আরণ্যক রিসোর্ট

ভালো লেগেছে
4

রাঙামাটি শহরের সেনানিবাস এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের পাশে গড়ে উঠা আরণ্যক রিসোর্টটি (Aronnok Holiday Resort) অপরূপ সুন্দর ছায়া ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা সম্পূর্ণরূপে এই রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছে। অপূর্ব সুন্দর কাপ্তাই হ্রদ ঘেরা এ রিসোর্টের ছিমছাম পরিবেশ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। মন ভুলানো এ রিসোর্টের প্রধান আকর্ষণ এর পরিবেশ ও কাপ্তাই লেকের নীল জলে প্যাডেল বোটে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ানো।‌

যেকোন দিন পুরো পরিবার নিয়ে ঘুরে আসার জন্য এই রিসোর্টটি। কাপ্তাই লেকের অসাধারণ প্রাকৃতিক পরিবেশে দারুণ কিছু সময় কাটবে আপনার এখানে। আর যদি সেটা কোন পুর্নিমার রাত হয় তবে তো কথাই নেই। দিনের বেলায় যেমন সুন্দর তেমনি দুর্দান্ত তার রাতের পরিবেশও। এই রিসোর্ট সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও কোন সমস্যায় পরতে হয় না। লেকভিউর সাথে আছে সুইমিং পুলের সুবিধা, বোট রাইড। এর দুর্দান্ত নির্মাণশৈলী আপনার নজর কাড়বে অনায়াসেই। ছোট‌দের জন্য আরণ্যক রি‌সো‌র্টে রয়েছে বিভিন্ন রকমের খেলার রাইড। শুধু ঘুরে বেড়া‌নোই নয় আরণ্যক রি‌সো‌র্টে থাকা খাওয়ারও সকল ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রবেশ মূল্য

আরাণ্যক রিসোর্টের প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা।

যোগাযোগ

ফোন: ০১৭৬৯৩১২০২১

যাওয়ার উপায়

ঢাকার ফকিরাপুল মোড় ও সায়দাবাদে রাঙামাটি গামী অসংখ্য এসি ও নন-এসি বাস রয়েছে। এই বাসগুলো সাধারণত সকাল ৮টা থেকে ৯টা এবং রাত ৮টা ৩০মিনিট থেকে রাত ১১টার মধ্যে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তাদের মধ্যে রয়েছে হানিফ, শ্যামলী, এস আলম, ইউনিক, সৌদিয়া ইত্যাদি। এসকল বাসে ভাড়া পড়বে ৬০০-৯০০ টাকার মধ্যে। এসব বাসে চেপে যেতে হবে রাঙামাটি শহর। এরপর সেখান থেকে আপনাকে পৌঁছতে হবে আরণ্যক রিসোর্টে।

চট্রগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটি টাউন এ প্রবেশ করার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে রাঙ্গামাটি ক্যান্টনমেন্ট নেমে যেতে হবে আপনাকে এবং নেমে আর্মিদের জিজ্ঞেস করলে ওরাই দেখেই দেবে কোন পথ দিয়ে যেতে হবে। মূলত ক্যান্টনমেন্ট ভিতর দিয়ে যেতে হয়। মেইন রোড থেকে পায়ে হেঁটে গেলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগবে রিসোর্ট পোঁছাতে। হাঁটতে ইচ্ছে না হলে অপেক্ষা করলে সিএনজি অটো পেয়ে যেতে পারেন।

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।