মাওয়া রিসোর্ট, মাওয়া

ভালো লেগেছে
1
Ratings
রেটিংস ( রিভিউ)

ঢাকা থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণে বিক্রমপুরের লৌহজং উপজেলার মাওয়া ১নং ফেরিঘাট হতে সামান্য দক্ষিণে মাওয়া-ভাগ্যকুল রাস্তার কান্দিপাড়া গ্রামে নির্মিত মাওয়া রিসোর্ট (Mawa Resort) যেন প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্ডিত একটি অন্য রকম পর্যটন কেন্দ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরপুর, নিরাপদ আর নির্জন পরিবেশে ভ্রমণের জন্য এটি হতে পারে অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি গড়ে উঠেছে একেবারে পদ্মার পাড়ে। অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা এই রিসোর্টটি এরই মধ্যে দেশি-বিদেশি আগন্তুক ও পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। ভ্রমণ পিয়াসু মানুষ প্রতিদিনই ছুটে যাচ্ছেন মাওয়া রিসোর্টে।

মাওয়া ১নং ফেরিঘাট থেকে মাত্র ৫০০ গজ দূরে মাওয়া-ভাগ্যকূল রাস্তার কান্দিপাড়ায় নির্মিত মাওয়া রিসোর্টটি যেন নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি অন্যরকম পর্যটন কেন্দ্র। নির্জন পরিবেশ আর সবুজে ঘেরা এ স্থানটি নানা দিক থেকেই ভিন্নতা লাভ করেছে। পর্যটন কেন্দ্রটির প্রধান ফটকে ঢুকতেই নজরে পড়ে বিশাল একটি দীঘি। দীঘির চারদিকে সারি সারি নারিকেল আর সুপারি গাছে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। দীঘিতে রয়েছে দুটি বাঁধানো পাকা ঘাট। দীঘির জলে ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে আধুনিক বোট। পাড়ে রয়েছে একটি ক্যাফেটেরিয়া। এতে চাহিদামত খাবার পাওয়া যায়। পুকুরের পূর্ব প্রান্তে থাকার জন্য রয়েছে সারি সারি ১৮টি কটেজ। ৫টি সিঙ্গেল ৪টি ডাবল ও একটি সুইট রয়েছে এখানে। কটেজে যাওয়ার সময় লাল, সাদা আর সবুজ রঙের দৃষ্টিনন্দন কাঠের সেতুগুলো বাড়তি সৌন্দর্যের জোগান দেয়। রাতে নির্জন গ্রামের রাশি রাশি জোনাক পোকার ম্লান আলোর আভায় রংবেরংয়ের বৈদ্যুতিক বাতিগুলোকে বড়ই অসহায় মনে হয়। পিকনিক কিংবা ছবির শুটিং করার জন্যও এটি হতে পারে একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র। রিসোর্টের কটেজগুলো ইটের দেয়ালে তৈরি করা হয়েছে। গোলপাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ছাদ। বাঁশের চটা দিয়ে নানান আল্পনা দিয়ে তৈরি করা সিলিং। ঘরের ভেতরেও রয়েছে আধুনিক আসবাবপত্র, বাথরুম আর দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ। আপাতত ২৩ বিঘা জায়গাজুড়ে এটি করা হয়েছে।

প্রতিদিনই পদ্মাপাড়ের এ ঘাটে বেড়াতে আসেন ঢাকা ও আশপাশের শত শত মানুষ। আর ছুটির দিন এখানে ছুটে আসেন বিভিন্ন পেশার হাজার হাজার মানুষ।

খরচ

রিসোর্টের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৩০টাকা।

রুম ভাড়া

শুধু দিনের বেলার জন্যে রুমের ভাড়া ৩০০০ টাকা থেকে শুরু। আর রাতে থাকতে চাইলে ভাড়া পরবে ৩৫০০ টাকা থেকে ১২০০০ টাকা পর্যন্ত।

যোগাযোগ

ফোনঃ ০১৭১১৬৭৬০৫৮, ০১৭৫৫৫৯২৫৮৫, ০১৭৫৫৫৯২৫৮৪, ০১৭১১০৫৭৯৪৭
ই-মেইলঃ info@mawaresort.com
ওয়েবসাইটঃ https://mawaresort.com
ফেইসবুক পেইজঃ https://www.facebook.com/mawaresortbd

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে মাওয়া গোলচত্বরের ডানদিকের রাস্তায় দুই কিমি দূরের লৌহজং পুলিশ ফারির নিকটে পুরনো ফেরী ঘাটের পাশে এটি অবস্থিত। যেতে পারেন বাস সার্ভিসে অথবা নিজের সাথে নেওয়া গাড়ি করে। সাথে গাড়ি থাকলে যেতে সময় লাগবে ২ ঘন্টার মতো। সেক্ষেত্রে যাওয়ার পথে আপনাকে দুই জায়গায় মোট ৬০ টাকা টোল দিতে হবে। গাড়ি রাখার জন্য লৌহজং থানা প্রাংগনে আছে সুবিধা মত অনেক জায়গা। লৌহজং থানা মসজিদ ঘাট পর্যন্ত সরাসরি আসতে পারবেন ঢাকার গুলিস্থান থেকে ছেড়ে আসা গাংচিল অথবা ইলিশ পরিবহনে। ভাড়া নিবে জনপ্রতি ৭০ টাকা।  মিরপুর ১০, ফার্মগেট , শাহবাগ থেকে যেতে পারেন স্বাধীন পরিবহন এ।

অথবা আপনি মাওয়া ঘাট পর্যন্ত যেতে পারেন “গ্রেট বিক্রমপুর পরিবহন” (মাওয়া-গুলিস্থান-মাওয়া) কিংবা “গোধুলী পরিবহনে” (মাওয়া-গাজীপুর/যাত্রাবারি-মাওয়া)। সেক্ষেত্রে মাওয়া ফেড়ীঘাট যাবার আগেই লৌহজং থানার যাবার পথের চৌরাস্তায় মোড়ে আপনাকে নামতে হবে। পরে রিক্সা অথবা অটোরিক্সাতে ১৫ মিনিটের পথ।

  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    10
    Shares
দিক নির্দেশনা

ঘুরতে যেয়ে পদচিহ্ন ছাড়া কিছু ফেলে আসবো না,
ছবি আর স্মৃতি ছাড়া কিছু নিয়ে আসবো না।।

দেশের স্থানসমূহঃ

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।

Sending