- আকাশ পরিষ্কার থাকে
- মনোরম ও ঠান্ডা আবহাওয়া
- সূর্যোদয় ও ‘মেঘের সমুদ্র’ দেখার জন্য এটি উপযুক্ত সময়
মেঘালয়ের প্রচলিত পর্যটন কেন্দ্রগুলোর (যেমন—চেরাপুঞ্জি, ডাউকি বা শিলং শহর) ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে যারা নির্জন, অপরূপ প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে চান, তাদের জন্য এক চমৎকার লুকানো রত্ন হলো মারখাম ভ্যালি (Markham Valley)। বিস্তীর্ণ ঢেউ খেলানো সবুজ প্রান্তর এবং কুয়াশাচ্ছন্ন উপত্যকার সৌন্দর্যের জন্য একে ভালোবেসে “মেঘালয়ের মিনি জুকো ভ্যালি” (Mini Dzukou of Meghalaya) বলা হয়।
মেঘালয় সারা বছরই সুন্দর, তবে কিছু ঋতুতে প্রকৃতি আরও মনোরম হয়ে ওঠে।
শীতকালে ভ্রমণ করলে আপনি সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা পাবেন। আবহাওয়া মনোরম এবং সব গন্তব্য সহজে ভ্রমণযোগ্য থাকে।
ঢাকা/বাংলাদেশ থেকে: তামাবিল/ডাউকি সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে ডাউকি থেকে শিলং পৌঁছান (প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা)।
কলকাতা/ভারত থেকে: গুয়াহাটি বিমানবন্দর বা রেলওয়ে স্টেশনে নেমে সেখান থেকে শিলং (৩–৪ ঘণ্টা)।
শিলং থেকে মারখাম ভ্যালি: শিলং থেকে NH 106 ধরে নংস্টোইনের (Nongstoin) দিকে রওনা দিলে প্রথমে পড়বে মাইরাং (Mairang) শহর, প্রায় ৪০ কিমি। মাইরাং থেকে আরও প্রায় ১৫-২০ কিমি পাহাড়ি ও কিছুটা কাঁচা গ্রাম্য পথ পেরিয়ে মারখাম গ্রামে পৌঁছানো যায়। শিলং বা মাইরাং থেকে রিজার্ভ প্রাইভেট ট্যাক্সি বা জিপ নেওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক।
Time needed: 3 days
শিলং থেকে সকালে রওনা হয়ে পথিমধ্যে মাওফ্লাং সেক্রেড ফরেস্ট (Mawphlang Sacred Forest) ঘুরে দুপুরে মাইরাং বা মাওফানলুর (Mawphanlur) পৌঁছান। সেখানে কটেজ বা হোমস্টে-তে রাত্রিযাপন।
খুব ভোরে (সূর্যোদয়ের আগে) মারখাম ভ্যালির ডোম্মুরোক ভিউ পয়েন্ট-এ যান এবং মেঘ ও পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করুন। দুপুরে ফিরে এসে সুবিশাল গ্রানাইট শিলা কাইলাং রক (Kyllang Rock) আর খুদোই জলপ্রপাত (Khudoi Falls) ঘুরে দেখুন। রাতে মাওফানলুরের লেকপাড়ে কটেজে থাকুন।
মাওফানলুরের সাতটি প্রাকৃতিক লেকের শান্ত রূপ দেখে এবং বোটিং শেষ করে শিলং/গুয়াহাটি ফিরে আসুন।
মারখাম ভ্যালি থেকে সহজেই ঘুরে আসা যায় এমন জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো।
পাহাড়ের চূড়ায় সাতটি প্রাকৃতিক লেকসমৃদ্ধ অত্যন্ত শান্ত এক গ্রাম (“Land of Lakes”)
দূরত্ব ২৫-৩০ কিমি
(শ্রীপুর চা বাগান থেকে)
প্রায় ১০০০ ফুট উঁচু একখণ্ড প্রাচীন গ্রানাইট পাথর, যার চূড়ায় উঠলে চারপাশের পাহাড়ি দৃশ্যাবলী দেখা যায়।
দূরত্ব ৪০-৪৫ কিমি
(শ্রীপুর চা বাগান থেকে)
জঙ্গলের মাঝে লুকিয়ে থাকা একটি অনিন্দ্যসুন্দর জলপ্রপাত।
দূরত্ব ৩৫-৪০ কিমি
(শ্রীপুর চা বাগান থেকে)
মেঘালয়ের বৃহত্তম রিভার আইল্যান্ড এবং বালুকাময় সৈকত (সময় বেশি থাকলে ঘুরে আসতে পারেন)।
দূরত্ব ১৫-২০ কিমি
(শ্রীপুর চা বাগান থেকে)
Leave a Comment