ঘাগড়া ঝর্ণা

ভালো লেগেছে
1

ঘাগড়া ঝর্ণাটি (Ghagra Waterfall) রাঙ্গামাটির চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এলাকাটি কলাবাগান নামেও পরিচিত। তাই স্থানীয়ভাবে এটি কলাবাগান ঝর্ণা (Kolabagan Jhorna) হিসেবেও পরিচিত। এখানে পাহাড়ি ছড়ার মধ্য দিয়ে প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার হেঁটে যেতে হয় মূল ঝর্ণায়। তবে যাওয়ার পথে দেখা মেলে আরও ৩-৪ টি ছোট-বড় ঝর্ণার। মাত্র পনেরো থেকে বিশ মিনিট হেঁটে গেলেই দৃষ্টিনন্দন বড় ঝর্ণাটি স্বাগত জানাবে। এরপর হালকা পিচ্ছিল অথচ মসৃণ পথ বেয়ে উপরের দিকে উঠতে হয়।

প্রথম ঝর্ণা থেকে কিছুটা উঁচুতে উঠলে অপর ঝর্ণাটি পর্যটকদের ক্লান্তি দূর করে বিমোহিত করবে। এভাবে একেকটা ঝর্ণাধারা পেরিয়ে একের পর এক যত উঁচুতে উঠবেন; ততই আপনি মুগ্ধ হতে থাকবেন। মূল ঝর্ণায় যাওয়ার পথ ও পথের ধারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নুড়ি পাথার ও সবুজে ঢাকা অরণ্য মুগ্ধ করবে।

এ পথের সর্বশেষ অংশে দেখা মিলবে সবচেয়ে বড় ঝর্ণাটির। প্রতিটি ঝর্ণারই রয়েছে স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য, যা না দেখলে কারো বিশ্বাস হবে না। তবে ঝর্ণায় আসার পথ অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ। সাবধান না থাকলে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কিভাবে যাবেন

রাঙ্গামাটি শহর থেকে সিএনজি ভাড়া করে যাওয়া যায় ঘাগড়া ঝর্ণাটিতে। ভাড়া নিতে পারে জন প্রতি ৫০-৬০ টাকা। মূল সড়ক থেকে হাতের বামে প্রবাহমান একটি ছোট্ট পাহাড়ি ছড়া রয়েছে। ছড়াটির উপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য নুড়ি পাথরের উপর দিয়ে হেঁটে দুই পাশের অসংখ্য পাহাড় আর সবুজে ঢাকা গাছ-পালার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে এগিয়ে যেতে হয় মূল ঝর্ণার দিকে।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।