বাকলাই ঝর্ণা

ভালো লেগেছে
2

বাকলাই ঝর্ণা (Baktlai Jhorna ) যা বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ঝর্ণা। বাক্তলাই ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ৩৯০ ফুট এবং এটি বান্দরবানের বাকলাই গ্রামে অবস্থিত একটি ঝর্ণা। নিরাপত্তাজনিত কারনে প্রশাসন ২০১৫ সাল থেকে এই রুটটিও বন্ধ রেখেছে। প্রায় ৩৯০ (+/-১০) ফুট উচুঁ পাহাড়ের খাঁজ বেয়ে তীব্র জলধারা যখন নিচের পাথর গুলোতে আঁছড়ে পড়ে, তার তীব্র বেগ, গুম গুম করা আওয়াজ আর চারপাশের বুনো পরিবেশ এক অন্য রকম ইনফেরিওরিটির জন্ম দেয়।

GPS Coordinate:
Latitude: N21 52 05.8
Longitude: E92 31 04.2

লিলুক/লাংলুক ঝর্ণার উচ্চতা আর বাক্লাই/বাক্তলাই ঝর্ণার উচ্চতা নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় কোনটা আসলে সর্বোচ্চ ঝর্ণা তা নিয়ে মতোবিরোধ রয়েছে। তবে সৌন্দর্যের দিক থেকে লিলুক/লাংলুক ঝর্ণা থেকে বাক্তলাই ঝর্ণা অনেক অনেক এগিয়ে।

বাক্লাই ঝর্ণাটি দেখতে চাইলে আপনাকে হাতে পাঁচ থেকে সাতদিন রাখতে হবে আর থানর্চি যান তিন থেকে চার দিন সময় দিতে হবে। তবে আপনি কতটা হাঁটতে পারেন তাঁর উপর নির্ভর করছে এখানে আসতে কতদিন লাগতে পারে। থানচি দিয়ে ৪৫ কিঃ এবং রুমা দিয়ে ১১০ কিঃ উভয় দিক থেকে আপনি এই ঝর্ণাটি দেখতে আসতে পারবেন ৷

রুমা দিয়ে কেওক্রাডং থেকে তাজিংডং এর পথে বাকলাই গ্রাম। গ্রামটি ট্রেকারদের সুপরিচিত আশ্রয়/ক্যাম্পিং স্পট হিসেবে সুপরিচিত। এখানে একটি সেনা ক্যাম্প আছে। বাকলাই পাড়া থেকে এক ঘণ্টা হাঁটা পথ পরে বাকলাই জলপ্রপাত অবস্থিত।

থনচি দিয়ে যেতে চাইলে রুট প্ল্যান হবে এমনঃ থানচি টু নৌথাহা পাড়া টু সাংয়াং মুরুং পাড়া টু হাস্তরাং পাড়া।

কিভাবে যাবেন

বাকলাই ঝর্ণা থানচিতে অবস্থিত হওয়ায় আপনাকে প্রথমেই বান্দরবানে পৌছাতে হবে। বাংলাদেশের প্রায় সব জেলা থেকেই বান্দরবানে বাস চলাচল করে। আপনার সুবিধার্থে ঢাকা থেকে বান্দরবানে চলাচলকারী বাসের ভাড়া সম্পর্কে ধারনা প্রদান করা হলো। নন এসি বাসে ভ্রমন করলে ঢাকা থেকে বান্দরবানে যেতে খরচ হবে প্রায় ৬২০/- টাকা। এসব বাস সাধারণত রাতের বেলা ছেড়ে যায় তবে অন্য সময়েও বাস ছাড়তে পারে। ঢাকা থেকে সড়কপথে বান্দরবানে যেতে প্রায় ৭ ঘণ্টা সময় লাগবে।

বান্দরবান থেকে বাস অথবা চান্দের গাড়িতে করে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টায় প্রায় ৭৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত থানচিতে পৌছাতে পারবেন। থানচি বাজার থেকে বাকলাই ঝর্ণায় যেতে ৮-১০ ঘন্টা সময় লাগবে। ট্রেকিং এর পথটাও অনেক সুন্দর, উঁচু নিচু পাহাড় আর ঝিরিপথ পাড়ি দিয়ে এখানে পৌছুতে হয়! এসময় আপনাকে বেশকিছু পাড়া অতিক্রম করতে হবে যেমনঃ টুটংপাড়া, বোর্ডিং হেডম্যানপাড়া, কাইতনপাড়া ইত্যাদি। ঝর্ণার উপরে উঠতে চাইলে আরও প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগবে।

থাকা-খাওয়া

পাহাড়িদের ঘরেই থাকা খাওয়া!

×

করোনা (COVID-19) ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে যা করনীয়ঃ

  • সবসময় হাত পরিষ্কার রাখুন। সাবান দিয়ে অন্তত পক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত হাত ধুতে হবে।
  • সাবান না থাকলে হেক্সিসল ব্যবহার করুন। হেক্সিসল না থাকলে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করুন।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকুন, যতটুকু সম্ভব ভীড় এড়িয়ে চলুন।
  • বাজারে কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন, করলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
  • টাকা গোনা ও লেনদেনের পর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
  • ওভার ব্রিজ ও সিড়ির রেলিং ধরে ওঠা থেকে বিরত থাকুন।
  • পাবলিক প্লেসে দরজার হাতল, পানির কল স্পর্শ করতে টিস্যু ব্যবহার করুন।
  • হাত মেলানো, কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।
  • নাক, মুখ ও চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন।
  • হাঁচি কাশির সময় কনুই ব্যবহার করুন।
  • আপনি যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হয়ে থাকেন তবে মাস্ক ব্যবহার আবশ্যক নয় তবে আক্রান্ত হলে সংক্রমণ না ছড়াতে নিজে মাস্ক ব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। Stay Home, Stay Safe.

দিক নির্দেশনা

আপনার রিভিউ দিন

* বাধ্যতামূলক ভাবে পূরণ করতে হবে।