খেজুরতলা বীচ

ভালো লেগেছে
2

চট্রগ্রাম শহরে যে কয়টি সুন্দর বীচ আছে তার মধ্যে সৌন্দর্যয়ের দিক দিয়ে যদি তুলনা করা যায় তাহলে খেজুরতলা অন্যতম। আপনি যদি একবার যান তাহলেই বুঝতে পারবেন কেন এটি সুন্দর? সত্যিকারের সৌন্দর্য দেখতে হলে যেতে হবে খুব ভোরবেলা/পড়ন্ত বিকেলে। বিকেলের দিকে বীচের সৌন্দর্য দেখার মতো! সহজেই কম খরচে যাতায়াতযোগ্য খেজুরতলা বীচ (Khejurtola Sea Beach) এ আপনি একই সাথে পতেংগা এবং নেভালের পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। বাধের পাথরে বসে আড্ডা দিতে পারেন কিংবা সবুজ ঘাস-বিছানো তীর ধরে হাটতে হাটতে উপভোগ করতে পারেন আশেপাশের জেলেপাড়ার জনজীবন। আর বন্ধুরা মিলে গেলে ফুটবল নিয়ে গেলে তো কথাই নেই, সাগরপাড়েই বিশাল মাঠের মত আছে। খেলাধুলার জন্য অতি উত্তম একটা জায়গা। সন্ধ্যার পর সাগরের ঢেউয়ের সাথে বাতাসের হু-হু আওয়াজ আর সাগরজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শয়ে শয়ে জেলে নৌকোর টিমটিমে আলো আর দূর সমুদ্রে স্থবির জাহাজগুলোর সোডিয়াম আলো আপনাকে দিবে অন্যরকম আবহ!

সময় নিয়ে গেলে খেজুরতলা থেকে দক্ষিণদিকে হাটতে হাটতে আধাঘন্টায় পৌছে যেতে পারেন জাইল্লাপাড়া বীচে। এখানটায় পুরা ভিন্ন আবহ! জেলেপাড়ার ব্যস্ততায় মুখর একটা জায়গা! জেলেদের কেউ জাল বুনছে,কেউবা নৌকা মেরামত,বা কেউ মাছ ধরা-বিক্রি কিংবা শুকিয়ে শুটকি বানানোয় ব্যস্ত। সেই সাথে সন্ধ্যায়/রাতে/ভোরের দিকে গেলে অল্প দামেই নিলাম থেকে কিনে নিতে পারেন তরতাজা ইলিশ চিংড়ি কিংবা অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ!

কিভাবে যাবেন

চট্রগ্রাম শহরের যেকোন যায়গা থেকে ষ্টীলমিল বাজারে নেমে হাতের ডান দিক বরাবর (দক্ষিণ-পশ্চিম) যে রাস্তা গেছে সেখান থেকে অটোবাইক/রিকশা নিয়ে ১০ মিনিটেই পৌঁছানো যায় খেজুরতলা বীচ।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।