তিনাপ সাইতার ভ্রমণ এবং খরচের খুঁটিনাটি
তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar) ভ্রমণ এতো বেশি এ্যাডভেঞ্চারাস ছিল যে লিখা শুরু কোত্থেকে করা উচিত আর শেষ কিভাবে…
Browse
একই বিষয়ের সব গাইড একসাথে।
তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar) ভ্রমণ এতো বেশি এ্যাডভেঞ্চারাস ছিল যে লিখা শুরু কোত্থেকে করা উচিত আর শেষ কিভাবে…
শীলবান্ধা ঝর্ণা (Shilabandha Jhorna), বান্দরবান এর রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলী ইউনিয়নে অবস্থিত। নাফাখুম ও রেমাক্রীর চেয়ে দূরত্বও কম। অল্প…
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়াগুলোর মধ্যে সিপ্পি আরসুয়াং (Sippi Arsuang) অন্যতম, যার উচ্চতা আনুমানিক ৩০৩৪ ফুট যা বাংলাদেশের ১০ম সর্বোচ্চ…
জীবনে প্রথম বান্দরবান গেলাম আর ঘোরাটা শুরু করলাম দেবতাখুম দিয়ে। মেঘনা ব্রিজের কল্যানে ৬ঘন্টা জ্যাম খেয়ে সর্বোমোট ১৫…
আপনি কি বন্য পরিবেশে সত্যিকারের কায়াকিং-এর অভিজ্ঞতা নিতে চান, খাড়া ৬০০ ফিট দুই পাহাড়ের মাঝে ভেলায় ভাসতে চান…
তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar) বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে অবস্থিত যা এখন বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। অনেকের কাছে এটি পাইন্দু সাইতার নামেও…
About
রোয়াংছড়ি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি আয়তনের দিক থেকে বান্দরবান জেলার সবচেয়ে ছোট উপজেলা। বান্দরবান জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। এ উপজেলার দক্ষিণে রুমা উপজেলা, পশ্চিমে বান্দরবান সদর উপজেলা, উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলা এবং পূর্বে রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলা অবস্থিত।
নামকরণ
রখইং ছড়া যেখানে তারাছা খালে এসে মিশেছে, স্মরণাতীতকাল পূর্বে সেই রখইং ছড়ার মোহনায় মার্মা উপজাতিদের এক জনপদ গড়ে উঠে। রখইং ছড়ার তীরে এই জনপদ গড়ে উঠায় মারমা উপজাতিদের চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী স্থানীয় অধিবাসীরা এই জনপদকে ছড়ার নামে রখইং ওয়াহ্ নামে অভিহিত করে। রখইং ওয়াহ্ অর্থ রখইং ছড়ার মোহনা। কালক্রমে ব্যবসা-বাণিজ্যের সূত্র ধরে এখানে পার্শ্ববর্তী চট্টগ্রাম জেলা হতে বাঙালীদের আগমণ ঘটে। ছোট্ট পরিসরে এখানে বাজার গড়ে উঠে। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় আরাকানকে রোয়াং বলা হয়। তাই রখইং ওয়াহ্কে স্থানীয় বাঙালীরা রোয়াংছড়ি নামে অভিহিত করায় তা কালক্রমে প্রচলিত হয়ে উঠে।
রোয়াংছড়ি উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ভ্রমণ পরিকল্পনা
পছন্দের জায়গাগুলো আলাদা তালিকায় রেখে পরবর্তী ভ্রমণ সহজে পরিকল্পনা করুন।
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
ট্রেইল পাস
পোস্ট সেভ, চেক-ইন, বাকেট লিস্ট ও ট্রাভেল ম্যাপ রাখতে সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।
আদার ব্যাপারী
জনপ্রিয় গন্তব্য
আগামী ৬ই আগস্ট ২০২৬ হতে পর্যটকদের জন্য তাজিংডং ও বাকলাই ঝর্ণা ভ্রমন উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনই মিলছে না রাত্রিযাপনের অনুমতি। অর্থাৎ দিনে দিনে ঝর্ণা দেখে ফিরতে হবে থানচি সদরে। সঙ্গে নিতে হবে উপজেলা প্রশাসন কতৃক নিবন্ধিত গাইড।