- পরিষ্কার আবহাওয়া
- কম বৃষ্টি, হাঁটা সহজ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নে ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে লুকিয়ে আছে এক অসাধারণ প্রাকৃতিক সম্পদ — তুরং ছড়া। স্থানীয়ভাবে যেটি “কূলী ছড়া (Turong Chora)” নামেও পরিচিত। মেঘালয়ের পাহাড় চিরে নেমে আসা হিমশীতল স্বচ্ছ জলধারা, ধবধবে নুড়িপাথরের বিছানা এবং ঘন সবুজ বনের সমন্বয়ে এটি যেন এক স্বর্গীয় পরিবেশ তৈরি করেছে।
তুরুং ছড়া সারা বছরই সুন্দর, তবে কিছু ঋতুতে প্রকৃতি আরও মনোরম হয়ে ওঠে।
জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে যাওয়াটাই সবচেয়ে উত্তম। এ সময় পাহাড় থেকে পর্যাপ্ত পানি নামে।
| পরিবহন | রুট | আনুমানিক ভাড়া | সময় |
|---|---|---|---|
| বাস | গাবতলী / সায়েদাবাদ / মহাখালী → সিলেট | ৪৫০ – ১,২০০ টাকা | ৬-৭ ঘণ্টা |
| ট্রেন | কমলাপুর → সিলেট | ৩৬০ – ১,২০০ টাকা | ৭-৮ ঘণ্টা |
| বিমান | ঢাকা → ওসমানী বিমানবন্দর | ২,৫০০+ টাকা | ৪৫ মিনিট |
বিকল্প (বর্ষাকালীন) রুট: সিলেটের বাদাঘাট লঞ্চঘাট থেকে সরাসরি নৌকায় দয়ারবাজার যেতে পারবেন। রিজার্ভ নৌকা ভাড়া ৪,৫০০–৫,০০০ টাকা; লোকাল নৌকায় জনপ্রতি প্রায় ২২০ টাকা।
এক দিনের ট্রিপের জন্য সম্ভাব্য খরচের বিবরণ
তুরং ছড়া বা উৎমা ছড়ার আশেপাশে কোনো রিসোর্ট বা হোটেল নেই। এটি সম্পূর্ণ একদিনের ভ্রমণ (Day Trip) হিসেবে পরিচিত। রাতে থাকার জন্য সিলেট শহরে হোটেল বুক করুন:
তুরং ছড়া বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংলগ্ন বর্ডার পিলার ১২৬০ এর কাছে অবস্থিত। ছড়ার ভেতরে একটি ছোট বাঁশের সাঁকো আছে — তার ওপারেই ভারতীয় সীমানা। কোনো অবস্থাতেই নো-ম্যানস ল্যান্ড বা ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করবেন না। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF) এখানে সদা সতর্ক।
তুরুং ছড়া থেকে সহজেই ঘুরে আসা যায় এমন জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো।
তুরং থেকে মাত্র ২ কিমি
দূরত্ব ২ কিমি
তুরং থেকে মাত্র ২ কিমি
একই রুটে, বিশাল পাথরের মাঠ ও নদী
দূরত্ব ৪০-৪৫ কিমি
(শ্রীপুর চা বাগান থেকে)
তুরং ছড়া কেবল একটি পর্যটনস্থল নয় — এটি প্রকৃতির সাথে একটি নিবিড় যোগসূত্র। কোলাহলমুক্ত এই বনভূমিতে পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা ঝরনার শব্দ, পাথরের উপর বসে ঠান্ডা জলে পা ডুবিয়ে থাকার অনুভূতি — এই সব মিলিয়ে তুরং ছড়া হয়ে উঠতে পারে আপনার অন্যতম সেরা ভ্রমণস্মৃতি।
Leave a Comment