প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি

জন
৩ মিনিটস
জন

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি (Pratappur Zamindar Bari) চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার অন্তর্গত দাগনভূঞা উপজেলার এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। প্রায় ১৮৫০ কিংবা ১৮৬০ সালে এই জমিদার বাড়িটি নির্মিত হয়। স্থানীয়দের কাছে এটি প্রতাপপুর বড় বাড়ি হিসেবেও পরিচিত। এই এলাকার আশেপাশে যত জমিদার ছিল সবার শীর্ষে ছিল এই জমিদার। এই জমিদার বংশধররা জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এই জমিদার বাড়িটিতে ছিল।জমিদার বাড়ির বংশধরদের কিছু এখনো ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং কিছু ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যে আছেন। জমিদার বাড়ির সম্পত্তি এখনো জমিদার বাড়ির বংশধরদের মালিকানাধীন। জমিগুলো এলাকার মানুষের কাছে বর্গা দিয়ে রাখা হয়েছে। প্রায় ১৩ একর জায়গা জুড়ে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। বাড়িটিতে ১০টি ভবন ও ১৩টি পুকুর রয়েছে। এরমধ্যে ৫টি পুকুর পাকা ঘাট বাঁধানো। বাড়িটি সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়নে না থাকায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। চারিদিক লতাপাতায় ঢেকে গেছে। ভবনগুলোও ধসে পড়ছে।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রায় ১৮৫০সাল থেকে ১৮৬০ সালের ভেতরে রাজকৃষ্ণ সাহা ও রামনাথ কৃষ্ণ সাহা নামক দুজন জমিদার প্রতাপপুর জমিদার বাড়িটি প্রায় ১৩ একর জায়গা জুড়ে নির্মাণ করেন। এখানকার স্থানীয় লোকদের কাছে এই জমিদার বাড়িটি প্রতাপপুর বড়বাড়ি হিসেবেও বেশ পরিচিত। প্রতাপপুর জমিদার বাড়িটিতে ১০টি ভবন ও ১৩টি পুকুর রয়েছে। এরমধ্যে ৫টি পুকুরে পাকা ঘাট বাঁধানো। তৎকালীন সময়ে প্রতাপপুর এলাকার আশেপাশে যত জমিদার ছিল সবার চাইতে বিত্তবান ও প্রভাবশালী ছিল এই জমিদার। প্রতাপপুরের জমিদারদের বংশধররা জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এই জমিদার বাড়িটিতে ছিল।পরে তারা অজ্ঞাত কারণে এখান থেকে চলে যায়। বর্তমানে এই জমিদার বাড়ির বংশধরদের কিছু ঢাকায়, চট্টগ্রামে এবং কিছু ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যে থাকেন। প্রতাপপুর জমিদার বাড়ির বংশধররা এখান থেকে চলে গেলেও এই জমিদার বাড়ির সব সম্পত্তি এখনো জমিদার বাড়ির বংশধরদের মালিকানাধীন। তাদের জমি গুলো এলাকার মানুষের কাছে বর্গা দিয়ে রাখা হয়েছে। জমিদার বাড়ির বংশধররা এখানে বছরের মধ্যে দুইবার আসেন এবং বর্গার টাকা আদায় করে আবার চলে যান। বর্তমানে প্রতাপপুর জমিদার বাড়িটি সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত না থাকায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। চারিদিক লতাপাতায় ঢেকে গেছে।

প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি কিভাবে যাবেন

ট্রেনে ফেনী রেল ষ্টেশনে নেমে টমটমে করে ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে মহিপাল চলে আসুন। আর বাসে আসলে আপনার বাস থামাবেই মহিপাল। মহিপাল থেকে নোয়াখালি রুটের বাস অথবা সিএনজিতে এড়ে সেবারহাট নামবেন। বাসে ৪০ টাকার মতো নিবে। সেবারহাট নেমে যে কাউকে বড় বাড়ি বা রাজবাড়ি বললে রাস্তা দেখিয়ে দিবে। সেখান থেকে সি এনজি পাবেন, মাত্র ২০ টাকা ভাড়ায় একদম রাজবাড়ির কাচারি ঘরের সামনে। ফেরার পথে মহিপালে বিজয় সিংহ দিঘি এবং দিঘির পাশে গড়ে তোলা পার্ক থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

দিক নির্দেশনা