোটেলে আসলে ছোট থেকে বড় সব ধরনের রুম পাবেন। চট্টগ্রামের এই হোটেলটি লিফ্ট, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, ফ্রন্ট ডেস্ক পরিষেবা, রুম সার্ভিস,দৈনিক গৃহস্থালি, ফ্রি কার পার্কিং এবং পুরো হোটেল জুড়ে উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে।
বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রাম শহরের কদমতলী মোর এলাকায় অবস্থিত বাজেটের মধ্যে থাকা যায় এরকম একটি হোটেল। এই হোটেলের রুমগুলি অত্যন্ত সুপরিসর এবং ভাড়াও তুলনামূলকভাবে কম এবং রুমের মধ্যে সব ধরনের অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। আপনি এই হোটেলে রাত্রি যাপন করলে যে সব সুবিধা পাবেন সেগুলো হলো ফ্রি কার পার্কিং, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, স্মোকিং জোন, মুদ্রা বিনিময় কাউন্টার, দৈনিক গৃহস্থালি, লিফট এবং আরো অনেক কিছু।
চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ত এলাকা জুবিলী রোডে অবস্থিত। এই হোটেলের রুমগুলো অনলাইনে বুক করা যায়। এই হোটেল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে থাকে। তাই এই অফার গুলোর সুবিধা নিয়ে আপনি ডিসকাউন্ট এ রুম ভাড়া নিতে পারবেন। এই হোটেলের রুমগুলুর অভ্যন্তরীণ পরিবেশে অত্যন্ত ভালো এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। তদুপরি, এই হোটেলে দৈনিক গৃহস্থালি, ব্যাগেজ স্টোরেজ, স্মোকিং জোন, একটি লিফট এবং ফ্রন্ট ডেস্ক পরিষেবা রয়েছে।
চট্টগ্রামের শহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ রোডে অবস্থিত ফাইভ স্টার হোটেল। এই হোটেলের অতিথি সেবা বাংলাদেশীদের পাশাপাশি বিদেশীদের কাছেও সুপরিচিত। এই হোটেলে আপনি রুম বুক করার পর যখন চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন তখন এই হোটেলের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে আপনাকে উনারা এয়ারপোর্ট অথবা রেলস্টেশন থেকে সরাসরি হোটেলে ট্রান্সফার করে দিবেন। এই হোটেলের রুমগুলো অত্যন্ত আধুনিকভাবে সুসজ্জিত এবং প্রত্যেকটা রুমে অত্যন্ত নিরাপদ পরিবেশ বিদ্যমান এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ আছে। এখানে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে রুম এবং সুইট গুলো ভাড়া নেওয়া যায়। এই ৫ তারকা হোটেলটি ফ্রি কার পার্কিং, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি এবং উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট অফার করে।
চট্টগ্রামের অন্যতম ব্যস্ততম আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা খু সীতে অবস্থিত এ হোটেলটি বিজনেস ট্রাভেলারদের থাকার জন্য একটি আদর্শ হোটেল। ৪০০০ টাকা থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যে এই হোটেলে বিভিন্ন ধরনের রুম ভাড়া পাওয়া যায়। চট্টগ্রামের এই হোটেলটি ব্যাগেজ স্টোরেজ, লিফ্ট, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, ফ্রি কার পার্কিং, গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি এবং পুরো হোটেল জুড়ে উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে।
চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ এর শেখ মুজিব রোড এলাকায় অবস্থিত হওয়ার কারণে আপানি বাংলাদেশে যে কোন জায়গা থেকে আসেন না কেন এই হোটেলে খুব সহজে পৌঁছাতে পারবেন। অতিথিদের আরাম আয়েশের জন্য এই হোটেলের সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। রুমগুলো সবগুলোই এয়ারকন্ডিশনড এবং প্রত্যেক রুমের মধ্যে স্যাটেলাইট কানেকশন সহ টেলিভিশন আছে। এই আরামদায়ক হোটেলের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে একটি ফ্রন্ট ডেস্ক পরিষেবা, রুম সার্ভিস, দৈনিক গৃহস্থালি, লিফট এবং গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি।
এই তিন তারকা হোটেলের অবস্থান চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায়। এসি নন এসি সব ধরনের রুম এখানে ভাড়া নিতে পারবেন। রুম ভাড়া সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা সর্বোচ্চ ৮০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আপনি এই হোটেলে রাত্রি যাপন করলে যে সব সুবিধা পাবেন সেগুলো হলো ২৪-ঘন্টা ফ্রন্ট ডেস্ক সহায়তা, লিফ্ট, রুম সার্ভিস, স্মোকিং জোন, ফ্রি কার পার্কিং, উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট এবং আরো অনেক কিছু।
চট্টগ্রামের প্রথম চার তারকা মানের হোটেল। এই হোটেলে সারা বছর একই ধরনের রেটে রুম ও সুইট ভাড়া পাওয়া যায়। এখানে পাঁচ হাজারের মধ্যে একটা কাপল রুম পাওয়া যায় আর সুইট ভাড়া নিতে হলে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় নিতে হয়। এই হোটেলের রয়েছে তিনটা বিভিন্ন খাবারের রেস্টুরেন্ট, সাথে রয়েছে ব্রেকফাস্ট ও জিম এর সুবিধা। এই হোটেলটি ২৪-ঘন্টা ফ্রন্ট ডেস্ক, স্মোকিং জোন, গাড়ি ভাড়া, বিনামূল্যে রুম পরিষেবা এবং পুরো হোটেল জুড়ে বিনামূল্যে ওয়াই ফাই ইন্টারনেট প্রদান করে।
রাজশাহী শহরের বাটার মোড় এর কাছে অবস্থিত এই হোটেলটির রয়েছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশের জন্য সুনাম। আপনি রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে খুব সহজেই এই হোটেলে পৌঁছাতে পারবেন। বাস স্টেশন থেকেও আপনি যেকোনো ধরনের পরিবহনের মাধ্যমে এই হোটেলে চলে আসতে পারবেন। এই হোটেলের গ্রাহক সেবা অত্যন্ত উন্নত মানের এবং তাদের রুমগুলোর ভাড়া আপনার বাজেটের মধ্যেই থাকবে। রাজশাহীর এই ৩ তারকা মানের হোটেলটি লিফ্ট, ফ্রন্ট ডেস্ক পরিষেবা, রুম সার্ভিস, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, ফ্রি কার পার্কিং এবং পুরো হোটেল জুড়ে উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের উত্তরের জেলা নওগায় অবস্থিত একটি হোটেল। এই হোটেলটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সুসজ্জিত রুম এবং উন্নত মানের খাবার দাবার সুবিধার জন্য ভ্রমণকারীদের কাছে সমাদৃত। এখানে সিঙ্গেল রুম থেকে শুরু করে ডাবল রুম এবং ৪ বেডের এর রুম পর্যন্ত ভাড়া পাওয়া যায়। এই বিলাসবহুল হোটেলের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে একটি মুদ্রা বিনিময় কাউন্টার, ২৪-ঘন্টা ফ্রন্ট ডেস্ক সহায়তা, দ্রুতগতির ওয়াই ফাই কানেকশন এবং ব্যাগেজ স্টোরেজ।
বাংলাদেশের বগুড়ায় অবস্থিত একটি বিলাসবহুল রিসোর্ট হোটেল। এই হোটেল এ বিভিন্ন উন্নতমানের রুম এ থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ইনডোর আর আউটডোর এক্টিভিটির ব্যবস্থা আছে। এই হোটেলে যে রেস্তোরাঁটি আছে সেখানে বিভিন্ন ধরণের মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়। এই হোটেলটি তে কনফারেন্স সেন্টার ও ইভেন্ট আয়োজনের ব্যবস্থা আছে। তদুপরি, এই হোটেলে গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি, মুদ্রা বিনিময় এক্সচেঞ্জ, একটি লিফট, রুম সার্ভিস, ফ্রন্ট ডেস্ক পরিষেবা এবং লাগেজ স্টোরেজ রয়েছে।
পর্যটন নগরী সিলেটের লামা বাজারে অবস্থিত। এই থ্রি স্টার হোটেলে সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে খুব সহজে পৌঁছানো যায়। এর রুমগুলো অত্যন্ত সুপরিসর এবং দৃষ্টিনন্দন। এই আরামদায়ক হোটেলের অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে লিফ্ট, রুম সার্ভিস, ব্যাগেজ স্টোরেজএবং গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি।
সিলেটের তামাবিল রোডে অবস্থিত একটি পর্যটক বান্ধব অত্যন্ত জনপ্রিয় রিসোর্ট হোটেল। এখানে পর্যটকরা রুম ও বাংলো তাদের চাহিদা মতো ভাড়া নিতে পারবেন। বুকিং এর জন্য এডভান্স বুকিং দিয়ে রাখলে ভালো হয়। এখানে রয়েছে ব্রেকফাস্ট ও ইনডোর সুইমিংপুল এর ব্যবস্থা। অথিতিদের আরামের জন্য এখানে আছে ব্যাগেজ স্টোরেজ, স্মোকিং জোন, প্রতিদিনের হাউসকীপিং, ফ্রন্ট ডেস্ক সার্ভিস, রুম সার্ভিস, ফ্রি কার পার্কিং এবং ফ্রি ওয়াই ফাই সুবিধা।
পর্যটন নগরী সিলেটের উপকণ্ঠের তামাবিল রোডে অবস্থিত। এখানে এসি, নন এসি, ডিলাক্স, সুপার ডিলাক্স সব ধরনের রুম ভাড়া দেয়া হয়। প্রত্যেক রুমের ভিতরেই অত্যাধিক সব সুযোগ সুবিধা রয়েছে। এই হোটেল তাদের অতিথিদের জন্য ২৪-ঘন্টা ফ্রন্ট ডেস্ক সহায়তা, রুম সার্ভিস, দৈনিক গৃহস্থালি, গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি এবং গাড়ি ভাড়া সুবিধা প্রদান করে।
সিলেট শহরের দরগা গেটে অবস্থিত একটি আরামদায়ক হোটেল যেটাতে সিলেট শহরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত পর্যটকরা থাকতে পছন্দ করেন। এই হোটেলের সবগুলো রুমই এয়ারকন্ডিশন করা এবং প্রত্যেকটা রুমে বেলকনি আছে সাথে আর রয়েছে টেলিভিশন, ফ্রিজ, বাথরুম ইত্যাদি। সিলেট শহরের এই হোটেলটি ফ্রি কার পার্কিং, লিফ্ট, কারেন্সী এক্সচেঞ্জ, প্রতিদিনের হাউসকীপিং, ফ্রন্ট ডেস্ক সার্ভিস এবং পুরো হোটেল জুড়ে উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের খুলনা শহরে যতগুলা তিন তারকা হোটেল রয়েছে সেগুলোর মধ্যে এই হোটেলটা সবচেয়ে সেরা মানের হোটেল যেহেতু এই হোটেলে সব ধরনের বাজেটের মধ্যে রুম পাওয়া যায়। রুম সার্ভিস অত্যন্ত অসাধারণ এবং হোটেলটি অত্যন্ত পরিষ্কার পরিছন্ন। ভাড়ার রেঞ্জ ১৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা মধ্যে। এই ৩ তারকা হোটেলটি একটি এটিএম, ২৪-ঘন্টা ফ্রন্ট ডেস্ক সহায়তা, লিফ্ট এবং ফ্রি গাড়ি পার্কিং অফার করে।
খুলনা শহরের ভালো হোটেলের তালিকা করলে সবচেয়ে উপরের দিকে থাকবে। সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ আছে এখানে এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত ভালো। বাইরের কোলাহল থেকে সম্পূর্ণ মুক্তভাবে এখানে থাকা যায়। বিলাসবহুল ও আরামদায়ক এই হোটেলের বিভিন্ন সেবার মধ্যে অন্যতম হলো এই সুবিধাগুলো যেমন উচ্চগতির ওয়াই ফাই ইন্টারনেট, গেস্ট লন্ড্রি ফ্যাসিলিটি, দৈনিক গৃহস্থালি, স্মোকিং জোন, গাড়ি ভাড়া, ব্যাগেজ স্টোরেজ ইত্যাদি।
আপনারা যদি এই ধরনের টুরিস্ট ফ্রেন্ডলি আরামদায়ক হোটেলের খোঁজ করে থাকেন তাহলে অবশ্যই প্রথমে জেনে নিবেন এই হোটেলে কোন কোন ক্যাটাগরি রুম রয়েছে, বছরে কোন সময় এই রুমগুলোর ভাড়া কি রকম, তাদের রুম সার্ভিসের মান কি রকম এবং তারা কি কোন ব্রেকফাস্ট সুবিধা দেয় কিনা, তাদের সুইমিং পুল আছে কিনা অথবা তাদের রেস্টুরেন্ট ফেসিলিটি আছে কিনা লাঞ্চ ও ডিনার এর জন্য।
বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেক ভালো মানের হোটেল থাকা সত্ত্বেও আমরা সবচেয়ে পরিচিত যারা মানসম্পন্ন সেবা দিয়ে থাকে ওই ধরনের কিছু হোটেলের রুম ভাড়া ও সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এখানে। এক্ষেত্রে আমরা এসব হোটেলের সেবা নেওয়া গ্রাহকদের রিভিউ এবং অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের সাহায্য নিয়েছি। এসব হোটেল গুলোতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট পাওয়া যায় এবং অনলাইন অফলাইন দুই ধরনের মাধ্যমে রুম বুক করা যায়।
Leave a Comment