বর্ডার হাট, সুনামগঞ্জ

ভালো লেগেছে
1

২০১২ সালের ১লা মে বাংলাদেশের ২য় বর্ডার হাট (Border Haat) সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ডলুরা ও ভারতের মেঘালয়ের রাজ্যের শিলং সাব ডিভিশনের বালাটের লালপানি এলাকার জিরো পয়েন্টে উদ্বোধন হয়। এ হাটে ভারত এবং বাংলাদেশের ২৫টি করে মোট ৫০টি দোকান রয়েছে। দু’দেশের সীমান্তবর্তী ৫ কিলোমিটার অভ্যন্তরের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এখানে কেনাকাটা করেন। একজন ক্রেতা সর্বমোট ৫০ ডলারের সমপরিমাণ টাকার পণ্য ক্রয় করতে পারবেন। এই হাটে দুই দেশের সীমান্ত এলাকার লোকজন কৃষি, খাদ্য, হস্তশিল্প পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনাবেচা করছে।

সুনামগঞ্জ জেলা শহর হতে এই হাটে যেতে এক ঘণ্টার মত সময় লাগে। সাধারনত মটরসাইকেল যোগে এই হাটে যেতে হয়। বাংলাদেশ এবং ভারতের অনেক পণ্য এই হাটে কেনা বেচা হয়। জমজমাট এ বর্ডার হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই উপকৃত হচ্ছেন। এ বর্ডার হাটের ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান অনেকটা কমে গেছে।

টাকা থেকে রুপি করার জন্য জনতা ব্যাংকের একটি বুথও রয়েছে বর্ডার হাটে। নিরাপত্তার স্বার্থে ক্রেতার জন্য লাল কার্ড, বিক্রেতার জন্য আকাশী কার্ড, বিক্রেতার সহকারীর জন্য বাদামি কার্ড ও দর্শনার্থীদের জন্য সাদা কার্ড রয়েছে। প্রতি হাটেই একজন সহকারী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম বর্ডার হাট মনিটরিং করে।

বর্ডার হাট কখন বসে

প্রতি সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার (সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৩ টা ৩০ পর্যন্ত) বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত এলাকার লোকজন বর্ডার হাটে পণ্য বেচাকেনা করে।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে যে কোন বাসে (হানীফ, শ্যামলী, এনা) সুনামগঞ্জ যাবেন। ভাড়া ৫৫০ টাকা। সুনামগঞ্জ থেকে অটোতে হালুয়ার ঘাট, ভাড়া ১০ টাকা। এরপর সুরমা নদী পার হয়ে বাইকে (৮০ টাকা) বা অটোতে বর্ডার হাট। সুনামগঞ্জ থেকে যেতে আনুমানিক সময় ১ঃ৩০ ঘন্টা লাগে।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।