ভোলাগঞ্জ

ভালো লেগেছে
18

ভোলাগঞ্জ (Bholaganj) সিলেটের আর একটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। রোপওয়ে, পাথর কোয়ারী আর পাহাড়ী মনোলোভা দৃশ্য অবলোকনের জন্য এখানে প্রতিদিনই আগমন ঘটে পর্যটকদের। সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব মাত্র ৩৩ কিলোমিটার। ভারতের আসাম প্রদেশের রাজধানী শিলংয়ে এক সময় লোকজন এ রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতো। কালের পরিক্রমায় এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রজ্জুপথ। নাম ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে। দেশের সর্ববৃহৎ ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীর অবস্থানও এ এলাকায়। রোপওয়ে, পাথর কোয়ারী আর পাহাড়ী মনোলোভা দৃশ্য অবলোকনের জন্য এখানে প্রতিদিনই আগমন ঘটে পর্যটকদের।

সিলেট- ভোলাগঞ্জ সড়কের অবস্থা খু্‌বই শোচনীয়। নিজের বাহন না থাকলে নারী/শিশুকে নিয়ে ভ্রমন কষ্টকর হয়ে যাবে। সিলেট শহর থেকে সড়ক দূরত্ব কম হলেও রাস্তার কারণে সময় লাগবে প্রায় দেড় ঘন্টা। ভোলাগঞ্জ এ আপনি সর্বোচ্চ দেড় ঘন্টা সময় কাটালে সবকিছু দেখে আসতে পারবেন, অর্থাৎ এই ভ্রমণে আপনাকে সময় বরাদ্দ করতে হবে মোট সাড়ে চার ঘন্টা।

কখন যাবেন

মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এলাকায় যাওয়ার মোক্ষম সময়।

ভোলাগঞ্জ এর দর্শনীয় স্থানগুলো

ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে

ভারতের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে নেমে আসা ধলাই নদীর সাথে প্রতিবছর বর্ষাকালে নেমে আসে প্রচুর পাথর। ধলাই নদীর তলদেশেও রয়েছে পাথরের বিপুল মজুদ। এই পাথর দিয়ে পঞ্চাশ বছর চালানো যাবে- এই হিসাব ধরে ১৯৬৪-১৯৬৯ সাল পর্যন্ত সময়কালে সোয়া দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে প্রকল্প। বৃটিশ রোপওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্রকল্পের আওতায় ভোলাগঞ্জ থেকে ছাতক পর্যন্ত সোয়া ১১ মাইল দীর্ঘ রোপওয়ের জন্য নির্মাণ করা হয় ১২০টি টাওয়ার এক্সক্যাভেশন প্লান্ট। মধ্যখানে চারটি সাব স্টেশন। দু’প্রান্তে ডিজেল চালিত দুটি ইলেকটৃক পাওয়ার হাউস, ভোলাগঞ্জে রেলওয়ে কলোনী , স্কুল,মসজিদ ও রেস্ট হাউস নির্মাণও প্রকল্পের আওতাভুক্ত ছিল। এক্সক্যাভেশন প্লান্টের সাহায্যে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাথর উত্তোলন করা হলেও বর্তমানে এ পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। সংশি­ষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত লোকবলের অভাব, পাথরের অপর্যাপ্ততা ও বিকল ইঞ্জিনের কারণে দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে এক্র্ক্যাভেশন মেশিন বন্ধ রয়েছে। আগে উত্তোলিত পাথর ভাঙ্গা, ধোয়া ও টুকরোর আকার অনুসারে বালু,স্টোন চিপস ও ট্রাক ব্যালাস্ট  ইত্যাদি শ্রেণীতে ভাগ করা হতো। শ্রেণী অনুসারে সেগুলো পৃথক পৃথকভাবে বের হয়ে রোপওয়েতে ঝুলানো চারকোনা বিশিষ্ট ষ্টীলের বাকেটে জমা হতো। প্রতিটি বাকেটের ধারণ ক্ষমতা ২৩৭ কেজি (প্রায় ১২০ ফুট)। পাথর ভর্তি বাকেট পাঠানো হতো ছাতকে। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ঠিকাদাররা স্থানীয়ভাবে বোল্ডার পাথর ক্রয়ের পর তা ভেঙ্গে বিভিন্ন সাইজে বিভক্ত করে। তারপর তা বাকেটে পুরে ছাতকে প্রেরণ করা হয়। মজার ব্যাপা হলো, এলাকাটি দেখতে অনেকটা ব-দ্বীপের মতো। ধলাই নদী বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে প্লান্টের চারপাশ ঘুরে আবার একীভূত হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদরের কাছে ধলাই নদী মিলিত হয়েছে-পিয়াইন নদীর সাথে। রোপওয়ের আয়তন প্রায় একশ’ একর। আর এ কারণেই স্থানটি পর্যটকদের কাছে এত আকর্ষণীয়।

পাথর আহরণের দৃশ্য

ভোলাগঞ্জ কোয়ারীতে শুষ্ক মওসুমে প্রধানত গর্ত খুঁড়ে পাথর উত্তোলন করা হয়। এ পদ্ধতিতে শ্রমিকরা প্রথমে কোয়ারীর ওপরের বালি অপসারণ করে। পর্যায়ক্রমে গর্ত খুঁড়ে নিচের দিকে যেতে থাকে। ৭/৮ ফুট নিচু গর্ত খোঁড়ার পর কোয়ারীতে পানি উঠে যায়। পানি উঠে গেলে শ্যালো মেশিন দিয়ে কোয়ারীর পানি অপসারণ করে শ্রমিকরা পাথর উত্তোলন করে। এর বাইরে ‘শিবের নৌকা’ পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলন করা হয়। এ পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের উপায় হচ্ছে-একটি খালি নৌকায় শ্যালো মেশিনের ইঞ্জিন লাগানো হয়। ইঞ্জিনের পাখা পানির নীচে ঘুরতে থাকে। পাখা অনবরত ঘুরতে ঘুরতে মাটি নরম হয়ে পাথর বেরোতে থাকে। সংশি­ষ্টরা ঝঁকির সাহায্যে পাথর নৌকায় তুলে। এ পদ্ধতিতে সহস্রাধিক শ্রমিক পাথর উত্তোলন করে থাকে। এ পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের দৃশ্যও খুব উপভোগ্য।

ভোলাগঞ্জ ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন

ভোলাগঞ্জে রয়েছে একটি ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন। এ স্টেশন দিয়ে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম চলে। এ স্টেশন দিয়ে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা প্রধানত চুনাপাথর আমদানী করে থাকেন। চুনাপাথর নিয়ে প্রতিদিন শত শত ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। সীমান্তের জিরো লাইনে এ কাস্টমস স্টেশনের অবস্থান। চুনাপাথর আমদানির দৃশ্য অবলোকনের বিষয়টিও পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়।

কিভাবে যাওয়া যায়

বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে সিলেট শহরের কদমতলী আসতে হবে। কদমতলী থেকে আম্বরখানা পয়েন্টে আসতে হবে। আম্বরখানা পয়েন্ট থেকেই ভোলাগঞ্জের সি এন জি পাবেন। কদমতলী থেকে নেমে রিক্সায় আম্বরখানা পয়েন্টে যেতে পারেন, ভাড়া পড়বে ৫০ টাকা। আম্বরখানা থেকে ভোলাগঞ্জে লোকাল জনপ্রতি ১৩০ টাকা করে শুধু যাওয়া। চাইলে রিজার্ভও যাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে যাওয়া আসা মিলে ১২০০ টাকা। তবে অবশ্যই দরদাম করে নিতে হবে। ভোলাগঞ্জ সি এন জি দিয়ে যাওয়ার পরে আপনাকে জিরো পয়েন্টে সাদাপাথর যেতে হলে নৌকা ভাড়া করতে হবে। এক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে ৭০০-১০০০ টাকা। তবে এক্ষেত্রে একটা জিনিস মনে রাখতে হবে যে ৫ জনের গ্রুপ গেলে খরচ কমে যাবে অনেকাংশে।

এছাড়া কেউ চাইলে সিলেট থেকে টুকেরবাজার পর্যন্ত যাত্রীবাহি বাস অথবা সিএনজি যোগে যাতায়াত করতে পারেন। টুকের বাজার থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত রয়েছে বেবিটেক্সি সার্ভিস। বিশেষ কোয়ারীতে যেতে হলে নদী তীরে অবস্থিত পোস্টের বিডিআর’এর অনুমতি নিতে হবে। ইঞ্জিন নৌকার ভাড়া ১৫০০- ২০০০/- পর্যন্ত। পাথর উত্তোলনের জন্য এই নৌকাগুলো ব্যবহৃত হয়। এতে মাঝিদের প্রচুর আয় হয়। ফলে মানুষ পরিবহন করতে হলে পাথর পরিবহনের সমান ভাড়া না পেলে তারা ভাড়া খাটতে রাজী হয় না।

কোথায় থাকবেন

জেলা পরিষদের একটি রেস্ট হাউস আছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্তবধানে। থাকতে হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতি নিতে হয়। এ ছাড়া ভোলাগঞ্জ বা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় থাকার জন্য তেমন কোন ভাল ব্যবস্থা নাই। আপনি ভোলাগঞ্জ দর্শন শেষ করে সিলেটে এসে অবস্থান করতে পারবেন।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।

  1. সিলেটের আশেপাশে কম খরচে ঘুরার জন্যে সবচেয়ে সেরা জায়গা।
    রাস্তা একটু বেশিই খারাপ। তবে স্পটে যাওয়ার পরে এসব ভোগান্তি কিছুই মনে হবে না । ❤️

  2. আমার দেখা বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর জায়গা। এখনো পর্যটকের সংখ্যা কম থাকায় জায়গাটা তার সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে পেরেছে। এর প্রধান কারন রাস্তার অবস্থা। সিলেট থেকে শালুটিকর পর্যন্ত রাস্তা ভালো। অবশ্য কোম্পানিগঞ্জ থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তা বেশিরভাগই ভালো। রাস্তার কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে এটা যে সিলেটের অন্যতম প্রধান টুরিস্ট স্পট হবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই।

  3. জাফলং ও বিছানাকান্দির চেয়েও অনেক সুন্দর জায়গা এটি। কেন তা বললাম তা গেলে আপনিও বলবেন 🙂 রাস্তা অনেক খারাপ তবে কাজ চলছে। যেতে একটু কষ্ট হবে কিন্ত একটু কষ্ট না করলে কেষ্ট মিলে না। নৌকায় ১৫ জন যাওয়া যায়। নৌকা সারাদিন থাকবে চিন্তা নেই। এখানকার পানিতে অনেক স্রোত থাকে তাই সাবধান। বিকেল ৫ টার ভিতর রওনা দেয়াটা উত্তম।

  4. জায়গাটা দেখতে অনেকটা বিছনাকান্দির মতই কিন্তু এখানে পর্যটকের সংখ্যা খুবই কম থাকায় আপনি প্রকৃতির সৌন্দর্য খুব ভালো উপভোগ করতে পারবেন। সাদা পাথর, স্বচ্ছ পানি,সবুজ পাহাড়ের সারি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। এই দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য দেখতে হলে আপনাকে একটু কষ্ট করতেই হবে কারন রাস্তার অবস্থা মারাত্মক রকমের খারাপ।

  5. ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর জন্য আপনাকে প্রথমে সিলেট থেকে দয়ারবাজার বাজার যেতে হবে। সিলেটের আম্বরখানা থেকে দয়ার বাজার লোকাল সিএনজি ভাড়া ২২০-২৫০ টাকা। যেতে ২.৫-৩ ঘন্টার সময় লাগে। রাস্তার অবস্থা তেমন ভাল নয়। দয়ারবাজার ঘাট থেকে নৌকা রিসার্ভ করে যেতে হবে সাদাপাথর। সময় অনুযায়ী নৌকা ভাড়া ৫০০-১০০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন।

  6. নদী পথে ভোলাগঞ্জ শুধুমাত্র বর্ষাতে যাওয়া যায় এই ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে। সড়ক পথে সারা বছরই যাওয়া যায় তবে রাস্তার অবস্থা খুব একটা ভালো না 🙁

  7. রাস্তা এত খারাপ যে বিশ্বের সবচেয়ে বাজে রাস্তা হিসেবে সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়ককে যে কেউ এক কথায় মেনে নেবেন।

    রাস্তা খারাপের জন্যই আমরা নদী পথ বেছে নিয়েছিলাম। এই পথে জন প্রতিখরচ ২শ’ টাকা। সংখ্যায় বেশি হলে ট্রলার রিজার্ভ নিয়ে নিন। ভাড়া নিবে ৬ হাজার টাকা যাওয়া-আসা।

    যাতায়াতের সময় সড়ক পথের মতোই নদী পথেও তিন ঘণ্টার মতো। দিনে গিয়ে দিনেই ফেরত আসা যাবে।

    মনে রাখবেন, ভোলাগঞ্জ থেকে সিলেট বাদাঘাটের শেষ ট্রলার ছেড়ে আসে বিকেল চারটায়। তাই সময় ব্যাপারটা সব সময় আপনার মাথায় রাখতে হবে। ট্রলার মিস করলে সড়ক পথ ভরসা, সে ক্ষেত্রে দূর্বিষহ যন্ত্রণা পোহাতে হবে। আর নদী পথে যাতায়াতে একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সম্ভব হলে সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট রাখবেন।

  8. সিলেট থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি কোন যানবাহন সার্ভিস নেই। পর্যটকরা সিলেট থেকে টুকেরবাজার পর্যন্ত যাত্রীবাহি বাস অথবা ফোরস্ট্রোকযোগে যাতায়াত করেন। টুকের বাজার থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত রয়েছে বেবিটেক্সি সার্ভিস। রাস্তা খুবই খারাপ কিন্তু সবশেষে যেটা দেখতে পাবেন তাতে এটুকু কষ্ট সহ্য করাই যায়।

  9. সরকারের সুনজর পড়লে সিলেট জেলার সবচেয়ে সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র হতে পারতো ভোলাগঞ্জ সীমান্ত এলাকা। দিগন্তবিস্তৃত পাহাড়, পাহাড়ের গায়ে মেঘেদের আনাগোনা আর সচ্ছ পানির প্রবাহ, সব মিলিয়ে এক দারুন দৃশ্য। যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যান্ত খারাপ হলেও বর্ষায় নদীপথে যাতায়ত বেশ আরামের এবং বেশ উপভোগ্য। নদী পথে যেতে যেতে অসম্ভব সুন্দর দৃশ্য আপনার মন ভরাবে নিশ্চিত। সাদা পাথর এলাকাটা ভোলাগঞ্জের একটা মাস্টওয়াচ জায়গা।

  10. ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো প্রয়োজন ছাড়া এখানে না যাওয়াই উত্তম। কারণ সিলেটের সবচেয়ে বাজে রাস্তা হচ্ছে এই ভোলাগঞ্জের রাস্তা। সিলেট থেকে দূরত্ব মাত্র ৩৩ কি.মি. অথচ যেতে সময় লাগে ২.৩০-৩ ঘন্টা। আর জ্যামে পড়লেতো কথাই নেই। সারাদিন চলে যেতে পারে।