কম খরচে আমার ভারত ভ্রমণ ( মানালি পর্ব )

যুক্ত করা হয়েছে

আগের পর্ব

২৩শে সেপ্টেম্বর’১৫

বেশ ভোরে ঘুম থেকে উঠলাম। সকালে সিমলা থেকে মানালি যাবার শেষ বাস সাড়ে নটায়। ব্যাগপত্র গুছিয়ে আমি রেডি। কিন্তু সেতু আর নিয়নের যেন কোন তাড়া নেই। তারা দুজনে বিছানায় ছাড়তে চাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত নটার সময় তারা রহস্য খোলসা করলো। তারা আমাকে জানালো যে তারা মানালি যাবে না। এমনকি আমাকেও যেতে দেবে না। আমাকে নিয়ে আজ বিকালে তারা জম্মুর উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। সেখান থেকে কাশ্মীরের শ্রীনগরে তাদের পরিচিত এক ডাক্তার আঙ্কেলের বাসায় উঠবে। সেখানে সবাই একসাথে কুরবানি ঈদের নামাজ আদায় করা হবে। তাদের পরিকল্পনা শুনেই আমার মাথায় রক্ত উঠে গেল। বুঝলাম যে এদের সাথে আর কিছুক্ষন থাকলে আমার পুরো ট্যুরটাই একেবারে মাটি হয়ে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে আমার ব্যাগপত্র উঠিয়ে রওনা দিলাম। পরে আমি টের পেয়েছিলাম জীবনে যে কয়টা বড় বড় ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার মধ্যে সবচেয়ে বড় সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল এটি।

আমার পিছু পিছু নিয়নও আসলো। সে আমার সাথে নিউ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাবে। তার দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হচ্ছে সিমলা থেকে জম্মু যাবার বাসের টিকিট কাটা। আর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আমার মানালি যাওয়া ঠেকিয়ে তাদের সাথে জম্মু যাবার ব্যাপারে রাজি করা। হোটেল থেকে বের হয়ে নিচের দিকে নামতে লাগলাম লোকাল বাস ধরার উদ্দেশ্যে। ওল্ড বাসস্ট্যান্ডের দিকে না গিয়ে শর্টকাট রাস্তা ধরলাম। কিছুদূর হাটার পর তিন রাস্তার মোড়ে এসে আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা ট্রাফিক পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে দেখে দৌড় দিলাম তার দিকে। জানতে চাইলাম নিউ বাসস্ট্যান্ড যাবার বাস কোনটা। স্যার সম্বোধন করে মিষ্টি হেসে সে সবকিছু বুঝিয়ে দিল। আহ জীবনটা ধন্য হয়ে গেল!

বাসস্টপে দাঁড়িয়ে আছি তো দাড়িয়েই আছি। আমাদের যে বাসটা দরকার শুধুমাত্র সে বাসটারই দেখা নেই। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে ওল্ড বাসস্ট্যান্ডের দিকে হাঁটা শুরু করলাম ঝুলন্ত ফুটপাত দিয়ে। কিছুক্ষণ পর রেল স্টেশন পার হলাম। আর এখানেই দেখা হলো আমাদের হোটেলের মালিকের সাথে। দূর থেকে আমাদের দেখে এগিয়ে এসে সে হাসিমুখে আমাদের সাথে গল্প শুরু করলো। আমি তখনও হতভম্ব। কাল রাতে ঐ ঘটনার পর সে আমাদের সাথে এভাবে গল্প করছে! সত্যিই সেতু যে কি জিনিস তা আল্লাহই জানে!

রেল স্টেশন পার হয়ে এসে ওল্ড বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে উঠলাম। দুজনের ভাড়া ১৪রুপি হলেও কন্ট্রাকটার ব্যাটা খুচরা না থাকার অজুহাতে ১৫রুপি নিলো।নিউ বাসস্ট্যান্ডে নেমে ইনফরমেশন ডেস্কের দিকে দৌড় দিলাম। ততোক্ষণে সাড়ে দশটা বেজে গেছে। ডেস্ক থেকে জানালো মানালি যাবার সব বাস চলে গেছে। পরের বাস বিকাল তিনটার পর থেকে। তথ্যটা শুনে নিয়ন খুব খুশি হয়ে উঠলো। সে আমাকে আবার তাদের সাথে জম্মু যাবার জন্য প্ররোচিত করতে লাগলো। কিন্তু আমি হাল ছাড়লাম না। বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন লোকের কাছে শুনে শুনে যা জানলাম তা হচ্ছে সিমলা থেকে মান্ডি পর্যন্ত লোকাল বাস যায়। আর মান্ডি থেকে মানালি পর্যন্ত সহজেই বাস মিলবে। মান্ডি যাবার বাসের কন্ট্রাকটার আমাকে খুঁজে খুঁজে বের করে হাতে ২১৫ রুপির একটা স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে বাসে উঠিয়ে দিলো। সে আমাকে জানালো যে সে আমাকে মান্ডি থেকে মানালি যাবার বাসে উঠিয়ে দেবে।

নিয়নের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসে উঠে বসলাম। খুবই খারাপ লাগছে। নিয়নের অবস্থাও একইরকম। আসলে তিনদিনেই আমরা খুব আপন হয়ে উঠেছিলাম। এখন ছেড়ে যেতে খুবই কষ্ট লাগছে। মনে হচ্ছে কি হতো ওদের সাথে জম্মু গেলে!

আমিই সর্বশেষ ব্যাক্তি হিসেবে বাসে উঠলাম। আমার ওঠার সাথে সাথে বাস ছেড়ে দিলো। কোন দুরপাল্লার লোকাল বাস যে এতো সুন্দর হতে পারে তা আমি এই প্রথম দেখলাম। সামনের দিকে দরজার পাশে একটা সিট পেয়েছি। পাশের সহযাত্রীর সাথে গল্প শুরু করে দিলাম। কন্ট্রাকটার এলে তাকে ২১৫ রুপির স্লিপ না দেখিয়ে ৫০০ রুপির নোট দিলাম। সে আমাকে ৩০০ রুপি ফেরত দিলো। আচ্ছা তাহলে এই ব্যাপার! ব্যাটা আমাকে বোকা পেয়ে ১৫রুপি হাতিয়ে নেবার তালে ছিলো! স্লিপ দেখালেই আমি ১৫রুপির ধরা খেয়ে যেতাম।

সিমলা থেকে মান্ডির দূরত্ব ১৪০ কিঃমিঃ। পেচিয়ে পেচিয়ে রাস্তা শুধু নামছে আর নামছে। আসলে সিমলা শহরটা যে এতো উঁচু তা আগে বুঝতে পারিনি। আসার সময় কালকা থেকে টয় ট্রেনে এসেছি বলে বুঝতে পারিনি। এখানকার বাসগুলো দেখি খুবই আইন মানে। কন্ট্রাকটার বাঁশি বাজালে ড্রাইভার বাস চালায় অথবা বাস থামায়। এখানে বাস থাবড়ানোর কোন ব্যাপারই নেই। তাছাড়া প্রত্যেক যাত্রী ওঠা বা নামার পর নিজ দায়িত্বে বাসের দরজা বন্ধ করে। বাসের মধ্যে কোন প্রকার হইচই গোলমাল বা গালাগাল নেই।

কিন্তু আমার সমস্যা হলো অন্য জায়গায়। সিমলা থেকে মানালি যাবার পথ এতো ঘুরিয়ে পেচিয়ে নেমেছে যে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেল। মাথা যন্ত্রণা করে ভয়ানক বমি পেতে লাগলো। বাস পাহাড়ের পাকদন্ডি বেয়ে নেমে চলেছে আর আমার পেটের পাকদন্ডি বেয়ে কি যেন গলার কাছে ঠেলে উঠছে। আমি খুব কষ্ট করে চেপে বসে আছি। এসময় দেখলাম দাঁড়িয়ে থাকা এক বুড়ি উল্টি আরাহিহে বলে আমাকে কি যেন বোঝাচ্ছে। আমি কিছুই বুঝলাম না। শেষ পর্যন্ত বুড়ি নিজেই আমার পাশের জানালা খুলে বমি করা শুরু করলো। ও আল্লাহ, উল্টি আরাহিহে মানে হচ্ছে বমি আসছে! আর এজন্যই বুড়ি জানালা খুলতে বলছিল যেন সে বমি করতে পারে।

এমনিতে নিজের অবস্থা সামাল দিতে গিয়ে আমি অস্থির তারপর দেখি সামনে একজন বমি করছে। কি অবস্থা! শেষ পর্যন্ত না পেরে ব্যাগ থেকে খুঁজে খুঁজে এভোমিন বের করলাম। ঔষধটা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর দেখি আমি চোখ মেলতে পারছি না। পাশের লোকটির কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লাম। হায় আফসোস, দুপাশে এতো সুন্দর জায়গা, আমি কোন ছবি তোলা তো দূরে থাকুক চোখ মেলে একটু দেখতেও পারছি না।

শেষ পর্যন্ত বেলা তিনটার দিকে চোখ মেলতে পারলাম। বাস তখন সমতল জায়গা দিয়ে চলা শুরু করেছে। আর তার কিছুক্ষণ পরই বিখ্যাত বিপাশা নদীর দেখা পেলাম। যার হিন্দি নাম হচ্ছে বিয়াস। সারে তিনটার দিকে বাস পৌছাল মান্ডি বাস স্ট্যান্ডে। কন্ট্রাকটার ব্যাটা দেখি মানালি যাবার যাত্রীটি অর্থাৎ আমাকে খুঁজছে। আমার চেহারা তার মনে নেই। ব্যাটা বুঝি আমার কাছ থেকে কিছু হাতানোর চেষ্টা করছে! তাকে সে সুযোগ না দিয়ে টুক করে আমি বাস থেকে নেমে পড়লাম। বাস স্ট্যান্ডে নেমে আমি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গেলাম। এখানে আসার আগ পর্যন্ত আমি কখনো মান্ডির নাম পর্যন্ত শুনিনি। অথচ কি বিশাল একটা বাস স্ট্যান্ড। গাদা গাদা বাস আসছে আর যাচ্ছে। প্রথমেই গেলাম দ্বোতলায়। সেখানে টয়লেট থেকে ফ্রেশ হয়ে খাবার ঘরে ঢুকলাম।

দুটো বড়বড় লুচি আর ডাল, দাম নিল ১৫ রুপি। খেয়ে দেয়ে নীচতলায় নামলাম মানালির বাস খোজার জন্য। এসময় সেই কন্ট্রাকটার ব্যাটা আমার ব্যাগ চিনে আমাকে খুঁজে খুঁজে বের করলো। আমাকে পেয়ে হাঁপ ছেড়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। এতোক্ষণ ধরে সে আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। তারপর সে আমাকে মানালি যাবার বাসে উঠিয়ে ঠিকঠাক ভাবে বসিয়ে দিয়ে দৌড়ে তার নিজের বাসে উঠলো। হুশ করে তার বাসটা বেরিয়ে গেল। আমি পুরোপুরি বিস্মিত! লোকটা আমার কাছ থেকে ১৫ রুপি হাতিয়ে নেবার ধান্দা করেছিল সত্যি, কিন্তু আমার জন্য সে তার নিজের চলন্ত বাস আধাঘন্টা থামিয়ে রেখেছিল। সত্যি মানুষ কি বিচিত্র!

সাড়ে চারটার দিকে মান্ডি থেকে মানালির উদ্দেশ্যে বাস চলা শুরু করলো। এটিও লোকাল বাস। মানালি পর্যন্ত ভাড়া ১৫০রুপি। বাস চলা শুরু মাত্রই আমি আবার ঘুমিয়ে গেলাম। সাড়ে পাচটার দিকে ঘুম ভেঙে গেল। বাস অনেকক্ষণ থেমে আছে। কোন রকমে চোখ থেকে ঘুম সরিয়ে নিচে নামলাম কি অবস্থা দেখার জন্য। সামনে দেখলাম একটি ট্রাকের সাথে প্রাইভেট কারের ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। রাস্তা বন্ধ। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিসের গাড়ি এসে রাস্তা পরিষ্কার করে দিলো। বাস আবার চলা শুরু করলো আর আমি আবার ঘুমিয়ে পড়লাম।

এক সময় জোর করেই ঘুম থেকে উঠলাম। আসলে সকালে এভোমিন খাওয়ার কারণেই এতো ঘুম লাগছে। এবার চোখ ডলে ডলে ঘুম তাড়িয়ে আশপাশ দেখতে লাগলাম। সন্ধ্যার একটু আগ দিয়ে বাস একটা টানেলে ঢুকে পড়লো। টানেল ধরে যাচ্ছি তো যাচ্ছি, তবু যেন শেষ হয় না। শেষ পর্যন্ত টানেল যখন শেষ হলো তখন কুল্লু জেলায় পৌছে গেছি। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে বাস পৌছালো কুল্লু বাস স্ট্যান্ডে। যেহেতু এই বাসটাতে যাত্রী কম সেজন্য এটি আর মানালি পর্যন্ত যাবে না। আমরা যে ৬/৭ জন যাত্রী ছিলাম তাদেরকে মানালিগামী একটি বাসে উঠিয়ে দিলো।

এতোক্ষণ তো আরামে বসে ছিলাম কিন্তু এই নতুন বাসটাতে বেশ চাপাচাপি করে বসতে হলো। তাছাড়া আমার মোটা ব্যাগটা রাখার ফলে আশেপাশে সবারই বেশ কষ্ট হতে লাগলো। কিন্তু আমি কাউকে এ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখিনি। আগের বাসের টিকিট দেখানোতে এ বাসে আর নতুন করে ভাড়া দিতে হলো না। বাস চলা শুরু করলো। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি শুধুই অন্ধকার, কিছুই দেখা যাচ্ছে না। যাত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় নামার ফলে বাস ফাঁকা হওয়া শুরু করেছে। কিন্তু আমি অধৈর্য হয়ে গেছি, রাস্তা যেন আর ফুরায় না।

অবশেষে রাত সাড়ে নটার দিকে প্রায় এগারো ঘন্টার জার্নি শেষে আমি এসে নামলাম মানালি বাস স্ট্যান্ডে। বাস থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে কতগুলি দালাল এসে ছেকে ধরলো আমাকে। আমি আসলে এদেরকেই খুজছিলাম। একজনের পিছু পিছু চললাম। মানালি বাসস্ট্যান্ডের সঙ্গেই মানালি ম্যাল। দালালটা আমাকে সেখানের এক হোটেলে নিয়ে গেল। HOTEL PAWAN. এর দ্বোতলায় একটা ডাবল বেডের রুম নিলাম। এটাচট বাথরুমে চব্বিশ ঘন্টার ঠান্ডা পানি গরম পানি সহ। ভাড়া চাইল চারশো রুপি। পরে অবশ্য দুনম্বরি করে আমার কাছ থেকে ৫০রুপি বেশি নিয়েছে।

রুমে ব্যাগ রেখে খাবার খেতে বের হলাম। এক জায়গায় দেখি বাংলায় লেখা রয়েছে “হোটেল শান্তিনিকেতন”,আর তার নিচে রয়েছে কি কি খাবার পাওয়া যায় তার লিস্ট। ঢুকে পড়লাম সেখানে। অনেকদিন মাছ খাওয়া হয়না ভেবে মাছের একটা থালি অর্ডার দিলাম। থালিতে রয়েছে আলু ভাজি, ডাল, কুমড়োর একটা ঘ্যাট, ছোলার একটা তরকারি, একপিছ রুই মাছ আর যতো ইচ্ছে ভাত। দাম ১৫০রুপি। বেশ তৃপ্তি সহকারে খেলাম।

খাওয়া দাওয়া শেষে ম্যালে কিছুক্ষণ হেঁটে বেড়ালাম। আমি মানালির যে সৌন্দর্যের কথা শুনেছিলাম এখানে এসে সে তুলনায় কিছুটা হতাশ হয়েছি। জায়গাটা কেমন যেন স্যাতস্যাতে আর কাঠ পচা টাইপ গন্ধ। হয়তো এ সিজনটায় এরকম। এর চাইতে সিমলা কতো সুন্দর। যাকগে, হয়তোবা রাত হয়ে গেছে বলে বেশি কিছু দেখতে পারছি না।

ম্যালে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করলাম। দেখলাম এক ধরনের ছোট ছোট মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে। খুব লোভ লাগলো। কিন্তু ভাবলাম এইমাত্র যেহেতু ভরপেট ভাত খেয়ে উঠেছি আর যেহেতু এখানে আরো দুদিন আছি পরেও খাওয়া যাবে। কিন্তু হায় তখন যদি ঘুণাক্ষরেও টের পেতেম যে ভোরবেলায় উঠেই আমাকে দৌড় দিতে হবে তবে কি ওই মিষ্টির স্বাদ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করতাম!

যাই হোক রাত প্রায় সাড়ে দশটা বেজে গেছে। সারাদিনের এতো লম্বা বাস জার্নিতে আমি খুবই ক্লান্ত। তাছাড়া তিন বার বাস বদলাতে হয়েছে। আর এভোমিনের প্রভাব এখনো কাজ করছে। হোটেলের রুমে ফিরে এসে কম্বলের তলায় ঢুকে গেলাম।

কম খরচে আমার ভারত ভ্রমণ ( মানালি ) পর্বের মোট খরচ ঃ

১। সকালের খাওয়া হয়নি।
২। সিমলাতে লোকাল বাস ভাড়া (আমার আর নিয়নের) = ১৫রুপি।
৩। সিমলা থেকে মান্ডি পর্যন্ত বাস ভাড়া = ২০০রুপি
৪। দুপুরের খাওয়া = ১৫রুপি
৫। মান্ডি থেকে মানালি পর্যন্ত দুটি বাসে ভাড়া = ১৫০রুপি
৬। হোটেল ভাড়া = ৪৫০রুপি
৭। রাতের খাওয়া = ১৫০রুপি

মোট = ৯৮০রুপি।

১০০টাকায় ৮২ রুপি হিসাবে আধিক্য সিমলা থেকে মানালি মৌলিক পর্বের মোট খরচ ১,১৯৫টাকা।

পরের পর্ব