থাইল্যান্ড ট্যুর প্ল্যান

যুক্ত করা হয়েছে

বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য থাইল্যান্ড ভ্রমণে ছয় রাত ও সাত দিনই আদর্শ।

প্রথম দিনঃ

ঢাকা থেকে ব্যাংকক এয়ারপোর্ট নেমে চলুন পাতায়া। ব্যাংকক থেকে পাতায়া ১৬০ কিলোমিটার । সময় লাগে সোয়া দুই ঘণ্টা। পাতায়া যাওয়ার পথে সুরাসাকে শ্রীরাচা টাইগার জু। এখান থেকে পাতায়া ৪৫ মিনিটের পথ। এখানে বাঘের শো হয়। কুমিরের চাষ হয়। পাতায়া শহরের রয়্যাল গার্ডেন প্লাজার দোতলায় আছে চমৎকার এক জাদুঘর। এখানে পৃথিবীর একমাত্র তিন পাওয়ালা ঘোড়াসহ হাজার হাজার আশ্চর্য জিনিস আছে। এ ছাড়া ঘুরে দেখুন পাতায়া বিচ, জমটিয়েন বিচ।

দ্বিতীয় দিনঃ

এই দিনে সারা দিন পাতায়ার কোরাল আইল্যান্ড ভ্রমণ করে রাতে চলে আসুন ব্যাংকক।

তৃতীয় দিনঃ

সারা দিন ব্যাংকক শহর ঘুরে দেখুন। আছে নানা রকমের প্যাকেজ ট্যুর। বাংলাদেশিরা এখানে এলে সুকুমভিত এলাকার অ্যাম্বাসাডর হোটেলেই বেশি থাকে। সুকুমভিতে রুম ভাড়া ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার বাথ। ঘুরে আসুন থাইল্যান্ডের পুরনো রাজধানী ধনবুরির বিখ্যাত স্নেক ফার্ম। একই দিনে ঘুরে দেখতে পারেন চায়না টাউন, সিয়াম ডিসকভারি শপিং মল, ১৫০ বছরের পুরনো রামা ৫-এর বাসস্থান ভিমানমেক ম্যানশন, চাতুচাক (চাতুচাক পার্ক) সাবওয়ে রেলস্টেশন (পাতাল ট্রেন) ও থাইল্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিং বাইওকি স্কাই হোটেল।

চতুর্থ দিনঃ

চতুর্থ দিন চলুন ফুকেট। ব্যাংকক থেকে প্রতিদিন ফুকেট যাওয়ার ফ্লাইট আছে। চাইলে বাসেও যাওয়া যায়। ফ্লাইটে যাওয়াই আদর্শ। স্থানীয় বাহন টুকটুকে যেতে লাগবে ১০ বাথ। মিনিবাসে যেতে লাগবে ৮০ বাথ আর ট্যাক্সিক্যাবে যেতে লাগবে ৪০০ বাথ। ফুকেটে বিচগুলোতে সময় কাটান।

পঞ্চম দিনঃ

পাতং বিচে যান। এরপর ফুকেট ফ্যান্টাসি থিম পার্ক দেখুন। থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় থিম পার্ক। পাতং বিচ থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে কমলা বিচের ১৪০ একর জায়গাজুড়ে পার্কটি। বিকেল ৫টা ৩০ থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকে।

ষষ্ঠ দিনঃ

আইয়ারা প্যালেসে এলিফ্যান্ট শো দেখুন। ফুকেটে থাকার জায়গা বান কারনবুরি রিসোর্ট।

সপ্তম দিনঃ

ফুকেট থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে পাংগা বে। আসতে সময় লাগে দুই ঘণ্টা। চারপাশে অনেক ম্যানগ্রোভ জঙ্গল চোখে পড়বে। জেমস বন্ড আইল্যান্ড যাওয়ার পথে দেখা মিলবে অনেক ছোট ছোট দ্বীপের।